<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1</id>
		<title>কুলকাঠি হত্যাকাণ্ড - সংশোধন ইতিহাস</title>
		<link rel="self" type="application/atom+xml" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1"/>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;action=history"/>
		<updated>2026-05-09T15:43:42Z</updated>
		<subtitle>এ উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
		<generator>MediaWiki 1.26.2</generator>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;diff=2662&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৪:৩৯, ২০ এপ্রিল ২০১৯-এ Spadmin</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;diff=2662&amp;oldid=prev"/>
				<updated>2019-04-20T04:39:33Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;table class='diff diff-contentalign-left'&gt;
				&lt;col class='diff-marker' /&gt;
				&lt;col class='diff-content' /&gt;
				&lt;col class='diff-marker' /&gt;
				&lt;col class='diff-content' /&gt;
				&lt;tr style='vertical-align: top;' lang='bn'&gt;
				&lt;td colspan='2' style=&quot;background-color: white; color:black; text-align: center;&quot;&gt;←পুর্বের সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;td colspan='2' style=&quot;background-color: white; color:black; text-align: center;&quot;&gt;০৪:৩৯, ২০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot; id=&quot;mw-diff-left-l1&quot; &gt;১ নং লাইন:&lt;/td&gt;
&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot;&gt;১ নং লাইন:&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class='diff-marker'&gt;−&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color:black; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;কুলকাঠি হত্যাকাণ্ড বৃটিশ শাসনামলে নলছিটি থানার কুলকাঠি গ্রামে সংঘটিত ‘দ্বিতীয় জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত এক কুখ্যাত হত্যাকাণ্ড। ১৯২৭ সালে (বাংলা ১৩৩৩&amp;#160; সনের ১৮ ফাল্গুন) এ দিনে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করতে গিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইএন ব্লান্ডির হুকুমে গুর্খা সৈন্যদের গুলী বর্ষণে শহীদ হয়েছিলেন কুলকাঠি এলাকায় ১৯ জন &lt;del class=&quot;diffchange diffchange-inline&quot;&gt;ধর্মপ্রাণ &lt;/del&gt;মুসলমান। &amp;#160;&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class='diff-marker'&gt;+&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color:black; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #a3d3ff; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;কুলকাঠি হত্যাকাণ্ড বৃটিশ শাসনামলে নলছিটি থানার কুলকাঠি গ্রামে সংঘটিত ‘দ্বিতীয় জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত এক কুখ্যাত হত্যাকাণ্ড। ১৯২৭ সালে (বাংলা ১৩৩৩&amp;#160; সনের ১৮ ফাল্গুন) এ দিনে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করতে গিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইএন ব্লান্ডির হুকুমে গুর্খা সৈন্যদের গুলী বর্ষণে শহীদ হয়েছিলেন কুলকাঠি এলাকায় ১৯ জন মুসলমান। &amp;#160;&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class='diff-marker'&gt;&amp;#160;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f9f9f9; color: #333333; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #e6e6e6; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class='diff-marker'&gt;&amp;#160;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f9f9f9; color: #333333; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #e6e6e6; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class='diff-marker'&gt;&amp;#160;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f9f9f9; color: #333333; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #e6e6e6; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;ঝালকাঠি শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত সুগন্ধা নদীর দক্ষিণ তীরে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ও নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি দুটি ইউনিয়ন ছিল ঘটনাস্থল। সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের আন্তর্জাতিক ৫২টি ধর্মীয় স্থানের মধ্যে ৩য় তীর্থস্থান শিববাড়ির অবস্থান। প্রাচীন কাল থেকে প্রতি বছর শিবচতুদর্শী উপলক্ষে শিববাড়িতে বিরাট মেলা বসে। এখন দুই-তিন দিনে সীমাবদ্ধ হলেও আগে পক্ষকাল থেকে মাসব্যাপী মেলা চলতো। শিববাড়ির কাছেই জেলার নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি গ্রামটি অবস্থিত। ইংরেজ আমলে ১৯২৬ সালে এ গ্রামে একটি জামে মসজিদ নির্মিত হয়। হিন্দুরা ঢোল বাদ্য বাজিয়ে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা দিয়েই মেলায় যাতায়াত করায় মুসলমানদের ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটে। এ নিয়ে মসজিদের ইমাম মৌলভী সৈয়দ উদ্দিনের নেতৃত্বে মুসল্লিরা হিন্দু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করে সুফল লাভে ব্যর্থ হন। এ অবস্থায় মুসলমানগণ মসজিদের পাশে রাস্তা দিয়ে বাদ্য বাজনা বাজিয়ে যেতে না দেয়ার অপরদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকরা বাধ্য-বাজনা সহকারেই শিব মন্দিরে যাবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে। খবর পেয়ে বিখ্যাত হিন্দু নেতা সতীন সেন একদল ‘হিন্দু স্বেচ্ছাসেবক’ নিয়ে শিববাড়ি-কুলকাঠি এলাকায় অবস্থান নেন। শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কায় বাকেরগঞ্জের তদানীন্তন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইএন ব্লান্ডি, পুলিশ সুপার মি. টেলর এবং সদর এসডিও জিকে বিশ্বাস ২ মার্চ বুধবার, গুর্খা বাহিনী নিয়ে কুলকাঠি আসেন। দু’পক্ষের বিরোধের একপর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট ব্লান্ডি মুসলমানদের ওপর গুলী করার জন্য গুর্খা সৈন্যদের নির্দেশ দিলে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন ১৯ জন মুসল্লি আর আহত হন অনেকেই। পুরো বাকেরগঞ্জ জেলাসহ দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বরিশালে ময়নাতদন্তের পর হেমায়েত উদ্দিন মাঠে অনুষ্ঠিত নামাযে জানাযায় শোকে মুহ্যমান হাজার হাজার মুসলমান অংশ নেন। পরে শহীদদের স্বজনরা গ্রামে এনে মসজিদের কাছে দাফন করেন।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class='diff-marker'&gt;&amp;#160;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f9f9f9; color: #333333; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #e6e6e6; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;ঝালকাঠি শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত সুগন্ধা নদীর দক্ষিণ তীরে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ও নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি দুটি ইউনিয়ন ছিল ঘটনাস্থল। সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের আন্তর্জাতিক ৫২টি ধর্মীয় স্থানের মধ্যে ৩য় তীর্থস্থান শিববাড়ির অবস্থান। প্রাচীন কাল থেকে প্রতি বছর শিবচতুদর্শী উপলক্ষে শিববাড়িতে বিরাট মেলা বসে। এখন দুই-তিন দিনে সীমাবদ্ধ হলেও আগে পক্ষকাল থেকে মাসব্যাপী মেলা চলতো। শিববাড়ির কাছেই জেলার নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি গ্রামটি অবস্থিত। ইংরেজ আমলে ১৯২৬ সালে এ গ্রামে একটি জামে মসজিদ নির্মিত হয়। হিন্দুরা ঢোল বাদ্য বাজিয়ে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা দিয়েই মেলায় যাতায়াত করায় মুসলমানদের ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটে। এ নিয়ে মসজিদের ইমাম মৌলভী সৈয়দ উদ্দিনের নেতৃত্বে মুসল্লিরা হিন্দু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করে সুফল লাভে ব্যর্থ হন। এ অবস্থায় মুসলমানগণ মসজিদের পাশে রাস্তা দিয়ে বাদ্য বাজনা বাজিয়ে যেতে না দেয়ার অপরদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকরা বাধ্য-বাজনা সহকারেই শিব মন্দিরে যাবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে। খবর পেয়ে বিখ্যাত হিন্দু নেতা সতীন সেন একদল ‘হিন্দু স্বেচ্ছাসেবক’ নিয়ে শিববাড়ি-কুলকাঠি এলাকায় অবস্থান নেন। শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কায় বাকেরগঞ্জের তদানীন্তন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইএন ব্লান্ডি, পুলিশ সুপার মি. টেলর এবং সদর এসডিও জিকে বিশ্বাস ২ মার্চ বুধবার, গুর্খা বাহিনী নিয়ে কুলকাঠি আসেন। দু’পক্ষের বিরোধের একপর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট ব্লান্ডি মুসলমানদের ওপর গুলী করার জন্য গুর্খা সৈন্যদের নির্দেশ দিলে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন ১৯ জন মুসল্লি আর আহত হন অনেকেই। পুরো বাকেরগঞ্জ জেলাসহ দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বরিশালে ময়নাতদন্তের পর হেমায়েত উদ্দিন মাঠে অনুষ্ঠিত নামাযে জানাযায় শোকে মুহ্যমান হাজার হাজার মুসলমান অংশ নেন। পরে শহীদদের স্বজনরা গ্রামে এনে মসজিদের কাছে দাফন করেন।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;/table&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;diff=2661&amp;oldid=prev</id>
		<title>Spadmin: &quot;কুলকাঠি হত্যাকাণ্ড বৃটিশ শাসনামলে নলছিটি থানার কুলকাঠি...&quot; দিয়ে পাতা তৈরি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF_%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1&amp;diff=2661&amp;oldid=prev"/>
				<updated>2019-04-20T04:38:55Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;&amp;quot;কুলকাঠি হত্যাকাণ্ড বৃটিশ শাসনামলে নলছিটি থানার কুলকাঠি...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;কুলকাঠি হত্যাকাণ্ড বৃটিশ শাসনামলে নলছিটি থানার কুলকাঠি গ্রামে সংঘটিত ‘দ্বিতীয় জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত এক কুখ্যাত হত্যাকাণ্ড। ১৯২৭ সালে (বাংলা ১৩৩৩  সনের ১৮ ফাল্গুন) এ দিনে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করতে গিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইএন ব্লান্ডির হুকুমে গুর্খা সৈন্যদের গুলী বর্ষণে শহীদ হয়েছিলেন কুলকাঠি এলাকায় ১৯ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঝালকাঠি শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত সুগন্ধা নদীর দক্ষিণ তীরে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ও নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি দুটি ইউনিয়ন ছিল ঘটনাস্থল। সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের আন্তর্জাতিক ৫২টি ধর্মীয় স্থানের মধ্যে ৩য় তীর্থস্থান শিববাড়ির অবস্থান। প্রাচীন কাল থেকে প্রতি বছর শিবচতুদর্শী উপলক্ষে শিববাড়িতে বিরাট মেলা বসে। এখন দুই-তিন দিনে সীমাবদ্ধ হলেও আগে পক্ষকাল থেকে মাসব্যাপী মেলা চলতো। শিববাড়ির কাছেই জেলার নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি গ্রামটি অবস্থিত। ইংরেজ আমলে ১৯২৬ সালে এ গ্রামে একটি জামে মসজিদ নির্মিত হয়। হিন্দুরা ঢোল বাদ্য বাজিয়ে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা দিয়েই মেলায় যাতায়াত করায় মুসলমানদের ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটে। এ নিয়ে মসজিদের ইমাম মৌলভী সৈয়দ উদ্দিনের নেতৃত্বে মুসল্লিরা হিন্দু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করে সুফল লাভে ব্যর্থ হন। এ অবস্থায় মুসলমানগণ মসজিদের পাশে রাস্তা দিয়ে বাদ্য বাজনা বাজিয়ে যেতে না দেয়ার অপরদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকরা বাধ্য-বাজনা সহকারেই শিব মন্দিরে যাবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে। খবর পেয়ে বিখ্যাত হিন্দু নেতা সতীন সেন একদল ‘হিন্দু স্বেচ্ছাসেবক’ নিয়ে শিববাড়ি-কুলকাঠি এলাকায় অবস্থান নেন। শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কায় বাকেরগঞ্জের তদানীন্তন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইএন ব্লান্ডি, পুলিশ সুপার মি. টেলর এবং সদর এসডিও জিকে বিশ্বাস ২ মার্চ বুধবার, গুর্খা বাহিনী নিয়ে কুলকাঠি আসেন। দু’পক্ষের বিরোধের একপর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট ব্লান্ডি মুসলমানদের ওপর গুলী করার জন্য গুর্খা সৈন্যদের নির্দেশ দিলে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন ১৯ জন মুসল্লি আর আহত হন অনেকেই। পুরো বাকেরগঞ্জ জেলাসহ দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বরিশালে ময়নাতদন্তের পর হেমায়েত উদ্দিন মাঠে অনুষ্ঠিত নামাযে জানাযায় শোকে মুহ্যমান হাজার হাজার মুসলমান অংশ নেন। পরে শহীদদের স্বজনরা গ্রামে এনে মসজিদের কাছে দাফন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শহীদরা হলেন- বাবর উল্লাহ হাওলাদার, আফেল গাজী, নঈম উদ্দিন হাওলাদার, ইয়াসিন আকন, আতামুদ্দিন হাওলাদার, হাসান উল্লাহ হাওলাদার, মোসলেম উদ্দিন, মোহন মোল্লা, সেরাজ উদ্দিন, সুন্দর খান, ছবদার খান, মফেজ হাওলাদার, রহমালি হাওলাদার, বলু খান, রিয়াজ উদ্দিন, জাহের তালুকদার, জহির উদ্দিন হাওলাদার, আবুল হোসেন হাওলাদার ও ফরমান উল্লাহ। তৎকালীন বৃটিশ-ভারতের পত্রপত্রিকায় ফলাও করে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ করা হয়। মাসিক সওগাত পত্রিকা ঘটনাটিকে ‘দ্বিতীয় জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। খবর পেয়ে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক কুলকাঠিতে ছুটে এসে এক জনসভা করেন। হত্যাকাণ্ডের নায়ক ব্লান্ডিকে ‘ব্লাডি’ বলে আখ্যায়িত করেন। নরহত্যার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়। সরকার পক্ষ মামলায় হেরে গিয়ে প্রত্যেক শহীদ পরিবারের জন্য চরমোয়াজানে দশ কানি জমির বরাদ্দ দেয়। কবরস্থানের চারদিকে দেয়াল এবং মসজিদটি ভালভাবে নির্মাণ করে দেয়া হয়। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্লান্ডি ক্ষমা প্রার্থনাও করে। ১৯ শহীদের স্মৃতি রক্ষার্থে কুলকাঠির চন্ডিপ্রসাদ হাইস্কুলটির নামকরণ করা হয় ‘কুলকাঠি শহীদিয়া ইউনিয়ন একাডেমি’ বর্তমানে সেটি কুলকাঠি শহিদীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
                &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। দৈনিক ইত্তেফাক। ২। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, বরিশাল বিভাগের ইতিহাস।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	</feed>