<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Spadmin</id>
		<title>Barisalpedia - ব্যবহারকারীর অবদান [bn]</title>
		<link rel="self" type="application/atom+xml" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Spadmin"/>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:Contributions/Spadmin"/>
		<updated>2026-06-19T10:27:04Z</updated>
		<subtitle>ব্যবহারকারীর অবদান</subtitle>
		<generator>MediaWiki 1.26.2</generator>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0&amp;diff=3584</id>
		<title>সিদ্ধকাঠির জমিদার পরিবার</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0&amp;diff=3584"/>
				<updated>2024-01-01T17:44:11Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;নলছিটির কিয়দংশ জুড়ে বিস্তৃত শাহাজাদপুর পরগণার জমিদার ছিলেন সিদ্ধকাঠির চৌধুরীরা। তারা বৈদ্যবংশীয়। তাদের পূর্ব পুরুষ রমাকান্ত খুলনার মূলঘর হতে নলছিটির সিদ্ধকাঠিতে বসতি স্থাপন করেন। তার প্রপৌত্র চন্দ্র শেখর মগ জলদ্যসুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খ্যাতি অর্জন করেন। এ বংশের মথুরানাথ একজন প্রজা বৎসল জমিদার ছিলেন। তার পুত্র গিরিজা প্রসন্নরায়চৌধুরী   ্লএকজন কীর্তিমান লেখক ও হাইকোর্টের আইনজীবি ছিলেন। গিরিজা প্রসন্ন প্লেগ রোগে ১৮৯৮ খৃৃস্টাব্দে মারা যান। এটি কবি কামিনী রায়ের শ্বশুর বাড়িও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বংশতালিকা ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রমাকান্ত রায় চৌধুরীর পুত্র কামদেব, তার পুত্র রামগোবিন্দ, তার তিন পুত্র চন্দ্র শেখর, মনিরাম ও জয় চন্দ্র; মনিরামের তিন পুত্র নন্দ দুলাল, মদনমোহন ও গৌরি কিংকর; নন্দ দুলালের পুত্র দুর্গাগতি; দুর্গাগতির দুই পুত্র দ্বারকানাথ ও মথুরানাথ; দ্বারকানাথের পুত্র চিন্তাহরণ, তার পুত্র কুলদা চরণ; মথুরানাথের চার পুত্র 	গিরিজা প্রসন্ন, তারা প্রসন্ন, জগৎ প্রসন্ন	 ও দুর্গা প্রসন্ন; গিরিজা প্রসন্নর পুত্র নগেন্দ্র, তারা প্রসন্নর পুত্র সুরেন্দ্র, জগৎ প্রসন্নর পুত্র ধীরেন্দ্র, দুর্গা প্রসন্নর জ্ঞানেন্দ্র। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিদ্ধকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৮৮২) জমিদার জগৎপ্রসন্ন রায় চৌধুরী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখনো স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস (১ম খন্ড)। ভাস্কর প্রকাশনী, ঢাকা। ২০১০। ২। উইকিপিডিয়া&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0&amp;diff=3583</id>
		<title>সিদ্ধকাঠির জমিদার পরিবার</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0&amp;diff=3583"/>
				<updated>2024-01-01T17:43:33Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;নলছিটির কিয়দংশ জুড়ে বিস্তৃত শাহাজাদপুর পরগণার জমিদার ছিলেন সিদ্ধকাঠির চৌধুরীরা। তারা বৈদ্যবংশীয়। তাদের পূর্ব পুরুষ রমাকান্ত খুলনার মূলঘর হতে সিদ্ধকাঠিতে বসতি স্থাপন করেন। তার প্রপৌত্র চন্দ্র শেখর মগ জলদ্যসুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খ্যাতি অর্জন করেন। এ বংশের মথুরানাথ একজন প্রজা বৎসল জমিদার ছিলেন। তার পুত্র গিরিজা প্রসন্নরায়চৌধুরী   ্লএকজন কীর্তিমান লেখক ও হাইকোর্টের আইনজীবি ছিলেন। গিরিজা প্রসন্ন প্লেগ রোগে ১৮৯৮ খৃৃস্টাব্দে মারা যান। এটি কবি কামিনী রায়ের শ্বশুর বাড়িও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বংশতালিকা ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রমাকান্ত রায় চৌধুরীর পুত্র কামদেব, তার পুত্র রামগোবিন্দ, তার তিন পুত্র চন্দ্র শেখর, মনিরাম ও জয় চন্দ্র; মনিরামের তিন পুত্র নন্দ দুলাল, মদনমোহন ও গৌরি কিংকর; নন্দ দুলালের পুত্র দুর্গাগতি; দুর্গাগতির দুই পুত্র দ্বারকানাথ ও মথুরানাথ; দ্বারকানাথের পুত্র চিন্তাহরণ, তার পুত্র কুলদা চরণ; মথুরানাথের চার পুত্র 	গিরিজা প্রসন্ন, তারা প্রসন্ন, জগৎ প্রসন্ন	 ও দুর্গা প্রসন্ন; গিরিজা প্রসন্নর পুত্র নগেন্দ্র, তারা প্রসন্নর পুত্র সুরেন্দ্র, জগৎ প্রসন্নর পুত্র ধীরেন্দ্র, দুর্গা প্রসন্নর জ্ঞানেন্দ্র। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিদ্ধকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৮৮২) জমিদার জগৎপ্রসন্ন রায় চৌধুরী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখনো স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস (১ম খন্ড)। ভাস্কর প্রকাশনী, ঢাকা। ২০১০। ২। উইকিপিডিয়া&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3582</id>
		<title>মুগা খান মসজিদ, চরামদ্দি, বাকেরগঞ্জ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3582"/>
				<updated>2023-06-25T03:48:05Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মুগা খান মসজিদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত একটি সুদৃশ্য ঐতিহাসিক মসজিদ। এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার সাথে বরিশালের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইসমাইল চৌধুরীর পরিবারের আদি পুরুষ মুগা খানের নামটি সম্পৃক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Muga Khan Mosque Resized.jpg]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুগন্ধিয়ার সর্দারদের পূর্ব পুরুষ শ্রাবণ ঠাকুরের পুত্র মুসলমান হয়ে আহম্মদ নাম ধারণ করেন এবং তাঁর কর্তৃক পত্তন গড়া এই গ্রামের নাম হয় চর আহম্মদিয়া, যা বিকৃত হয়ে পরবর্তীতে চরামদ্দি নামের উদ্ভব হয়েছে। তার অধস্তন কারো নিকট থেকে এই তালুক ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান নামে দুই ভাই ক্রয় করে নেন। তাদের নাম কোথাও ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান লিখিত আছে, আবার কোথাও আগা খান ও মুগা খান লিখিত আছে। ইঙ্গা ও মুঙ্গা যে দুটি উচ্চারণ-বিকৃত নাম তা সহজেই অনুমেয়, কেননা মুসলমান নাম হিসেবে আরবি বা ফারসি ভাষার কোনো শব্দ এর সাযুজ্য বহন করে না। তাই বর্তমানে মুগা খান নামটিই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
মুগা খানের পরিবার আদিতে উড়িষ্যার কটক থেকে আগত হলেও তারা দুই ভাই চরামদ্দিতে তালুক ক্রয়ের আগে ফরিদপুরে রবিপুর নামক স্থানে বসবাস করছিলেন। পরে তারা ঝালকাঠিতে ব্যবসা উপলক্ষ্যে স্থিত হওয়ার পরে চরামদ্দিতে তালুক ক্রয় করেন। এই তালুক ক্রয়ের পরে তাদের বিত্তবিভবের উন্নতি হতে থাকে। মুগা খানের পুত্র আবদুর রশিদ খান ও পৌত্র আরমান খানের হাতে এই জমিদারির আরো প্রসার ঘটে। আরমান খান তাঁর পিতামহ মুগা খানের নামে ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। মসজিদের দেয়াল তিন ফুট পরিমাণ পুরু। পূর্ব পাশে তিনটি দরজা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটির মাঝের গম্বুজটি অপেক্ষাকৃত বৃহৎ। মেঝ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। মসজিদের ঠিক ওপরে একই সারিতে অবস্থিত। মূল মসজিদটি আয়তাকার। উত্তর দক্ষিণে এর দৈর্ঘ্য ৩৬ ফুট, পূর্ব পশ্চিমে প্রস্থ ১৮ ফুট। ইট, চুন, সুরকি দিয়ে এটি নির্মিত। মসজিদের পূর্বদিক দিয়ে ৩টি খিলান প্রবেশ পথ আছে। দরজার উপরিভাগ অলঙ্কৃত। এর উচ্চতা ৬ ফুট, চওড়া ৩ ফুট। উত্তর ও দক্ষিণ দিকে দু'টি জানালা আছে। আলো বাতাস প্রবেশের জন্যই এরূপ ব্যবস্থা। জানালার উপর-নিচের দৈর্ঘ্য সাড়ে ৪ ফুট এবং চওড়া ৪ ফুট। পশ্চিম দেয়ালে একটি মিহরাব। এর উপরিভাগ ফুল পাতার নকশায় আচ্ছাদিত। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় অলঙ্করণের ছাপ রয়েছে। মসজিদটির প্রধান আকর্ষণ ভিতরের চার দেয়ালের মাঝবরাবর এক ফুট চওড়া বেড় দিয়ে তার ভিতর কুরআনের আয়াত লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সূরা ফাতিহা, ইখলাস, আর রহমান প্রভৃতি সুন্দরভাবে লিখিত। এ মনোমুগ্ধকর শিল্পকর্মটি মসজিদের অভ্যন্তরকে নান্দনিক ও চিত্তাকর্ষক করে তুলেছে। শিল্পীর এ নিপুণ কলাকৌশল যে কোন দর্শককে মুগ্ধ করে। সেই আমলের একটি রেকাবিও মসজিদের ভিতরে সংরক্ষিত আছে। রেকাবির মধ্যাংশে ক্যালিওগ্রাফি স্টাইলে সূরা ইখলাস লিখিত। মসজিদের পূর্ব ও পশ্চিমপাশের দেয়ালের ওপরে রয়েছে ৪টি করে ৮টি মিনার। গম্বুজ ও মিনারের শিরোভাগে একটি করে পিতলের কলস সংযুক্তি ছিল। কিন্তু বর্তমানে মাত্র ৪টি কলস লক্ষ্য করা যায়। ৫টি চুরি হয়ে গেছে, ২টি ঢিলে হয়ে যাওয়ায় খুলে রাখা হয়েছে। কলসগুলোতে এক সময় স্বর্ণের প্রলেপ ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু কালের স্রোতে তা মুছে গেছে। ২০০১ সালে মসজিদ সংলগ্ন ক্বেরাতুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসা স্থাপিত হয়। মাদরাসার বর্তমান ছাত্রসংখ্যা ৪৫। কয়েকবছর আগে পূর্ব, উত্তর, দক্ষিণদিকে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারণে করা হয় এবং মূল মসজিদের সংস্কার করা হয়। সংস্করণের ফলে প্রাচীন চিহ্ন কিছুটা লোপ পেয়েছে। মসজিদের মূল অংশসহ বর্তমান আয়তন দাঁড়িয়েছে ৪৯৪০ বর্গফুট। মসজিদের চার শতাধিক মানুষ একই সাথে সালাত আদায় করতে পারে। তবে প্রধান অংশে দুই সারিতে ৫০ জনের মত মুসুল্লি একত্রে দাঁড়াতে পারে। মসজিদের উত্তর-পূর্ব পাশেই রয়েছে দ্বিতল একটি ছোট ভবন। ইমাম, মোয়াজ্জেনের থাকার জন্য। মসজিদের দক্ষিণ পাশে গোরস্তান। এখানে শায়িত আছেন মুগা খান, দক্ষিণ বাংলার বিখ্যাত দরবেশ ইয়াকীন শাহ, দানবীর হাজী আছমত আলী খানসহ অনেকে। মসজিদের পূর্ব ফটক বরাবর আঙিনা। এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আঙিনার পূর্ব দিকেই পুকুর। শান বাঁধানো ঘাট রয়েছে পুকুরে। পুকুরটি মুগা খানের সময়ে খননকৃত। সবচেয়ে আজ ব্যাপার হলো পুকুরের তলদেশও তখন পাকা করা হয়েছিল। এর কারণ সম্পর্কে সঠিক কিছু জানা যায়নি। তবে বর্তমানে পুকুরের নিম্নভাগের পাকা ফ্লোরের ওপর কাদামাটির আস্তরণ পড়েছে। তাই পাকা অংশ দেখতে হলে কর্দমাক্ত মাটি উঠিয়ে আরো গভীরে যেতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরমান খানের পুত্র আসমত আলী খানের সময় থেকে এই পরিবার বরিশালে বসবাস শুরু করায় তাঁরা এ অঞ্চলে আর কোনো স্থাপনা বা উন্নয়ন কাজে উদ্যোগী হওয়া থেকে বিরত থাকায় এর পর থেকে এই পরিবারের এ জাতীয় উদ্যোগের বাস্তবায়ন ঘটেছে বেশিরভাগ বরিশাল শহরে। তবে ১৯২৪ সালে আসমত আলী খানের স্ত্রী ওয়াজেদুন্নেসার নামে এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। আর অধুনা ১৯৯২ সালে চৌধুরীদের ছেড়ে যাওয়া বাড়িতে ফখরুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শোনা গেছে ফখরুন্নেসা ছিলেন ইসমাইল চৌধুরীর বোন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুগা খান মসজিদটির সম্প্রসারণ এবং সংস্কারও হয়েছে অতি সম্প্রতি। ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এর সম্প্রসারণ ও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। সাথে একটি হেফজ মাদ্রাসা ও একটি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দিন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস। প্রথম খন্ড। ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০। ২। স্থানীয় মুরুব্বিদের সাক্ষাৎকার।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0:Muga_Khan_Mosque_Resized.jpg&amp;diff=3581</id>
		<title>চিত্র:Muga Khan Mosque Resized.jpg</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0:Muga_Khan_Mosque_Resized.jpg&amp;diff=3581"/>
				<updated>2023-06-24T16:03:22Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3580</id>
		<title>মুগা খান মসজিদ, চরামদ্দি, বাকেরগঞ্জ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3580"/>
				<updated>2023-06-24T15:59:08Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মুগা খান মসজিদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত একটি সুদৃশ্য ঐতিহাসিক মসজিদ। এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার সাথে বরিশালের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইসমাইল চৌধুরীর পরিবারের আদি পুরুষ মুগা খানের নামটি সম্পৃক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Muga Khan Mosque Resized.jpg]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুগন্ধিয়ার সর্দারদের পূর্ব পুরুষ শ্রাবণ ঠাকুরের পুত্র মুসলমান হয়ে আহম্মদ নাম ধারণ করেন এবং তাঁর কর্তৃক পত্তন গড়া এই গ্রামের নাম হয় চর আহম্মদিয়া, যা বিকৃত হয়ে পরবর্তীতে চরামদ্দি নামের উদ্ভব হয়েছে। তার অধস্তন কারো নিকট থেকে এই তালুক ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান নামে দুই ভাই ক্রয় করে নেন। তাদের নাম কোথাও ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান লিখিত আছে, আবার কোথাও আগা খান ও মুগা খান লিখিত আছে। ইঙ্গা ও মুঙ্গা যে দুটি উচ্চারণ-বিকৃত নাম তা সহজেই অনুমেয়, কেননা মুসলমান নাম হিসেবে আরবি বা ফারসি ভাষার কোনো শব্দ এর সাযুজ্য বহন করে না। তাই বর্তমানে মুগা খান নামটিই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
মুগা খানের পরিবার আদিতে উড়িষ্যার কটক থেকে আগত হলেও তারা দুই ভাই চরামদ্দিতে তালুক ক্রয়ের আগে ফরিদপুরে রবিপুর নামক স্থানে বসবাস করছিলেন। পরে তারা ঝালকাঠিতে ব্যবসা উপলক্ষ্যে স্থিত হওয়ার পরে চরামদ্দিতে তালুক ক্রয় করেন। এই তালুক ক্রয়ের পরে তাদের বিত্তবিভবের উন্নতি হতে থাকে। মুগা খানের পুত্র আবদুর রশিদ খান ও পৌত্র আরমান খানের হাতে এই জমিদারির আরো প্রসার ঘটে। আরমান খান তাঁর পিতামহ মুগা খানের নামে ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। চার কোণে চারটি মিনার সদৃশ স্বল্প উচ্চতার স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের দেয়াল চার ফুট পরিমাণ পুরু। পূর্ব পাশে তিনটি দরজা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরমান খানের পুত্র আসমত আলী খানের সময় থেকে এই পরিবার বরিশালে বসবাস শুরু করায় তাঁরা এ অঞ্চলে আর কোনো স্থাপনা বা উন্নয়ন কাজে উদ্যোগী হওয়া থেকে বিরত থাকায় এর পর থেকে এই পরিবারের এ জাতীয় উদ্যোগের বাস্তবায়ন ঘটেছে বেশিরভাগ বরিশাল শহরে। তবে ১৯২৪ সালে আসমত আলী খানের স্ত্রী ওয়াজেদুন্নেসার নামে এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। আর অধুনা ১৯৯২ সালে চৌধুরীদের ছেড়ে যাওয়া বাড়িতে ফখরুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শোনা গেছে ফখরুন্নেসা ছিলেন ইসমাইল চৌধুরীর বোন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুগা খান মসজিদটির সম্প্রসারণ এবং সংস্কারও হয়েছে অতি সম্প্রতি। ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এর সম্প্রসারণ ও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। সাথে একটি হেফজ মাদ্রাসা ও একটি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দিন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস। প্রথম খন্ড। ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০। ২। স্থানীয় মুরুব্বিদের সাক্ষাৎকার।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3579</id>
		<title>মুগা খান মসজিদ, চরামদ্দি, বাকেরগঞ্জ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3579"/>
				<updated>2023-06-24T15:50:14Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মুগা খান মসজিদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত একটি সুদৃশ্য ঐতিহাসিক মসজিদ। এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার সাথে বরিশালের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইসমাইল চৌধুরীর পরিবারের আদি পুরুষ মুগা খানের নামটি সম্পৃক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Muga Khan Mosque.jpg]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুগন্ধিয়ার সর্দারদের পূর্ব পুরুষ শ্রাবণ ঠাকুরের পুত্র মুসলমান হয়ে আহম্মদ নাম ধারণ করেন এবং তাঁর কর্তৃক পত্তন গড়া এই গ্রামের নাম হয় চর আহম্মদিয়া, যা বিকৃত হয়ে পরবর্তীতে চরামদ্দি নামের উদ্ভব হয়েছে। তার অধস্তন কারো নিকট থেকে এই তালুক ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান নামে দুই ভাই ক্রয় করে নেন। তাদের নাম কোথাও ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান লিখিত আছে, আবার কোথাও আগা খান ও মুগা খান লিখিত আছে। ইঙ্গা ও মুঙ্গা যে দুটি উচ্চারণ-বিকৃত নাম তা সহজেই অনুমেয়, কেননা মুসলমান নাম হিসেবে আরবি বা ফারসি ভাষার কোনো শব্দ এর সাযুজ্য বহন করে না। তাই বর্তমানে মুগা খান নামটিই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
মুগা খানের পরিবার আদিতে উড়িষ্যার কটক থেকে আগত হলেও তারা দুই ভাই চরামদ্দিতে তালুক ক্রয়ের আগে ফরিদপুরে রবিপুর নামক স্থানে বসবাস করছিলেন। পরে তারা ঝালকাঠিতে ব্যবসা উপলক্ষ্যে স্থিত হওয়ার পরে চরামদ্দিতে তালুক ক্রয় করেন। এই তালুক ক্রয়ের পরে তাদের বিত্তবিভবের উন্নতি হতে থাকে। মুগা খানের পুত্র আবদুর রশিদ খান ও পৌত্র আরমান খানের হাতে এই জমিদারির আরো প্রসার ঘটে। আরমান খান তাঁর পিতামহ মুগা খানের নামে ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। চার কোণে চারটি মিনার সদৃশ স্বল্প উচ্চতার স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের দেয়াল চার ফুট পরিমাণ পুরু। পূর্ব পাশে তিনটি দরজা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরমান খানের পুত্র আসমত আলী খানের সময় থেকে এই পরিবার বরিশালে বসবাস শুরু করায় তাঁরা এ অঞ্চলে আর কোনো স্থাপনা বা উন্নয়ন কাজে উদ্যোগী হওয়া থেকে বিরত থাকায় এর পর থেকে এই পরিবারের এ জাতীয় উদ্যোগের বাস্তবায়ন ঘটেছে বেশিরভাগ বরিশাল শহরে। তবে ১৯২৪ সালে আসমত আলী খানের স্ত্রী ওয়াজেদুন্নেসার নামে এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। আর অধুনা ১৯৯২ সালে চৌধুরীদের ছেড়ে যাওয়া বাড়িতে ফখরুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শোনা গেছে ফখরুন্নেসা ছিলেন ইসমাইল চৌধুরীর বোন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুগা খান মসজিদটির সম্প্রসারণ এবং সংস্কারও হয়েছে অতি সম্প্রতি। ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এর সম্প্রসারণ ও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। সাথে একটি হেফজ মাদ্রাসা ও একটি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দিন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস। প্রথম খন্ড। ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০। ২। স্থানীয় মুরুব্বিদের সাক্ষাৎকার।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3577</id>
		<title>মুগা খান মসজিদ, চরামদ্দি, বাকেরগঞ্জ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3577"/>
				<updated>2023-06-24T15:47:14Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মুগা খান মসজিদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত একটি সুদৃশ্য ঐতিহাসিক মসজিদ। এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার সাথে বরিশালের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইসমাইল চৌধুরীর পরিবারের আদি পুরুষ মুগা খানের নামটি সম্পৃক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুগন্ধিয়ার সর্দারদের পূর্ব পুরুষ শ্রাবণ ঠাকুরের পুত্র মুসলমান হয়ে আহম্মদ নাম ধারণ করেন এবং তাঁর কর্তৃক পত্তন গড়া এই গ্রামের নাম হয় চর আহম্মদিয়া, যা বিকৃত হয়ে পরবর্তীতে চরামদ্দি নামের উদ্ভব হয়েছে। তার অধস্তন কারো নিকট থেকে এই তালুক ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান নামে দুই ভাই ক্রয় করে নেন। তাদের নাম কোথাও ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান লিখিত আছে, আবার কোথাও আগা খান ও মুগা খান লিখিত আছে। ইঙ্গা ও মুঙ্গা যে দুটি উচ্চারণ-বিকৃত নাম তা সহজেই অনুমেয়, কেননা মুসলমান নাম হিসেবে আরবি বা ফারসি ভাষার কোনো শব্দ এর সাযুজ্য বহন করে না। তাই বর্তমানে মুগা খান নামটিই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
মুগা খানের পরিবার আদিতে উড়িষ্যার কটক থেকে আগত হলেও তারা দুই ভাই চরামদ্দিতে তালুক ক্রয়ের আগে ফরিদপুরে রবিপুর নামক স্থানে বসবাস করছিলেন। পরে তারা ঝালকাঠিতে ব্যবসা উপলক্ষ্যে স্থিত হওয়ার পরে চরামদ্দিতে তালুক ক্রয় করেন। এই তালুক ক্রয়ের পরে তাদের বিত্তবিভবের উন্নতি হতে থাকে। মুগা খানের পুত্র আবদুর রশিদ খান ও পৌত্র আরমান খানের হাতে এই জমিদারির আরো প্রসার ঘটে। আরমান খান তাঁর পিতামহ মুগা খানের নামে ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। চার কোণে চারটি মিনার সদৃশ স্বল্প উচ্চতার স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের দেয়াল চার ফুট পরিমাণ পুরু। পূর্ব পাশে তিনটি দরজা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরমান খানের পুত্র আসমত আলী খানের সময় থেকে এই পরিবার বরিশালে বসবাস শুরু করায় তাঁরা এ অঞ্চলে আর কোনো স্থাপনা বা উন্নয়ন কাজে উদ্যোগী হওয়া থেকে বিরত থাকায় এর পর থেকে এই পরিবারের এ জাতীয় উদ্যোগের বাস্তবায়ন ঘটেছে বেশিরভাগ বরিশাল শহরে। তবে ১৯২৪ সালে আসমত আলী খানের স্ত্রী ওয়াজেদুন্নেসার নামে এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। আর অধুনা ১৯৯২ সালে চৌধুরীদের ছেড়ে যাওয়া বাড়িতে ফখরুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শোনা গেছে ফখরুন্নেসা ছিলেন ইসমাইল চৌধুরীর বোন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুগা খান মসজিদটির সম্প্রসারণ এবং সংস্কারও হয়েছে অতি সম্প্রতি। ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এর সম্প্রসারণ ও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। সাথে একটি হেফজ মাদ্রাসা ও একটি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দিন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস। প্রথম খন্ড। ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০। ২। স্থানীয় মুরুব্বিদের সাক্ষাৎকার।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3576</id>
		<title>মুগা খান মসজিদ, চরামদ্দি, বাকেরগঞ্জ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%BE_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF,_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C&amp;diff=3576"/>
				<updated>2023-06-24T15:41:34Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;মুগা খান মসজিদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থি...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মুগা খান মসজিদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি গ্রামে অবস্থিত একটি সুদৃশ্য ঐতিহাসিক মসজিদ। এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার সাথে বরিশালের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইসমাইল চৌধুরীর পরিবারের আদি পুরুষ মুগা খানের নামটি সম্পৃক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুগন্ধিয়ার সর্দারদের পূর্ব পুরুষ শ্রাবণ ঠাকুরের পুত্র মুসলমান হয়ে আহম্মদ নাম ধারণ করেন এবং তাঁর কর্তৃক পত্তন গড়া এই গ্রামের নাম হয় চর আহম্মদিয়া, যা বিকৃত হয়ে পরবর্তীতে চরামদ্দি নামের উদ্ভব হয়েছে। তার অধস্তন কারো নিকট থেকে এই তালুক ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান নামে দুই ভাই ক্রয় করে নেন। তাদের নাম কোথাও ইঙ্গা খান ও মুঙ্গা খান লিখিত আছে, আবার কোথাও আগা খান ও মুগা খান লিখিত আছে। ইঙ্গা ও মুঙ্গা যে দুটি উচ্চারণ-বিকৃত নাম তা সহজেই অনুমেয়, কেননা মুসলমান নাম হিসেবে আরবি বা ফারসি ভাষার কোনো শব্দ এর সাযুজ্য বহন করে না। তাই বর্তমানে মুগা খান নামটিই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
মুগা খানের পরিবার আদিতে উড়িষ্যার কটক থেকে আগত হলেও তারা দুই ভাই চরামদ্দিতে তালুক ক্রয়ের আগে ফরিদপুরে রবিপুর নামক স্থানে বসবাস করছিলেন। পরে তারা ঝালকাঠিতে ব্যবসা উপলক্ষ্যে স্থিত হওয়ার পরে চরামদ্দিতে তালুক ক্রয় করেন। এই তালুক ক্রয়ের পরে তাদের বিত্তবিভবের উন্নতি হতে থাকে। মুগা খানের পুত্র আবদুর রশিদ খান ও পৌত্র আরমান খানের হাতে এই জমিদারির আরো প্রসার ঘটে। আরমান খান তাঁর পিতামহ মুগা খানের নামে ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। চার কোণে চারটি মিনার সদৃশ স্বল্প উচ্চতার স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের দেয়াল চার ফুট পরিমাণ পুরু। পূর্ব পাশে তিনটি দরজা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরমান খানের পুত্র আসমত আলী খানের সময় থেকে এই পরিবার বরিশালে বসবাস শুরু করায় তাঁরা এ অঞ্চলে আর কোনো স্থাপনা বা উন্নয়ন কাজে উদ্যোগী হওয়া থেকে বিরত থাকায় এর পর থেকে এই পরিবারের এ জাতীয় উদ্যোগের বাস্তবায়ন ঘটেছে বেশিরভাগ বরিশাল শহরে। তবে ১৯২৪ সালে আসমত আলী খানের স্ত্রী ওয়াজেদুন্নেসার নামে এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। আর অধুনা ১৯৯২ সালে চৌধুরীদের ছেড়ে যাওয়া বাড়িতে ফখরুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শোনা গেছে ফখরুন্নেসা ছিলেন ইসমাইল চৌধুরীর বোন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুগা খান মসজিদটির সম্প্রসারণ এবং সংস্কারও হয়েছে অতি সম্প্রতি। ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এর সম্প্রসারণ ও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। সাথে একটি হেফজ মাদ্রাসা ও একটি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দিন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস। প্রথম খন্ড। ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০। ২। স্থানীয় মুরুব্বিদের সাক্ষাৎকার।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE&amp;diff=3575</id>
		<title>ম</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE&amp;diff=3575"/>
				<updated>2023-06-24T15:39:55Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[মকসুদুল্লাহ (রহ.), তালগাছিয়ার পীরসাহেব]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মগের আন্ধি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মজিবর রহমান বীরবিক্রম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মঠবাড়িয়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মঠবাড়িয়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মঠবাড়িয়া কুঠিবাড়ি, পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মতিউর রহমান, যোগাযোগমন্ত্রী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মণিকুন্তলা সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মণীন্দ্রকুমার ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মণ্ডলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মদন মোহন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মদনমোহন মন্দির, চকবাজার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনপুরা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনিরুজ্জামান রাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনীন্দ্রকুমার ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনীন্দ্রনাথ রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনীন্দ্রনাথ সমাজদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোজ কাহালী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন সিকদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন গুহঠাকুরতা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন বড়াল]]&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
[[মনোরমা বসু মাসীমা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোহর মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মফিজ উদ্দিন আহম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মমিন মসজিদ, মঠবাড়িয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মল্লিকপুর মসজিদ, নলছিটি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মসজিদবাড়ির মসজিদ, মির্জাগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মসিহুর রহমান, মহম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহাত্মা গান্ধী ও মাওলানা মুহাম্মদ আলীর বরিশালে আগমন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহানামব্রত ব্রহ্মচারী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহামায়া মন্দির, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহিউদ্দিন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহেন্দ্রনাথ দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহেন্দ্র নারায়ণ রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহেন্দ্রলাল বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাখন রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাতৃবক্ষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাদারকাঠির শিব মন্দির, বানারীপাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধবকর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধব দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধবপাশা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধবপাশা রাজবাড়ি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানপাশা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানিক বাহিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানিক সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহমুদ ইদ্রাক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহমুদ জামে আকন্দ মসজিদ/ মামুজামা মসজিদ, গালুয়া, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহমুদিয়া মাদ্রাসা, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহিলারা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহিলারা মঠ, গৌরনদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহের উদ্দীন ফকির (রঃ), হযরত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিয়াবাড়ি মসজিদ ও স্মৃতিসৌধ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিয়াবাড়ি মসজিদ, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মির্যাজান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মির্জাগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মির্জাগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিশ্রি পাড়া বৌদ্ধ মন্দির, খেপুপাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিহির সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীননাথ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীর ফজলে আলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীর মাশায়েখ শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীর মাশায়েখ শাহ (রঃ)-এর মাজার, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুআযযামুদ্দীন সাঈদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুকুন্দ দাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুকুল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধকালে বরিশালে অবস্থানরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে পটুয়াখালী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে বরিশাল (তৎকালীন বরিশাল মহকুমা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুগা খান মসজিদ, চরামদ্দি, বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুনএম, এম. এ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুন্সি আমিরুল্লার মসজিদ, দশমিনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুন্সী মুহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুলাদী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুলাদী উপজেলার শহীদ মুক্তযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুসলিম লীগ, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ আবদুল খালেক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ এমদাদ আলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ নফিজর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ ফাজেল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ ইব্রাহিম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ হোসেন চৌধুরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ হোসেন (রঃ), নৈকাঠির হুজুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মৃণালকুমার দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেজর এম এ জলিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেদাকুল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেদী আলী ইমাম বীরবিক্রম, মেজর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দীগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দিগঞ্জের মসজিদ, বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেরুন্নেছা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মৈত্রেয়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোখলেছুর রহমান, ডা.]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোগল আমলে প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোগলদের বিরুদ্ধে চন্দ্রদ্বীপের স্বাধীনতা যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোজাম্মেল হক,  মোহাম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোতাহার উদ্দিন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোতাহার হোসেন, সৈয়দ নবাবজাদা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোফাজ্জল হক, এডভোকেট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোয়াজ্জেম হোসেন, লে. কমান্ডার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোয়াজ্জেম হোসেন (রহ.), হদুয়ার পীরসাহেব]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোস্তফা কামাল, বীরশ্রেষ্ঠ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহন মিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহন মুরালী বাদশার কেচ্ছা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ কামরুল হাসান সেলিম, লে., বীরপ্রতীক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ কাসেম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ তক্কী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ বাকেরের মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ হায়াত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহিত চট্টোপাধ্যায়]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3574</id>
		<title>মিহির সেনগুপ্ত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3574"/>
				<updated>2023-05-12T15:46:58Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মিহির সেনগুপ্ত বিভাগোত্তর বাংলার দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক। বৃহত্তর বরিশাল তথা চন্দ্রদ্বীপের জীবন ও সমাজকে তুলে ধরে এবং চান্দ্রদ্বীপি ভাষার তেজকে কাজকে লাগিয়ে যে মুষ্টিমেয় কয়েকজন কথাসাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন মিহির সেনগুপ্ত। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:মিহির সেন.jpg]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ও পিতৃপরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহত্তর বরিশালের অর্থে দক্ষিণবঙ্গের জীবন ও সমাজের অকৃত্রিম দরদী এই লেখকের জন্ম হয়েছিল এই দক্ষিণবঙ্গেই বর্তমান ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন কেওড়া গ্রামে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে। এতদঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষের দাপ্তরিকভাবে প্রতিষ্ঠিত জন্মতারিখের মতো এ তারিখটিও স্কুলে ভর্তি বা ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রয়োজনে তৈরিকৃত একটি জন্মতারিখ। মিহির সেনগুপ্তের জন্ম মূলত আরো দুয়েক বছর পূর্বের কোনো তারিখে হয়েছিল বলে অনুমিত হয়। &lt;br /&gt;
কেওড়ায় তাঁদের পূর্বপুরুষ ছিলেন সম্পন্ন ভূস্বামী। উত্তরাধিকারসূত্রেই বাবা সুধীর কুমার সেনগুপ্তের জমিদারি ছিল। মায়ের নাম লাবণ্য সেনগুপ্ত। বাবার প্রথম স্ত্রী গত হলে দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এই লাবণ্য সেনগুপ্ত। দুই মায়ের উদরজাত তাঁরা ছিলেন মোট তের ভাইবোন। আট ভাই: সুকুমার সেনগুপ্ত, দেবকুমার সেনগুপ্ত, পারিজাত সেনগুপ্ত, দিলীপ সেনগুপ্ত, অভিজিৎ সেন, মিহির সেনগুপ্ত, সমীর সেনগুপ্ত ও অশোক সেনগুপ্ত।  তাঁদের মধ্যে দুজনই বাংলা সাহিত্যের দুই মহীয়ান লেখক- অভিজিৎ সেন ও মিহির সেনগুপ্ত। পাঁচ বোন: অপর্ণা রায়, কৃষ্ণা ভট্টাচার্য, মিলি সেনগুপ্ত, রিনা সেনগুপ্ত ও সমাপ্তি ঘোষ। ভাইদের মধ্যে এখন তিনজন মাত্র জীবিত আছেন: পারিজাত সেনগুপ্ত, অভিজিৎ সেন ও সমীর সেনগুপ্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শিক্ষাজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্ত ১৯৬১ সালে পাশের কীর্তিপাশা গ্রামের প্রসন্নকুমার উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে সরকারি বৃত্তিসহ ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী জীবনে তাঁর সহধর্মিনী হয়ে আসা সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তও একই বছরে একই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। এরপর মিহির সেনগুপ্ত বিএম কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসিতে ভর্তি হন। এইচএসসি পার্ট-২ সম্পন্ন না করেই তাঁকে জীবনের স্থায়ী নিবাসের লক্ষ্যে পাড়ি জমাতে হয় পশ্চিমবঙ্গে ইতোমধ্যে যেখানে তাঁর ভাইবোনদের অনেকেই স্থায়ী হয়েছিলেন। তবে সেই প্রবাস এক্তিয়ার করা মোটেই তাঁর জীবনের কোনো সুখকর অভিজ্ঞতার অংশ ছিল না। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বিষাদবৃক্ষ’ এ সময়কার বেদনাবিধুর জীবন-অধ্যায়ের এক অসামান্য দলিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোলকাতায় তাঁকে ১৯৬৪ সালে আবার ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করতে হয় প্রাইভেট পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গে তাঁর অভিবাসন যথাপ্রক্রিয়ায় না হওয়ার কারণে পূর্বপাকিস্তানের শিক্ষাসনদ তিনি ব্যবহার করতে পারছিলেন না। এবারও পশ্চিমবঙ্গে তিনি ম্যাট্রিকুলেশনে প্রথম বিভাগেই উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৫ সালে প্রি-ইউনিভার্সিটি শ্রেণিতে সারা পশ্চিমবঙ্গে তিনি নবম স্থান অধিকার করেন। ১৯৬৬ সালে সরকারি বারাসাত কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স কোর্সে ভর্তি হন। ১৯৬৬ সালেই ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় চাকুরি লাভ করায় নৈশকালীন কোর্সে অনার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করতে কোলকাতা সিটি নাইট কলেজে ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে ইংরেজিতে বিএ অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকুরিতে পরবর্তীতে তাঁর পদায়ন হয় তৎকালীন দক্ষিণ বিহার তথা বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদ জেলায়। ধানবাদ জেলায় তিনি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে কাটিয়েছেন। ধানবাদের তোপচাঁচিতে তিনি অনেক দিন চাকুরিসূত্রে বসবাস করেছেন। তাঁর প্রথম দিকের গ্রন্থ ‘টার পাহাড়ের পদাবলী’, ‘মধ্যদিনের গান’, ’ঝিঙাফুলের কলি’ ইত্যাদি তাঁর ঝাড়খণ্ডের জীবনকালেই রচিত হয়েছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্ত ১৯৭২ সালের ৬ মার্চ তারিখে তাঁর একদা স্কুল-সহপাঠী সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তের সাথে পরিণয়বদ্ধ হন। সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে বরিশাল মহিলা কলেজে ১৯৬৮ সালের আগস্ট মাসে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং এ কারণে তাঁদের পরিবারের ওপর থেকে বয়ে যাওয়া ঝড়ঝাপটার পরে উদ্ভূত ট্রমা থেকে উপশম ও পরিত্রাণের আশায় তিনি স্বাধীনতার পরপর কিছুদিনের জন্য ভারত গমন করেন। সেখানে ফেব্রুয়ারি মাসে মিহির সেনগুপ্তের সাথে প্রথমে তাঁর আইন মোতাবেক রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়। পরে বাংলাদেশে ফিরে মার্চের ৬ তারিখ ধর্মীয় বিধিবিধান মোতাবেক পূর্ণাঙ্গ বিয়ে সম্পন্ন হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিয়ের পরে তাঁরা প্রথমে হুগলির ভদ্রেশ্বরে তাঁদের সদ্য নির্মিত বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। ভদ্রেশ্বর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে পোলবা গার্লস হাইস্কুলে সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ১৯৭৩ সালে। কর্মজীবনের শেষদিকে তিনি ভদ্রেশ্বর ধর্মতলা গার্লস হাইস্কুলের হেডমিস্ট্রেস ছিলেন। ১৯৭৫ সালে তাঁদের প্রথম সন্তান কস্তুরী দাশগুপ্তের জন্ম হয়। কস্তুরী দাশগুপ্তের ডাকনাম তানিয়া। দ্বিতীয় এবং শেষ সন্তান বৈদেহী সেনগুপ্তের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালে। বৈদেহী সেনগুপ্তের ডাকনাম তিতির। দুই সন্তান নিয়ে সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত ১৯৭৯ সালে স্কুল থেকে বিনা বেতনে ছুটি নিয়ে মিহির সেনগুপ্তের কর্মস্থল ধানবাদে গমন করেন এবং সেখানে দুই বছর কাটিয়ে ১৯৮২ সালে আবার কোলকাতায় ফিরে আসেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সাহিত্যিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের লেখালেখি তাঁর ধানবাদের কর্মস্থল থেকে শুরু হলেও তা প্রকাশের আয়োজন অনেক দেরিতে কোলকাতার জীবনেই শুরু হয়েছে। এই শুরুর সাথে দক্ষিণবঙ্গের পণ্ডিতকুলশিরোমণি তপন রায়চৌধুরীর একটি নাটকীয় ঘটনা জড়িয়ে আছে। ১৯৯২ সালে ‘দেশ’ পত্রিকার শারদীয় সংখ্যায় তপন রায়চৌধুরীর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘রোমন্থন’- এর সিংহভাগ প্রকাশিত হয়। ছেলেবেলার জীবনভূমি কীর্তিপাশাকে সে গ্রন্থে নায়কের ভূমিকায় আবিষ্কার করে উল্লসিত মিহির সেনগুপ্ত লেখক তপন রায়চৌধুরীকে ৭৪ পৃষ্ঠার দীর্ঘ এক পত্র লেখেন। ১৯৯৪ সালে সেই পত্র ‘নাইয়া’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সে পত্র তপন রায়চৌধুরীকে এতখানি আমোদিত করে যে তিনি রোমন্থণের পরবর্তী সংস্করণে ঐ পূর্ণাঙ্গ পত্রখানিও জুড়ে দেন। শুধু তপন রায়চৌধুরী নয়, সে পত্রে আমোদিত হয়েছিল গোটা বাঙালি পাঠক, যখন ১৯৯৬ সালে সেই পত্র ‘ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি’ নামে এক স্বতন্ত্র গ্রন্থ রূপে আবির্ভূত হয়। সত্যিকার অর্থে লেখক মিহির সেনগুপ্তের ব্যাপক পাঠকগ্রাহিতা ‘ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি’ নামক এই পুস্তকের হাত ধরেই। ‘টাঁর পাহাড়ের পদাবলি, ‘মধ্যদিনের গান, ’ঝিঙাফুলের কলি’ ইত্যাদি গ্রন্থ তিনি অনেক আগে লিখে থাকলেও এগুলোসহ তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ সবই ১৯৯৬ সালের পরেই প্রকাশিত হতে শুরু করে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের গ্রন্থসমূহের একটি মোটামুটি তালিকা নিম্নরূপ। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি; প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ১৯৯৬; প্রকাশক: নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা। এটি প্রথমে প্রকাশিত হয়েছিল ‘নাইয়া’ পত্রিকায় ১৪০০ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৯৯৪ খৃস্টাব্দে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২। সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম; এটিরও প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে; প্রকাশক:  নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা । এটি সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে সুপ্রকাশ প্রকাশনী কর্তৃক ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩। বিদুর; প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬ সালে নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা কর্তৃক।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৪। বিষাদবৃক্ষ মিহির সেনগুপ্তের সবচেয়ে পাঠকনন্দিত গ্রন্থ।	২০০৩ সালে কোলকাতার প্রকাশনী সুবর্ণরেখা এটি প্রথম প্রকাশ করে। এরপর আনন্দ পাবলিশার্সসহ একাধিক প্রকাশনী থেকে এটি মুদ্রিত হয়। হেমলতা কর্তৃক অনূদিত এর একটি হিন্দি অনুবাদ পেঙ্গুইন থেকেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৫। চান্দ্রদ্বীপি শোলোক শাস্তর পলকি কথা; 	প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০০৬। এটি তখন উজানি খালের সোঁতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত রূপে আনন্দ পাবলিশার্স, কোলকাতা কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তবে এর পূর্বে ‘কারুকথা এই সময়’ পত্রিকায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল  নভেম্বর ২০০৩ - জানুয়ারি ২০০৪ সংখ্যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬। ভাটিপুত্রের অপবর্গ দর্শন; এটিও উজানি খালের সোঁতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত রূপে আনন্দ পাবলিশার্স কর্তৃক প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এর পূর্বে অবভাস পত্রিকায় ডিসেম্বর ২০০৪ সংখ্যায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭। টাঁড় পাহাড়ের পদাবলি প্রথমে কম্পাস পত্রিকায় ১৯৯৭-২০০২ সময়কালে প্রকাশিত হয়। এরপর ২০০৮ সালে গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় গাঙচিল, কোলকাতা কর্তৃক। ২০২১ সালের জুলাই মাসে সুপ্রকাশ, কোলকাতা থেকে এটি পুনঃপ্রকাশিত হয়।	&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
৮। গোধূলি সন্ধ্যার রাখাল	 ; প্রথম প্রকাশ ২০০৭; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা। এটি আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয়তে এপ্রিল-মে, ২০০৫ সংখ্যায় ‘নামহারা’ নামে প্রকাশিত গল্পের পরিবর্ধিত রূপ। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৯। নিষ্পাদপ অরণ্যে;  ২০০৮;  প্রকাশক: দে’জ পাবলিশার্স, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১০। ধানসিদ্ধির পরনকথা ; ২০০৮; প্রকাশক:  দে’জ পাবলিশার্স, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১১। নীল সায়রের শালুক; ২০০৮; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১২। হেমন্ত শেষের পাখিরা; ২০০৯; জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা। এই গ্রন্থটিই বাংলাদেশের কাগজ প্রকাশনী থেকে ‘শরণার্থী ও মুক্তিযুদ্ধ’ নামে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৩। মধ্যদিনের গান; ২০১১; প্রকাশক:  নান্দনিক, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৪। দশটি গল্প 	গ্রন্থটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গল্পের সংকলন রূপে পরশপাথর প্রকাশন, কোলকাতা কর্তৃক প্রকাশিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৫। তুষিত স্বর্গের সন্ধান; নভেম্বর, ২০১১; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৬। চলার পথের চলনদার; জুলাই, ২০১২; প্রকাশক: মধ্যমা, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৭। সুবর্ণ উত্তরণ; ২০১৪; প্রকাশক: বোধি, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৮। যুদ্ধান্তে; ২০১৫; প্রকাশক: সাহিত্য সংসদ, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৯। সর্বশেষ জীবনানন্দের সেই নারী; ২০১৬; প্রকাশক: স্বস্তিক প্রকাশন, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২০। স্বপ্ন সুগন্ধা; ২০১৬;  প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২১। ভাটিপুত্রের সাধুসঙ্গ; ২০১৬;  প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২২। অন্তহীন ফিরে দেখা; ২০১৬;  প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৩। চান্দ্রদ্বীপি কাহিনি আলেখ্য; ডিসেম্বর, ২০১৬; আনন্দ পাবলিশার্স, কোলকাতা কর্তৃক ভাটিপুত্রের বরিশালি গদ্যসংগ্রহ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। আলেখ্যগুলো বিভিন্ন সময়ে ‘আনন্দবাজার’ রবিবাসরীয়, ‘আজকাল’ রবিবাসরীয়, বাংলাদেশের ‘কালি ও কলম’ ইত্যাদি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত।&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
২৪। অশ্বমেধ দত্তের আত্মকথা; ২০১৭;  প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৫। জালালি; ২০১৭; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। এটি অনুষ্টুপ, ২০১৬ সালের শারদীয় সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।&lt;br /&gt;
  &lt;br /&gt;
২৬। কালচক্রযান; জানুয়ারি, ২০১৮; প্রকাশক: লিরিক্যাল, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২৭। ঝিঙাফুলের কলি; ২০১৮; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২৮। কাহ্ন বাসুদেব; ২০১৯; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
 	&lt;br /&gt;
২৯। মহামাতৃকার জনপদ; জানুয়ারি, ২০২০; প্রকাশক: সাহিত্য সংসদ, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
 	&lt;br /&gt;
৩০। চক্ষুষ্মতী গান্ধারী; জানুয়ারি, ২০২০; প্রকাশক: সুপ্রকাশ, কোলকাতা।  &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৩১। কালসন্ধ্যা; জানুয়ারি, ২০২২; প্রকাশক: পরবাস, কোলকাতা।   &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৩২। এপার বড়ো মাঘমাস ওপার বড়ো কুয়া; ফেব্রæয়ারি, ২০২২; প্রকাশক: সুপ্রকাশ, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩৩।  বলেশ্বরী পেরিয়ে; প্রকাশের সন: ?; জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও একুশ বিঘার বসত নামে তাঁর একটি গ্রন্থ আছে। সম্ভবত ভাটিপুত্রের সাধুসঙ্গ গ্রন্থটিই ভিন্ন প্রকাশনী থেকে ওই নামে প্রকাশিত। তালিকার এ তথ্যসমূহের জন্য অর্দ্ধেন্দুশেখর গোস্বামী এবং সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তের নিকট ঋণ স্বীকার করছি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের বেশিরভাগ গ্রন্থ স্মৃতি আলেখ্য ধারার। ‘চক্ষুষ্মতী গান্ধারী’ ও ‘কাহ্ন বাসুদেব’ সদৃশ দুয়েকটি গ্রন্থ ছাড়া তাঁর সকল গ্রন্থই এ কথার সত্যতা বহন করে। বলা যায় স্মৃতি আলেখ্যকে বাংলাসাহিত্যে একটি সফল জঁর হিসেবে তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই জঁর গণমানুষের উপভোগের সাহিত্য আঙ্গিক। এখানে গল্পের সাথে জীবনের প্রতারণা নেই, কপটতা নেই। তাই জীবনের এই অকপট গল্প দক্ষিণবাংলার মাটিপুত্রদের হাজার বছরের বাংলাসাহিত্যে সবচেয়ে ভালোবাসার গল্প। এই ভালোবাসার প্রমাণ পাই যখন শুনি ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ বা ‘বিষাদবৃক্ষ’ নৌকায় জেলেরা জাল ফেলে অপেক্ষায় বসে থাকা সময়ে রাতে হারিকেনের আলোতে বসে গোল হয়ে একজনে পড়ে এবং অন্যেরা শোনে। বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার কোনো কথাসাহিত্য এভাবে জনপ্রিয় হয়েছে বলে আমরা আর শুনিনি।&lt;br /&gt;
‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ গ্রন্থের সুবাদে ২০০২ সালে শ্রুতি আকাদেমী প্রথমে তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে। ২০০৫ সালে ‘বিষাদবৃক্ষ’ গ্রন্থের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের সুবিখ্যাত ‘আনন্দ’ পুরস্কার লাভ করেন। আনন্দ বা শ্রæতি আকাদেমী পুরস্কারের চেয়ে অনেক বড় স্বীকৃতি হলো একালের দুই জগদ্বিখ্যাত পণ্ডিত তপন রায়চৌধুরী ও রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত কর্তৃক তাঁর ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ ও ‘বিষাদবৃক্ষ’ গ্রন্থের ভূয়সী প্রশংসা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মৃত্যু ও বংশধর ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরিশালের মাটির এই গর্বিত সন্তান কঠিন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কোলকাতায় নবজীবন প্রাইভেট হসপিটালে ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি এই ধরাধাম থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। স্ত্রী সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত বর্তমানে তাঁর বড় মেয়ে কস্তুরী দাশগুপ্তের সাথে কোলকাতায় বাস করছেন। কস্তুরী দাশগুপ্ত নিজে চাকুনি করেন না। তাঁর স্বামী আনন্দবাজারে চাকুরিরত। কনিষ্ঠা কন্যা বৈদেহী সেনগুপ্ত তিতির কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপরে আজিম প্রেমজি ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্টডক্টোরাল গবেষণা সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি ডাচ প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করছেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত ‘মিহির সেনগুপ্তের সাহিত্যকর্মে দক্ষিণ বাংলার জীবন ও সমাজ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিতরণকৃত পরিচিতি পুস্তিকা।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3573</id>
		<title>মিহির সেনগুপ্ত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3573"/>
				<updated>2023-05-12T15:46:27Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মিহির সেনগুপ্ত বিভাগোত্তর বাংলার দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক। বৃহত্তর বরিশাল তথা চন্দ্রদ্বীপের জীবন ও সমাজকে তুলে ধরে এবং চান্দ্রদ্বীপি ভাষার তেজকে কাজকে লাগিয়ে যে মুষ্টিমেয় কয়েকজন কথাসাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন মিহির সেনগুপ্ত। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:মিহির সেন.jpg]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ও পিতৃপরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহত্তর বরিশালের অর্থে দক্ষিণবঙ্গের জীবন ও সমাজের অকৃত্রিম দরদী এই লেখকের জন্ম হয়েছিল এই দক্ষিণবঙ্গেই বর্তমান ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন কেওড়া গ্রামে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে। এতদঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষের দাপ্তরিকভাবে প্রতিষ্ঠিত জন্মতারিখের মতো এ তারিখটিও স্কুলে ভর্তি বা ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রয়োজনে তৈরিকৃত একটি জন্মতারিখ। মিহির সেনগুপ্তের জন্ম মূলত আরো দুয়েক বছর পূর্বের কোনো তারিখে হয়েছিল বলে অনুমিত হয়। &lt;br /&gt;
কেওড়ায় তাঁদের পূর্বপুরুষ ছিলেন সম্পন্ন ভূস্বামী। উত্তরাধিকারসূত্রেই বাবা সুধীর কুমার সেনগুপ্তের জমিদারি ছিল। মায়ের নাম লাবণ্য সেনগুপ্ত। বাবার প্রথম স্ত্রী গত হলে দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এই লাবণ্য সেনগুপ্ত। দুই মায়ের উদরজাত তাঁরা ছিলেন মোট তের ভাইবোন। আট ভাই: সুকুমার সেনগুপ্ত, দেবকুমার সেনগুপ্ত, পারিজাত সেনগুপ্ত, দিলীপ সেনগুপ্ত, অভিজিৎ সেন, মিহির সেনগুপ্ত, সমীর সেনগুপ্ত ও অশোক সেনগুপ্ত।  তাঁদের মধ্যে দুজনই বাংলা সাহিত্যের দুই মহীয়ান লেখক- অভিজিৎ সেন ও মিহির সেনগুপ্ত। পাঁচ বোন: অপর্ণা রায়, কৃষ্ণা ভট্টাচার্য, মিলি সেনগুপ্ত, রিনা সেনগুপ্ত ও সমাপ্তি ঘোষ। ভাইদের মধ্যে এখন তিনজন মাত্র জীবিত আছেন: পারিজাত সেনগুপ্ত, অভিজিৎ সেন ও সমীর সেনগুপ্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শিক্ষাজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্ত ১৯৬১ সালে পাশের কীর্তিপাশা গ্রামের প্রসন্নকুমার উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে সরকারি বৃত্তিসহ ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী জীবনে তাঁর সহধর্মিনী হয়ে আসা সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তও একই বছরে একই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। এরপর মিহির সেনগুপ্ত বিএম কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসিতে ভর্তি হন। এইচএসসি পার্ট-২ সম্পন্ন না করেই তাঁকে জীবনের স্থায়ী নিবাসের লক্ষ্যে পাড়ি জমাতে হয় পশ্চিমবঙ্গে ইতোমধ্যে যেখানে তাঁর ভাইবোনদের অনেকেই স্থায়ী হয়েছিলেন। তবে সেই প্রবাস এক্তিয়ার করা মোটেই তাঁর জীবনের কোনো সুখকর অভিজ্ঞতার অংশ ছিল না। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বিষাদবৃক্ষ’ এ সময়কার বেদনাবিধুর জীবন-অধ্যায়ের এক অসামান্য দলিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোলকাতায় তাঁকে ১৯৬৪ সালে আবার ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করতে হয় প্রাইভেট পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গে তাঁর অভিবাসন যথাপ্রক্রিয়ায় না হওয়ার কারণে পূর্বপাকিস্তানের শিক্ষাসনদ তিনি ব্যবহার করতে পারছিলেন না। এবারও পশ্চিমবঙ্গে তিনি ম্যাট্রিকুলেশনে প্রথম বিভাগেই উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৫ সালে প্রি-ইউনিভার্সিটি শ্রেণিতে সারা পশ্চিমবঙ্গে তিনি নবম স্থান অধিকার করেন। ১৯৬৬ সালে সরকারি বারাসাত কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স কোর্সে ভর্তি হন। ১৯৬৬ সালেই ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় চাকুরি লাভ করায় নৈশকালীন কোর্সে অনার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করতে কোলকাতা সিটি নাইট কলেজে ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে ইংরেজিতে বিএ অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকুরিতে পরবর্তীতে তাঁর পদায়ন হয় তৎকালীন দক্ষিণ বিহার তথা বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদ জেলায়। ধানবাদ জেলায় তিনি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে কাটিয়েছেন। ধানবাদের তোপচাঁচিতে তিনি অনেক দিন চাকুরিসূত্রে বসবাস করেছেন। তাঁর প্রথম দিকের গ্রন্থ ‘টার পাহাড়ের পদাবলী’, ‘মধ্যদিনের গান’, ’ঝিঙাফুলের কলি’ ইত্যাদি তাঁর ঝাড়খণ্ডের জীবনকালেই রচিত হয়েছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্ত ১৯৭২ সালের ৬ মার্চ তারিখে তাঁর একদা স্কুল-সহপাঠী সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তের সাথে পরিণয়বদ্ধ হন। সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে বরিশাল মহিলা কলেজে ১৯৬৮ সালের আগস্ট মাসে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং এ কারণে তাঁদের পরিবারের ওপর থেকে বয়ে যাওয়া ঝড়ঝাপটার পরে উদ্ভূত ট্রমা থেকে উপশম ও পরিত্রাণের আশায় তিনি স্বাধীনতার পরপর কিছুদিনের জন্য ভারত গমন করেন। সেখানে ফেব্রুয়ারি মাসে মিহির সেনগুপ্তের সাথে প্রথমে তাঁর আইন মোতাবেক রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়। পরে বাংলাদেশে ফিরে মার্চের ৬ তারিখ ধর্মীয় বিধিবিধান মোতাবেক পূর্ণাঙ্গ বিয়ে সম্পন্ন হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিয়ের পরে তাঁরা প্রথমে হুগলির ভদ্রেশ্বরে তাঁদের সদ্য নির্মিত বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। ভদ্রেশ্বর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে পোলবা গার্লস হাইস্কুলে সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ১৯৭৩ সালে। কর্মজীবনের শেষদিকে তিনি ভদ্রেশ্বর ধর্মতলা গার্লস হাইস্কুলের হেডমিস্ট্রেস ছিলেন। ১৯৭৫ সালে তাঁদের প্রথম সন্তান কস্তুরী দাশগুপ্তের জন্ম হয়। কস্তুরী দাশগুপ্তের ডাকনাম তানিয়া। দ্বিতীয় এবং শেষ সন্তান বৈদেহী সেনগুপ্তের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালে। বৈদেহী সেনগুপ্তের ডাকনাম তিতির। দুই সন্তান নিয়ে সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত ১৯৭৯ সালে স্কুল থেকে বিনা বেতনে ছুটি নিয়ে মিহির সেনগুপ্তের কর্মস্থল ধানবাদে গমন করেন এবং সেখানে দুই বছর কাটিয়ে ১৯৮২ সালে আবার কোলকাতায় ফিরে আসেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সাহিত্যিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের লেখালেখি তাঁর ধানবাদের কর্মস্থল থেকে শুরু হলেও তা প্রকাশের আয়োজন অনেক দেরিতে কোলকাতার জীবনেই শুরু হয়েছে। এই শুরুর সাথে দক্ষিণবঙ্গের পণ্ডিতকুলশিরোমণি তপন রায়চৌধুরীর একটি নাটকীয় ঘটনা জড়িয়ে আছে। ১৯৯২ সালে ‘দেশ’ পত্রিকার শারদীয় সংখ্যায় তপন রায়চৌধুরীর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘রোমন্থন’- এর সিংহভাগ প্রকাশিত হয়। ছেলেবেলার জীবনভূমি কীর্তিপাশাকে সে গ্রন্থে নায়কের ভূমিকায় আবিষ্কার করে উল্লসিত মিহির সেনগুপ্ত লেখক তপন রায়চৌধুরীকে ৭৪ পৃষ্ঠার দীর্ঘ এক পত্র লেখেন। ১৯৯৪ সালে সেই পত্র ‘নাইয়া’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সে পত্র তপন রায়চৌধুরীকে এতখানি আমোদিত করে যে তিনি রোমন্থণের পরবর্তী সংস্করণে ঐ পূর্ণাঙ্গ পত্রখানিও জুড়ে দেন। শুধু তপন রায়চৌধুরী নয়, সে পত্রে আমোদিত হয়েছিল গোটা বাঙালি পাঠক, যখন ১৯৯৬ সালে সেই পত্র ‘ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি’ নামে এক স্বতন্ত্র গ্রন্থ রূপে আবির্ভূত হয়। সত্যিকার অর্থে লেখক মিহির সেনগুপ্তের ব্যাপক পাঠকগ্রাহিতা ‘ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি’ নামক এই পুস্তকের হাত ধরেই। ‘টাঁর পাহাড়ের পদাবলি, ‘মধ্যদিনের গান, ’ঝিঙাফুলের কলি’ ইত্যাদি গ্রন্থ তিনি অনেক আগে লিখে থাকলেও এগুলোসহ তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ সবই ১৯৯৬ সালের পরেই প্রকাশিত হতে শুরু করে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের গ্রন্থসমূহের একটি মোটামুটি তালিকা নিম্নরূপ। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি; প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ১৯৯৬; প্রকাশক: নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা। এটি প্রথমে প্রকাশিত হয়েছিল ‘নাইয়া’ পত্রিকায় ১৪০০ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৯৯৪ খৃস্টাব্দে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২। সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম; এটিরও প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে; প্রকাশক:  নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা । এটি সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে সুপ্রকাশ প্রকাশনী কর্তৃক ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩। বিদুর; প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬ সালে নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা কর্তৃক।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৪। বিষাদবৃক্ষ মিহির সেনগুপ্তের সবচেয়ে পাঠকনন্দিত গ্রন্থ।	২০০৩ সালে কোলকাতার প্রকাশনী সুবর্ণরেখা এটি প্রথম প্রকাশ করে। এরপর আনন্দ পাবলিশার্সসহ একাধিক প্রকাশনী থেকে এটি মুদ্রিত হয়। হেমলতা কর্তৃক অনূদিত এর একটি হিন্দি অনুবাদ পেঙ্গুইন থেকেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৫। চান্দ্রদ্বীপি শোলোক শাস্তর পলকি কথা; 	প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০০৬। এটি তখন উজানি খালের সোঁতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত রূপে আনন্দ পাবলিশার্স, কোলকাতা কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তবে এর পূর্বে ‘কারুকথা এই সময়’ পত্রিকায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল  নভেম্বর ২০০৩ - জানুয়ারি ২০০৪ সংখ্যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬। ভাটিপুত্রের অপবর্গ দর্শন; এটিও উজানি খালের সোঁতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত রূপে আনন্দ পাবলিশার্স কর্তৃক প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এর পূর্বে অবভাস পত্রিকায় ডিসেম্বর ২০০৪ সংখ্যায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭। টাঁড় পাহাড়ের পদাবলি প্রথমে কম্পাস পত্রিকায় ১৯৯৭-২০০২ সময়কালে প্রকাশিত হয়। এরপর ২০০৮ সালে গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় গাঙচিল, কোলকাতা কর্তৃক। ২০২১ সালের জুলাই মাসে সুপ্রকাশ, কোলকাতা থেকে এটি পুনঃপ্রকাশিত হয়।	&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
৮। গোধূলি সন্ধ্যার রাখাল	 ; প্রথম প্রকাশ ২০০৭; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা। এটি আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয়তে এপ্রিল-মে, ২০০৫ সংখ্যায় ‘নামহারা’ নামে প্রকাশিত গল্পের পরিবর্ধিত রূপ। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৯। নিষ্পাদপ অরণ্যে;  ২০০৮;  প্রকাশক: দে’জ পাবলিশার্স, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১০। ধানসিদ্ধির পরনকথা ; ২০০৮; প্রকাশক:  দে’জ পাবলিশার্স, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১১। নীল সায়রের শালুক; ২০০৮; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১২। হেমন্ত শেষের পাখিরা; ২০০৯; জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা। এই গ্রন্থটিই বাংলাদেশের কাগজ প্রকাশনী থেকে ‘শরণার্থী ও মুক্তিযুদ্ধ’ নামে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৩। মধ্যদিনের গান; ২০১১; প্রকাশক:  নান্দনিক, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৪। দশটি গল্প 	গ্রন্থটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গল্পের সংকলন রূপে পরশপাথর প্রকাশন, কোলকাতা কর্তৃক প্রকাশিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৫। তুষিত স্বর্গের সন্ধান; নভেম্বর, ২০১১; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৬। চলার পথের চলনদার; জুলাই, ২০১২; প্রকাশক: মধ্যমা, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৭। সুবর্ণ উত্তরণ; ২০১৪; প্রকাশক: বোধি, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৮। যুদ্ধান্তে; ২০১৫; প্রকাশক: সাহিত্য সংসদ, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৯। সর্বশেষ জীবনানন্দের সেই নারী; ২০১৬; প্রকাশক: স্বস্তিক প্রকাশন, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২০। স্বপ্ন সুগন্ধা; ২০১৬;  প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২১। ভাটিপুত্রের সাধুসঙ্গ; ২০১৬;  প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২২। অন্তহীন ফিরে দেখা; ২০১৬;  প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৩। চান্দ্রদ্বীপি কাহিনি আলেখ্য; ডিসেম্বর, ২০১৬; আনন্দ পাবলিশার্স, কোলকাতা কর্তৃক ভাটিপুত্রের বরিশালি গদ্যসংগ্রহ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। আলেখ্যগুলো বিভিন্ন সময়ে ‘আনন্দবাজার’ রবিবাসরীয়, ‘আজকাল’ রবিবাসরীয়, বাংলাদেশের ‘কালি ও কলম’ ইত্যাদি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত।&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
২৪। অশ্বমেধ দত্তের আত্মকথা; ২০১৭;  প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৫। জালালি; ২০১৭; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। এটি অনুষ্টুপ, ২০১৬ সালের শারদীয় সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।&lt;br /&gt;
  &lt;br /&gt;
২৬। কালচক্রযান; জানুয়ারি, ২০১৮; প্রকাশক: লিরিক্যাল, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২৭। ঝিঙাফুলের কলি; ২০১৮; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২৮। কাহ্ন বাসুদেব; ২০১৯; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
 	&lt;br /&gt;
২৯। মহামাতৃকার জনপদ; জানুয়ারি, ২০২০; প্রকাশক: সাহিত্য সংসদ, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
 	&lt;br /&gt;
৩০। চক্ষুষ্মতী গান্ধারী; জানুয়ারি, ২০২০; প্রকাশক: সুপ্রকাশ, কোলকাতা।  &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৩১। কালসন্ধ্যা; জানুয়ারি, ২০২২; প্রকাশক: পরবাস, কোলকাতা।   &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৩২। এপার বড়ো মাঘমাস ওপার বড়ো কুয়া; ফেব্রæয়ারি, ২০২২; প্রকাশক: সুপ্রকাশ, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩৩।  বলেশ্বরী পেরিয়ে; প্রকাশের সন: ?; জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও একুশ বিঘার বসত নামে তাঁর একটি গ্রন্থ আছে। সম্ভবত ভাটিপুত্রের সাধুসঙ্গ গ্রন্থটিই ভিন্ন প্রকাশনী থেকে ওই নামে প্রকাশিত। তালিকার এ তথ্যসমূহের জন্য অর্দ্ধেন্দুশেখর গোস্বামী এবং সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তের নিকট ঋণ স্বীকার করছি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের বেশিরভাগ গ্রন্থ স্মৃতি আলেখ্য ধারার। ‘চক্ষুষ্মতী গান্ধারী’ ও ‘কাহ্ন বাসুদেব’ সদৃশ দুয়েকটি গ্রন্থ ছাড়া তাঁর সকল গ্রন্থই এ কথার সত্যতা বহন করে। বলা যায় স্মৃতি আলেখ্যকে বাংলাসাহিত্যে একটি সফল জঁর হিসেবে তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই জঁর গণমানুষের উপভোগের সাহিত্য আঙ্গিক। এখানে গল্পের সাথে জীবনের প্রতারণা নেই, কপটতা নেই। তাই জীবনের এই অকপট গল্প দক্ষিণবাংলার মাটিপুত্রদের হাজার বছরের বাংলাসাহিত্যে সবচেয়ে ভালোবাসার গল্প। এই ভালোবাসার প্রমাণ পাই যখন শুনি ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ বা ‘বিষাদবৃক্ষ’ নৌকায় জেলেরা জাল ফেলে অপেক্ষায় বসে থাকা সময়ে রাতে হারিকেনের আলোতে বসে গোল হয়ে একজনে পড়ে এবং অন্যেরা শোনে। বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার কোনো কথাসাহিত্য এভাবে জনপ্রিয় হয়েছে বলে আমরা আর শুনিনি।&lt;br /&gt;
‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ গ্রন্থের সুবাদে ২০০২ সালে শ্রুতি আকাদেমী প্রথমে তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে। ২০০৫ সালে ‘বিষাদবৃক্ষ’ গ্রন্থের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের সুবিখ্যাত ‘আনন্দ’ পুরস্কার লাভ করেন। আনন্দ বা শ্রæতি আকাদেমী পুরস্কারের চেয়ে অনেক বড় স্বীকৃতি হলো একালের দুই জগদ্বিখ্যাত পণ্ডিত তপন রায়চৌধুরী ও রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত কর্তৃক তাঁর ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ ও ‘বিষাদবৃক্ষ’ গ্রন্থের ভূয়সী প্রশংসা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মৃত্যু ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরিশালের মাটির এই গর্বিত সন্তান কঠিন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কোলকাতায় নবজীবন প্রাইভেট হসপিটালে ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি এই ধরাধাম থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। স্ত্রী সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত বর্তমানে তাঁর বড় মেয়ে কস্তুরী দাশগুপ্তের সাথে কোলকাতায় বাস করছেন। কস্তুরী দাশগুপ্ত নিজে চাকুনি করেন না। তাঁর স্বামী আনন্দবাজারে চাকুরিরত। কনিষ্ঠা কন্যা বৈদেহী সেনগুপ্ত তিতির কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপরে আজিম প্রেমজি ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্টডক্টোরাল গবেষণা সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি ডাচ প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করছেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত ‘মিহির সেনগুপ্তের সাহিত্যকর্মে দক্ষিণ বাংলার জীবন ও সমাজ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিতরণকৃত পরিচিতি পুস্তিকা।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3572</id>
		<title>মিহির সেনগুপ্ত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3572"/>
				<updated>2023-05-12T15:40:52Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মিহির সেনগুপ্ত বিভাগোত্তর বাংলার দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক। বৃহত্তর বরিশাল তথা চন্দ্রদ্বীপের জীবন ও সমাজকে তুলে ধরে এবং চান্দ্রদ্বীপি ভাষার তেজকে কাজকে লাগিয়ে যে মুষ্টিমেয় কয়েকজন কথাসাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন মিহির সেনগুপ্ত। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:মিহির সেন.jpg]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ও পিতৃপরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহত্তর বরিশালের অর্থে দক্ষিণবঙ্গের জীবন ও সমাজের অকৃত্রিম দরদী এই লেখকের জন্ম হয়েছিল এই দক্ষিণবঙ্গেই বর্তমান ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন কেওড়া গ্রামে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে। এতদঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষের দাপ্তরিকভাবে প্রতিষ্ঠিত জন্মতারিখের মতো এ তারিখটিও স্কুলে ভর্তি বা ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রয়োজনে তৈরিকৃত একটি জন্মতারিখ। মিহির সেনগুপ্তের জন্ম মূলত আরো দুয়েক বছর পূর্বের কোনো তারিখে হয়েছিল বলে অনুমিত হয়। &lt;br /&gt;
কেওড়ায় তাঁদের পূর্বপুরুষ ছিলেন সম্পন্ন ভূস্বামী। উত্তরাধিকারসূত্রেই বাবা সুধীর কুমার সেনগুপ্তের জমিদারি ছিল। মায়ের নাম লাবণ্য সেনগুপ্ত। বাবার প্রথম স্ত্রী গত হলে দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এই লাবণ্য সেনগুপ্ত। দুই মায়ের উদরজাত তাঁরা ছিলেন মোট তের ভাইবোন। আট ভাই: সুকুমার সেনগুপ্ত, দেবকুমার সেনগুপ্ত, পারিজাত সেনগুপ্ত, দিলীপ সেনগুপ্ত, অভিজিৎ সেন, মিহির সেনগুপ্ত, সমীর সেনগুপ্ত ও অশোক সেনগুপ্ত।  তাঁদের মধ্যে দুজনই বাংলা সাহিত্যের দুই মহীয়ান লেখক- অভিজিৎ সেন ও মিহির সেনগুপ্ত। পাঁচ বোন: অপর্ণা রায়, কৃষ্ণা ভট্টাচার্য, মিলি সেনগুপ্ত, রিনা সেনগুপ্ত ও সমাপ্তি ঘোষ। ভাইদের মধ্যে এখন তিনজন মাত্র জীবিত আছেন: পারিজাত সেনগুপ্ত, অভিজিৎ সেন ও সমীর সেনগুপ্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শিক্ষাজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্ত ১৯৬১ সালে পাশের কীর্তিপাশা গ্রামের প্রসন্নকুমার উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে সরকারি বৃত্তিসহ ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী জীবনে তাঁর সহধর্মিনী হয়ে আসা সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তও একই বছরে একই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। এরপর মিহির সেনগুপ্ত বিএম কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসিতে ভর্তি হন। এইচএসসি পার্ট-২ সম্পন্ন না করেই তাঁকে জীবনের স্থায়ী নিবাসের লক্ষ্যে পাড়ি জমাতে হয় পশ্চিমবঙ্গে ইতোমধ্যে যেখানে তাঁর ভাইবোনদের অনেকেই স্থায়ী হয়েছিলেন। তবে সেই প্রবাস এক্তিয়ার করা মোটেই তাঁর জীবনের কোনো সুখকর অভিজ্ঞতার অংশ ছিল না। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বিষাদবৃক্ষ’ এ সময়কার বেদনাবিধুর জীবন-অধ্যায়ের এক অসামান্য দলিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোলকাতায় তাঁকে ১৯৬৪ সালে আবার ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করতে হয় প্রাইভেট পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গে তাঁর অভিবাসন যথাপ্রক্রিয়ায় না হওয়ার কারণে পূর্বপাকিস্তানের শিক্ষাসনদ তিনি ব্যবহার করতে পারছিলেন না। এবারও পশ্চিমবঙ্গে তিনি ম্যাট্রিকুলেশনে প্রথম বিভাগেই উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৫ সালে প্রি-ইউনিভার্সিটি শ্রেণিতে সারা পশ্চিমবঙ্গে তিনি নবম স্থান অধিকার করেন। ১৯৬৬ সালে সরকারি বারাসাত কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স কোর্সে ভর্তি হন। ১৯৬৬ সালেই ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় চাকুরি লাভ করায় নৈশকালীন কোর্সে অনার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করতে কোলকাতা সিটি নাইট কলেজে ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে ইংরেজিতে বিএ অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকুরিতে পরবর্তীতে তাঁর পদায়ন হয় তৎকালীন দক্ষিণ বিহার তথা বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদ জেলায়। ধানবাদ জেলায় তিনি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে কাটিয়েছেন। ধানবাদের তোপচাঁচিতে তিনি অনেক দিন চাকুরিসূত্রে বসবাস করেছেন। তাঁর প্রথম দিকের গ্রন্থ ‘টার পাহাড়ের পদাবলী’, ‘মধ্যদিনের গান’, ’ঝিঙাফুলের কলি’ ইত্যাদি তাঁর ঝাড়খণ্ডের জীবনকালেই রচিত হয়েছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্ত ১৯৭২ সালের ৬ মার্চ তারিখে তাঁর একদা স্কুল-সহপাঠী সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তের সাথে পরিণয়বদ্ধ হন। সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে বরিশাল মহিলা কলেজে ১৯৬৮ সালের আগস্ট মাসে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং এ কারণে তাঁদের পরিবারের ওপর থেকে বয়ে যাওয়া ঝড়ঝাপটার পরে উদ্ভূত ট্রমা থেকে উপশম ও পরিত্রাণের আশায় তিনি স্বাধীনতার পরপর কিছুদিনের জন্য ভারত গমন করেন। সেখানে ফেব্রুয়ারি মাসে মিহির সেনগুপ্তের সাথে প্রথমে তাঁর আইন মোতাবেক রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়। পরে বাংলাদেশে ফিরে মার্চের ৬ তারিখ ধর্মীয় বিধিবিধান মোতাবেক পূর্ণাঙ্গ বিয়ে সম্পন্ন হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিয়ের পরে তাঁরা প্রথমে হুগলির ভদ্রেশ্বরে তাঁদের সদ্য নির্মিত বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। ভদ্রেশ্বর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে পোলবা গার্লস হাইস্কুলে সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ১৯৭৩ সালে। কর্মজীবনের শেষদিকে তিনি ভদ্রেশ্বর ধর্মতলা গার্লস হাইস্কুলের হেডমিস্ট্রেস ছিলেন। ১৯৭৫ সালে তাঁদের প্রথম সন্তান কস্তুরী দাশগুপ্তের জন্ম হয়। কস্তুরী দাশগুপ্তের ডাকনাম তানিয়া। দ্বিতীয় এবং শেষ সন্তান বৈদেহী সেনগুপ্তের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালে। বৈদেহী সেনগুপ্তের ডাকনাম তিতির। দুই সন্তান নিয়ে সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত ১৯৭৯ সালে স্কুল থেকে বিনা বেতনে ছুটি নিয়ে মিহির সেনগুপ্তের কর্মস্থল ধানবাদে গমন করেন এবং সেখানে দুই বছর কাটিয়ে ১৯৮২ সালে আবার কোলকাতায় ফিরে আসেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== সাহিত্যিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের লেখালেখি তাঁর ধানবাদের কর্মস্থল থেকে শুরু হলেও তা প্রকাশের আয়োজন অনেক দেরিতে কোলকাতার জীবনেই শুরু হয়েছে। এই শুরুর সাথে দক্ষিণবঙ্গের পণ্ডিতকুলশিরোমণি তপন রায়চৌধুরীর একটি নাটকীয় ঘটনা জড়িয়ে আছে। ১৯৯২ সালে ‘দেশ’ পত্রিকার শারদীয় সংখ্যায় তপন রায়চৌধুরীর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘রোমন্থন’- এর সিংহভাগ প্রকাশিত হয়। ছেলেবেলার জীবনভূমি কীর্তিপাশাকে সে গ্রন্থে নায়কের ভূমিকায় আবিষ্কার করে উল্লসিত মিহির সেনগুপ্ত লেখক তপন রায়চৌধুরীকে ৭৪ পৃষ্ঠার দীর্ঘ এক পত্র লেখেন। ১৯৯৪ সালে সেই পত্র ‘নাইয়া’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সে পত্র তপন রায়চৌধুরীকে এতখানি আমোদিত করে যে তিনি রোমন্থণের পরবর্তী সংস্করণে ঐ পূর্ণাঙ্গ পত্রখানিও জুড়ে দেন। শুধু তপন রায়চৌধুরী নয়, সে পত্রে আমোদিত হয়েছিল গোটা বাঙালি পাঠক, যখন ১৯৯৬ সালে সেই পত্র ‘ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি’ নামে এক স্বতন্ত্র গ্রন্থ রূপে আবির্ভূত হয়। সত্যিকার অর্থে লেখক মিহির সেনগুপ্তের ব্যাপক পাঠকগ্রাহিতা ‘ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি’ নামক এই পুস্তকের হাত ধরেই। ‘টাঁর পাহাড়ের পদাবলি, ‘মধ্যদিনের গান, ’ঝিঙাফুলের কলি’ ইত্যাদি গ্রন্থ তিনি অনেক আগে লিখে থাকলেও এগুলোসহ তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ সবই ১৯৯৬ সালের পরেই প্রকাশিত হতে শুরু করে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের গ্রন্থসমূহের একটি মোটামুটি তালিকা নিম্নরূপ। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। ভাটিপুত্রের পত্র বাখোয়াজি; প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ১৯৯৬; প্রকাশক: নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা। এটি প্রথমে প্রকাশিত হয়েছিল ‘নাইয়া’ পত্রিকায় ১৪০০ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৯৯৪ খৃস্টাব্দে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২। সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম; এটিরও প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে; প্রকাশক:  নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা । এটি সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে সুপ্রকাশ প্রকাশনী কর্তৃক ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩। বিদুর; প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬ সালে নয়া উদ্যোগ, কোলকাতা কর্তৃক।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৪। বিষাদবৃক্ষ মিহির সেনগুপ্তের সবচেয়ে পাঠকনন্দিত গ্রন্থ।	২০০৩ সালে কোলকাতার প্রকাশনী সুবর্ণরেখা এটি প্রথম প্রকাশ করে। এরপর আনন্দ পাবলিশার্সসহ একাধিক প্রকাশনী থেকে এটি মুদ্রিত হয়। হেমলতা কর্তৃক অনূদিত এর একটি হিন্দি অনুবাদ পেঙ্গুইন থেকেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৫। চান্দ্রদ্বীপি শোলোক শাস্তর পলকি কথা; 	প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০০৬। এটি তখন উজানি খালের সোঁতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত রূপে আনন্দ পাবলিশার্স, কোলকাতা কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তবে এর পূর্বে ‘কারুকথা এই সময়’ পত্রিকায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল  নভেম্বর ২০০৩ - জানুয়ারি ২০০৪ সংখ্যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬। ভাটিপুত্রের অপবর্গ দর্শন; এটিও উজানি খালের সোঁতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত রূপে আনন্দ পাবলিশার্স কর্তৃক প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এর পূর্বে অবভাস পত্রিকায় ডিসেম্বর ২০০৪ সংখ্যায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭। টাঁড় পাহাড়ের পদাবলি প্রথমে কম্পাস পত্রিকায় ১৯৯৭-২০০২ সময়কালে প্রকাশিত হয়। এরপর ২০০৮ সালে গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় গাঙচিল, কোলকাতা কর্তৃক। ২০২১ সালের জুলাই মাসে সুপ্রকাশ, কোলকাতা থেকে এটি পুনঃপ্রকাশিত হয়।	&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
৮। গোধূলি সন্ধ্যার রাখাল	 ; প্রথম প্রকাশ ২০০৭; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা। এটি আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয়তে এপ্রিল-মে, ২০০৫ সংখ্যায় ‘নামহারা’ নামে প্রকাশিত গল্পের পরিবর্ধিত রূপ। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৯। নিষ্পাদপ অরণ্যে;  ২০০৮;  প্রকাশক: দে’জ পাবলিশার্স, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১০। ধানসিদ্ধির পরনকথা ; ২০০৮; প্রকাশক:  দে’জ পাবলিশার্স, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১১। নীল সায়রের শালুক; ২০০৮; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১২। হেমন্ত শেষের পাখিরা; ২০০৯; জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা। এই গ্রন্থটিই বাংলাদেশের কাগজ প্রকাশনী থেকে ‘শরণার্থী ও মুক্তিযুদ্ধ’ নামে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৩। মধ্যদিনের গান; ২০১১; প্রকাশক:  নান্দনিক, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৪। দশটি গল্প 	গ্রন্থটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গল্পের সংকলন রূপে পরশপাথর প্রকাশন, কোলকাতা কর্তৃক প্রকাশিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৫। তুষিত স্বর্গের সন্ধান; নভেম্বর, ২০১১; প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।	&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৬। চলার পথের চলনদার; জুলাই, ২০১২; প্রকাশক: মধ্যমা, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৭। সুবর্ণ উত্তরণ; ২০১৪; প্রকাশক: বোধি, ঢাকা, বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৮। যুদ্ধান্তে; ২০১৫; প্রকাশক: সাহিত্য সংসদ, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
১৯। সর্বশেষ জীবনানন্দের সেই নারী; ২০১৬; প্রকাশক: স্বস্তিক প্রকাশন, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২০। স্বপ্ন সুগন্ধা; ২০১৬;  প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২১। ভাটিপুত্রের সাধুসঙ্গ; ২০১৬;  প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২২। অন্তহীন ফিরে দেখা; ২০১৬;  প্রকাশক: জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৩। চান্দ্রদ্বীপি কাহিনি আলেখ্য; ডিসেম্বর, ২০১৬; আনন্দ পাবলিশার্স, কোলকাতা কর্তৃক ভাটিপুত্রের বরিশালি গদ্যসংগ্রহ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। আলেখ্যগুলো বিভিন্ন সময়ে ‘আনন্দবাজার’ রবিবাসরীয়, ‘আজকাল’ রবিবাসরীয়, বাংলাদেশের ‘কালি ও কলম’ ইত্যাদি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত।&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
২৪। অশ্বমেধ দত্তের আত্মকথা; ২০১৭;  প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৫। জালালি; ২০১৭; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। এটি অনুষ্টুপ, ২০১৬ সালের শারদীয় সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।&lt;br /&gt;
  &lt;br /&gt;
২৬। কালচক্রযান; জানুয়ারি, ২০১৮; প্রকাশক: লিরিক্যাল, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২৭। ঝিঙাফুলের কলি; ২০১৮; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
২৮। কাহ্ন বাসুদেব; ২০১৯; প্রকাশক: অক্ষর পাবলিকেশনস, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
 	&lt;br /&gt;
২৯। মহামাতৃকার জনপদ; জানুয়ারি, ২০২০; প্রকাশক: সাহিত্য সংসদ, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
 	&lt;br /&gt;
৩০। চক্ষুষ্মতী গান্ধারী; জানুয়ারি, ২০২০; প্রকাশক: সুপ্রকাশ, কোলকাতা।  &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৩১। কালসন্ধ্যা; জানুয়ারি, ২০২২; প্রকাশক: পরবাস, কোলকাতা।   &lt;br /&gt;
	&lt;br /&gt;
৩২। এপার বড়ো মাঘমাস ওপার বড়ো কুয়া; ফেব্রæয়ারি, ২০২২; প্রকাশক: সুপ্রকাশ, কোলকাতা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩৩।  বলেশ্বরী পেরিয়ে; প্রকাশের সন: ?; জে এন চক্রবর্তী অ্যান্ড কোং, কোলকাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও একুশ বিঘার বসত নামে তাঁর একটি গ্রন্থ আছে। সম্ভবত ভাটিপুত্রের সাধুসঙ্গ গ্রন্থটিই ভিন্ন প্রকাশনী থেকে ওই নামে প্রকাশিত। তালিকার এ তথ্যসমূহের জন্য অর্দ্ধেন্দুশেখর গোস্বামী এবং সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্তের নিকট ঋণ স্বীকার করছি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিহির সেনগুপ্তের বেশিরভাগ গ্রন্থ স্মৃতি আলেখ্য ধারার। ‘চক্ষুষ্মতী গান্ধারী’ ও ‘কাহ্ন বাসুদেব’ সদৃশ দুয়েকটি গ্রন্থ ছাড়া তাঁর সকল গ্রন্থই এ কথার সত্যতা বহন করে। বলা যায় স্মৃতি আলেখ্যকে বাংলাসাহিত্যে একটি সফল জঁর হিসেবে তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই জঁর গণমানুষের উপভোগের সাহিত্য আঙ্গিক। এখানে গল্পের সাথে জীবনের প্রতারণা নেই, কপটতা নেই। তাই জীবনের এই অকপট গল্প দক্ষিণবাংলার মাটিপুত্রদের হাজার বছরের বাংলাসাহিত্যে সবচেয়ে ভালোবাসার গল্প। এই ভালোবাসার প্রমাণ পাই যখন শুনি ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ বা ‘বিষাদবৃক্ষ’ নৌকায় জেলেরা জাল ফেলে অপেক্ষায় বসে থাকা সময়ে রাতে হারিকেনের আলোতে বসে গোল হয়ে একজনে পড়ে এবং অন্যেরা শোনে। বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার কোনো কথাসাহিত্য এভাবে জনপ্রিয় হয়েছে বলে আমরা আর শুনিনি।&lt;br /&gt;
‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ গ্রন্থের সুবাদে ২০০২ সালে শ্রুতি আকাদেমী প্রথমে তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে। ২০০৫ সালে ‘বিষাদবৃক্ষ’ গ্রন্থের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের সুবিখ্যাত ‘আনন্দ’ পুরস্কার লাভ করেন। আনন্দ বা শ্রæতি আকাদেমী পুরস্কারের চেয়ে অনেক বড় স্বীকৃতি হলো একালের দুই জগদ্বিখ্যাত পণ্ডিত তপন রায়চৌধুরী ও রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত কর্তৃক তাঁর ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’ ও ‘বিষাদবৃক্ষ’ গ্রন্থের ভূয়সী প্রশংসা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মৃত্যু ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরিশালের মাটির এই গর্বিত সন্তান কঠিন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কোলকাতায় নবজীবন প্রাইভেট হসপিটালে ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি এই ধরাধাম থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। স্ত্রী সন্ধ্যা রায়সেনগুপ্ত বর্তমানে তাঁর বড় মেয়ে কস্তুরী দাশগুপ্তের সাথে কোলকাতায় বাস করছেন। কস্তুরী দাশগুপ্ত নিজে চাকুনি করেন না। তাঁর স্বামী আনন্দবাজারে চাকুরিরত। কনিষ্ঠা কন্যা বৈদেহী সেনগুপ্ত তিতির কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপরে আজিম প্রেমজি ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্টডক্টোরাল গবেষণা সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি ডাচ প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করছেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত ‘মিহির সেনগুপ্তের সাহিত্যকর্মে দক্ষিণ বাংলার জীবন ও সমাজ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপিত পরিচিতি পুস্তিকা।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80&amp;diff=3571</id>
		<title>প্রজ্ঞানন্দ সরস্বতী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80&amp;diff=3571"/>
				<updated>2023-02-27T17:29:47Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;মূল নাম সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায়। বরিশাল বিপ্লবী দলের প...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মূল নাম সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায়। বরিশাল বিপ্লবী দলের প্রতিষ্ঠাতা ও বরিশালের শংকর মঠের প্রতিষ্ঠাতা। তার পৈত্রিক নিবাস উজিরপুর। তার পিতা ষষ্ঠী চরণ মুখোপাধ্যায় গলাচিপা থানার ওসি ছিলেন। সতীশ চন্দ্র ১৮৮৪ সনের ১২ই আগষ্ট গলাচিপায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি উজিরপুর স্কুল হতে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। পরবর্তীতে বিএম স্কুলে শিক্ষকতার কাজে ব্রতী হন এবং অশ্বিনী কুমার দত্তের নিবিড় সান্নিধ্যে আসেন। তিনি বঙ্গভঙ্গ রদ করার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি স্বদেশ বান্ধব সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ১৯০৬ সনে বরিশালের প্রাদেশিক সম্মেলনের সময় গুপ্ত সমিতির পরিচালক বারীন্দ্র কুমার ঘোষ সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায়কে একটি রিভলবার উপহার দিলেন। ১৯০৮ সনে নোয়াখালী নিবাসী বিএম স্কুলের ছাত্র নরেন্দ্র মোহন ঘোষ চৌধুরী সহায়তার সতীশ চন্দ্র বরিশালে গুপ্ত সমিতি গঠন করেন। সরকারী নির্যাতনের প্রতিবাদে বিএম স্কুলের চাকরি ছেড়ে দিয়ে সতীশ চন্দ্র ব্রহ্মাচারী হলেন। ১৯১১ সনে তিনি গয়াধামে স্বামী সংকরানন্দের নিকট দীক্ষা নেন এবং স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী নাম গ্রহণ করেন। ১৯১২ সনে তিনি বরিশালে শংকর মঠ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৫ সনে সরকার তাকে বিপ্লবী তৎপরতার জন্য গ্রেফতার করে এবং মেদিনীপুরের মহিষাদলে স্থানান্তর করে। তার অবর্তমানে মনোরঞ্জন গুপ্ত ও হীরালাল দাস গুপ্ত পার্টির কাজ চালিয়ে যান। শত শত বিপ্লবীরা শংকর মঠে দীক্ষা গ্রহণ করে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ বেদান্ত দর্শন, কর্মতত্ত্ব রচনা করেন। ১৯১৯ সনে তিনি কারাবাস থেকে মুক্তি লাভ করেন। ১৯২১ সনে ৫ই ফেব্রুয়ারী স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী কলকতায় দেহ ত্যাগ করেন। ৭ই ফেব্রুয়ারী তার দেহ বরিশাল শংকর মঠে সমাহিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: রফিকুল ইসলাম। বরিশাল দর্পণ। ঢাকা, ১৯৯০।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA&amp;diff=3570</id>
		<title>প</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA&amp;diff=3570"/>
				<updated>2023-02-27T17:29:29Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[পঙ্কজকান্তি দাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পঞ্চম আলী হাওলাদার, গাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ বা বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী মহকুমার এসডিও’গণ (১৯০১-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী মুক্ত দিবস, ৭ ডিসেম্বর  ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালীর মুক্তিযুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালীর সত্যাগ্রহ আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালি সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পথিক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরমানন্দ বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরমানন্দ বসুর সমাজ সমীকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরিমল বাহিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরেশলাল রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পল্লীসেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাথরঘাটা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাথরঘাটা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাথরঘাটার (জ্ঞানপাড়া) চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাদ্রী শিবপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পানপট্টির যুদ্ধ, পটুয়াখালী, ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পান্নালাল ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পায়রা বন্দর, পটুয়াখালি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাষাণময়ী কালী মন্দির, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পির ইদ্রাকের মাজার, উজিরপুর, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর মুক্ত দিবস, ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর হিতৈষী]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুরে বৃটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর মহকুমার এসডিও’গণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পলাশীর যুদ্ধ ও ইংরেজদের দখলে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিয়ারীমোহন দাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পীতাম্বর সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পূর্ণানন্দ স্বামী, মহারাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পোনাবালিয়ার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পোনাবালিয়ার জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্যারীমোহন দাশ গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্যারেরা, জন ফ্রান্সিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রজ্ঞানন্দ সরস্বতী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রতাপ চন্দ্র মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রতাপ নারায়ণ বসু (রাজা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রতিভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রফুল্লমুখী বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রবোধচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রাণকুমার সেন]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3569</id>
		<title>শঙ্খ ঘোষ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3569"/>
				<updated>2023-02-27T17:00:02Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল ২০২১) ছিলেন একজন ভারতের একজন শক্তিমান বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক। তিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি ছিলেন কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাশের উত্তরসূরী।&lt;br /&gt;
[[চিত্র:Shankho_Ghosh.PNG]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাথমিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ এর আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। শঙ্খ ঘোষ তাঁর লেখক নাম। তাঁর আরেকটি ছদ্ম নাম রয়েছে কুন্তক। তার পিতা মণীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মাতা অমলা ঘোষ। তাঁরা তিন ভাই: সত্যপ্রিয় ঘোষ, চিত্তপ্রিয় ঘোষ এবং নিত্যপ্রিয় ঘোষ। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের চাঁদপুরে জেলায় ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বংশানুক্রমিকভাবে পৈত্রিক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার বানারীপাড়া সদরের ঘোষবাড়িতে শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন। পাবনায় পিতার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং সেখানকার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় কলা বিভাগে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে অবসর নেন। ১৯৬০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাইটার্স ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, শিমলাতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ আডভান্স স্টাডিজ এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার সাহিত্য সাধনা এবং জীবনযাপনের মধ্যে বারবার প্রকাশ পেয়েছে তার রাজনৈতিক সত্তা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের 'নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল' এর বিরুদ্ধে বারবার তাঁকে কলম ধরতে দেখা গেছে। প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজের মতো করে। ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপঞ্জি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''কাব্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এখন সময় নয় (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিহিত পাতালছায়া (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আদিম লতাগুল্মময় (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মূর্খ বড় সামাজিক নয় (১৯৭৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মিনিবুক (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	তুমি তেমন গৌরী নও (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ -১ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রহরজোড়া ত্রিতাল (১৯৮২&lt;br /&gt;
)&lt;br /&gt;
•	মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ধুম লেগেছে হৃদকমলে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ - ২ (১৯৯১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	লাইনেই ছিলাম বাবা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মিনি কবিতার বই (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শবের উপরে শামিয়ানা (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দের ভিতরে এত অন্ধকার (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সমস্ত ক্ষতের মুখে পলি (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মাটিখোঁড়া পুরোনো করোটি (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গোটাদেশজোড়া জউঘর (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হাসিখুশি মুখে সর্বনাশ (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রতি প্রশ্নে জেগে ওঠে ভিটে (২০১২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রিয় ২৫ : কবিতা সংকলন (২০১২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বহুস্বর স্তব্ধ পড়ে আছে (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রেমের কবিতা (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের কবিতাসংগ্রহ (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শুনি নীরব চিৎকার (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এও এক ব্যথা উপশম (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সীমান্তবিহীন দেশে (২০২০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''গদ্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক (১৯৬৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিঃশব্দের তর্জনী (১৯৭১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দের বারান্দা (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এ আমির আবরণ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	উর্বশীর হাসি (১৯৮১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শব্দ আর সত্য (১৯৮২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্মাণ আর সৃষ্টি (১৯৮২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কল্পনার হিস্টোরিয়া (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জার্নাল (১৯৮৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ঘুমিয়ে পড়া এলবাম (১৯৮৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতার মুহূর্ত (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতালেখা কবিতাপড়া (১৯৮৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ঐতিহ্যের বিস্তার (১৯৮৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দময় জীবন (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবির অভিপ্রায় (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এখন সব অলীক ক১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বইয়ের ঘর (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সময়ের জলছবি (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবির বর্ম (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইশারা অবিরত (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এই শহর রাখাল (২০০০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছামতির মশা : ভ্রমণ (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দামিনির গান (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ ১-৬ (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অবিশ্বাসের বাস্তব (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৭ (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সামান্য অসামান্য (২০০৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রেম পদাবলী (২০০৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছেঁড়া ক্যামবিসের ব্যাগ (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সময়পটে শঙ্খ ঘোষ : কবিতা সংকলন (২০০৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ভিন্ন রুচির অধিকার (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আরোপ আর উদ্ভাবন (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বট পাকুড়ের ফেনা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৮ (২০১৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দেখার দৃষ্টি (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আয়ওয়ার ডায়েরি (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : রবীন্দ্রনাথ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : নানা প্রসঙ্গ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত গদ্যলেখা (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৯ (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হে মহাজীবন : রবীন্দ্র প্রসঙ্গ (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বেড়াতে যাবার সিঁড়ি (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অল্প স্বল্প কথা (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিরহং শিল্পী (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ-১০ (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	লেখা যখন হয় না (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	পরম বন্ধু প্রদ্যুমন (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সন্ধ্যানদীর জলে :বাংলাদেশ সংকলন (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা (২০২১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''ছোট ও কিশোরদের জন্যে লেখা'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বিদ্যাসাগর (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সকালবেলার আলো (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শব্দ নিয়ে খেলা : বানান বিষয়ক বই {কুন্তক ছদ্মনামে লেখা } (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	রাগ করো না রাগুনী (১৯৮৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সব কিছুতেই খেলনা হয় (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সুপারিবনের সারি (১৯৯০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমন ধানের ছড়া (১৯৯১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কথা নিয়ে খেলা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সেরা ছড়া (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমন যাবে লাট্টু পাহাড় (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোট্ট একটা স্কুল (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বড় হওয়া খুব ভুল (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ওরে ও বায়নাবতী (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বল তো দেখি কেমন হত (২০০৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অল্পবয়স কল্পবয়স (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমায় তুমি লক্ষ্মী বল (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শহরপথের ধুলো (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সুর সোহাগী (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছড়া সংগ্রহ (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোটদের ছড়া কবিতা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছে প্রদীপ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোটদের গদ্য (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আজকে আমার পরীক্ষা নেই (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বক্তৃতা / সাক্ষাৎকার ভিত্তিক সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অন্ধের স্পর্শের মতো (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এক বক্তার বৈঠক: শম্ভু মিত্র (২০০৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কথার পিঠে কথা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জানার বোধ (২০১৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হওয়ার দুঃখ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''অগ্রন্থিত রচনা সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মুখজোড়া লাবণ্য (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অগ্রন্থিত শঙ্খ ঘোষ (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== পুরস্কার ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;মূর্খ বড়, সামাজিক নয়&amp;quot; এর জন্য নরসিংহ দাস পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;বাবরের প্রার্থনা&amp;quot; র জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৮৯ - &amp;quot;ধুম লেগেছে হৃদকমলে&amp;quot; এর জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৯৮ - সরস্বতী সম্মান &amp;quot;গন্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ&amp;quot;র জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - &amp;quot;রক্তকল্যাণ&amp;quot; অনুবাদের জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - বিশ্বভারতীর দ্বারা দেশিকোত্তম পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১০ - বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১১ - ভারত সরকারের পদ্মভূষণ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১৫ - শিবপুর ইন্ডিয়ান ইনস্টটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে ডি. লিট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১৬ - জ্ঞানপীঠ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০২০ - উত্তর ভারতের “অমর উজালা ফাউন্ডেশন”-এর সর্ব্বোচ্চ পুরস্কার “আকাশদীপ”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জীবনাবসান ও শেষকৃত্য ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ ২০২১ খ্রিস্টাব্দের ১২ই এপ্রিল থেকে সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন। দুই দিন পর অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিলে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে কবি হাসপাতালে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন, তাই সেই থেকে তিনি ঘরোয়া নিভৃতবাসে তথা আইসোলেশনেই ছিলেন এবং সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। তবে শেষমেষ কোভিডের সঙ্গে যুদ্ধ করতে না পেরে ২১শে এপ্রিল সকাল আটটা নাগাদ নিজ বাসভবনে তিনি প্রয়াত হন।&lt;br /&gt;
কবির মৃত্যুতে জয় গোস্বামী বলেন, &amp;quot;এক মহা বটবৃক্ষের পতন হল। তিনি ছিলেন জাতির বিবেক&amp;quot;। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, &amp;quot;শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুতে যেন মনে হচ্ছে, মাথার ওপর ছাদ সরে গেল।&amp;quot; তিনি এও বললেন, &amp;quot;আজ মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল&amp;quot;।নিমতলা মহাশশ্মানে কোভিড বিধি মেনে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয়।&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুর আট দিনের মধ্যে তার স্ত্রী প্রতিমা ঘোষও ২০২১ সালের ২৯ শে এপ্রিল ভোর পাঁচ টায় করোনার কারণে প্রয়াত হন।  কবির অনুজ ছিলেন প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক নিত্যপ্রিয় ঘোষ (১৯৩৪-২০২২)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0:Shankho_Ghosh.PNG&amp;diff=3568</id>
		<title>চিত্র:Shankho Ghosh.PNG</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0:Shankho_Ghosh.PNG&amp;diff=3568"/>
				<updated>2023-02-27T16:58:44Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3567</id>
		<title>শঙ্খ ঘোষ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3567"/>
				<updated>2023-02-27T16:51:08Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: /* পুরস্কার */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল ২০২১) ছিলেন একজন ভারতের একজন শক্তিমান বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক। তিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি ছিলেন কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাশের উত্তরসূরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাথমিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ এর আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। শঙ্খ ঘোষ তাঁর লেখক নাম। তাঁর আরেকটি ছদ্ম নাম রয়েছে কুন্তক। তার পিতা মণীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মাতা অমলা ঘোষ। তাঁরা তিন ভাই: সত্যপ্রিয় ঘোষ, চিত্তপ্রিয় ঘোষ এবং নিত্যপ্রিয় ঘোষ। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের চাঁদপুরে জেলায় ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বংশানুক্রমিকভাবে পৈত্রিক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার বানারীপাড়া সদরের ঘোষবাড়িতে শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন। পাবনায় পিতার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং সেখানকার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় কলা বিভাগে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে অবসর নেন। ১৯৬০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাইটার্স ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, শিমলাতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ আডভান্স স্টাডিজ এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার সাহিত্য সাধনা এবং জীবনযাপনের মধ্যে বারবার প্রকাশ পেয়েছে তার রাজনৈতিক সত্তা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের 'নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল' এর বিরুদ্ধে বারবার তাঁকে কলম ধরতে দেখা গেছে। প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজের মতো করে। ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপঞ্জি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''কাব্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এখন সময় নয় (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিহিত পাতালছায়া (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আদিম লতাগুল্মময় (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মূর্খ বড় সামাজিক নয় (১৯৭৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মিনিবুক (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	তুমি তেমন গৌরী নও (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ -১ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রহরজোড়া ত্রিতাল (১৯৮২&lt;br /&gt;
)&lt;br /&gt;
•	মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ধুম লেগেছে হৃদকমলে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ - ২ (১৯৯১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	লাইনেই ছিলাম বাবা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মিনি কবিতার বই (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শবের উপরে শামিয়ানা (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দের ভিতরে এত অন্ধকার (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সমস্ত ক্ষতের মুখে পলি (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মাটিখোঁড়া পুরোনো করোটি (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গোটাদেশজোড়া জউঘর (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হাসিখুশি মুখে সর্বনাশ (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রতি প্রশ্নে জেগে ওঠে ভিটে (২০১২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রিয় ২৫ : কবিতা সংকলন (২০১২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বহুস্বর স্তব্ধ পড়ে আছে (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রেমের কবিতা (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের কবিতাসংগ্রহ (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শুনি নীরব চিৎকার (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এও এক ব্যথা উপশম (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সীমান্তবিহীন দেশে (২০২০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''গদ্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক (১৯৬৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিঃশব্দের তর্জনী (১৯৭১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দের বারান্দা (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এ আমির আবরণ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	উর্বশীর হাসি (১৯৮১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শব্দ আর সত্য (১৯৮২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্মাণ আর সৃষ্টি (১৯৮২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কল্পনার হিস্টোরিয়া (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জার্নাল (১৯৮৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ঘুমিয়ে পড়া এলবাম (১৯৮৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতার মুহূর্ত (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতালেখা কবিতাপড়া (১৯৮৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ঐতিহ্যের বিস্তার (১৯৮৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দময় জীবন (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবির অভিপ্রায় (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এখন সব অলীক ক১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বইয়ের ঘর (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সময়ের জলছবি (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবির বর্ম (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইশারা অবিরত (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এই শহর রাখাল (২০০০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছামতির মশা : ভ্রমণ (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দামিনির গান (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ ১-৬ (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অবিশ্বাসের বাস্তব (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৭ (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সামান্য অসামান্য (২০০৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রেম পদাবলী (২০০৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছেঁড়া ক্যামবিসের ব্যাগ (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সময়পটে শঙ্খ ঘোষ : কবিতা সংকলন (২০০৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ভিন্ন রুচির অধিকার (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আরোপ আর উদ্ভাবন (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বট পাকুড়ের ফেনা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৮ (২০১৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দেখার দৃষ্টি (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আয়ওয়ার ডায়েরি (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : রবীন্দ্রনাথ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : নানা প্রসঙ্গ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত গদ্যলেখা (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৯ (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হে মহাজীবন : রবীন্দ্র প্রসঙ্গ (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বেড়াতে যাবার সিঁড়ি (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অল্প স্বল্প কথা (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিরহং শিল্পী (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ-১০ (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	লেখা যখন হয় না (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	পরম বন্ধু প্রদ্যুমন (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সন্ধ্যানদীর জলে :বাংলাদেশ সংকলন (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা (২০২১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''ছোট ও কিশোরদের জন্যে লেখা'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বিদ্যাসাগর (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সকালবেলার আলো (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শব্দ নিয়ে খেলা : বানান বিষয়ক বই {কুন্তক ছদ্মনামে লেখা } (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	রাগ করো না রাগুনী (১৯৮৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সব কিছুতেই খেলনা হয় (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সুপারিবনের সারি (১৯৯০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমন ধানের ছড়া (১৯৯১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কথা নিয়ে খেলা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সেরা ছড়া (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমন যাবে লাট্টু পাহাড় (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোট্ট একটা স্কুল (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বড় হওয়া খুব ভুল (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ওরে ও বায়নাবতী (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বল তো দেখি কেমন হত (২০০৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অল্পবয়স কল্পবয়স (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমায় তুমি লক্ষ্মী বল (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শহরপথের ধুলো (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সুর সোহাগী (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছড়া সংগ্রহ (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোটদের ছড়া কবিতা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছে প্রদীপ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোটদের গদ্য (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আজকে আমার পরীক্ষা নেই (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বক্তৃতা / সাক্ষাৎকার ভিত্তিক সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অন্ধের স্পর্শের মতো (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এক বক্তার বৈঠক: শম্ভু মিত্র (২০০৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কথার পিঠে কথা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জানার বোধ (২০১৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হওয়ার দুঃখ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''অগ্রন্থিত রচনা সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মুখজোড়া লাবণ্য (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অগ্রন্থিত শঙ্খ ঘোষ (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== পুরস্কার ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;মূর্খ বড়, সামাজিক নয়&amp;quot; এর জন্য নরসিংহ দাস পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;বাবরের প্রার্থনা&amp;quot; র জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৮৯ - &amp;quot;ধুম লেগেছে হৃদকমলে&amp;quot; এর জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৯৮ - সরস্বতী সম্মান &amp;quot;গন্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ&amp;quot;র জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - &amp;quot;রক্তকল্যাণ&amp;quot; অনুবাদের জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - বিশ্বভারতীর দ্বারা দেশিকোত্তম পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১০ - বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১১ - ভারত সরকারের পদ্মভূষণ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১৫ - শিবপুর ইন্ডিয়ান ইনস্টটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে ডি. লিট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০১৬ - জ্ঞানপীঠ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	২০২০ - উত্তর ভারতের “অমর উজালা ফাউন্ডেশন”-এর সর্ব্বোচ্চ পুরস্কার “আকাশদীপ”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জীবনাবসান ও শেষকৃত্য ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ ২০২১ খ্রিস্টাব্দের ১২ই এপ্রিল থেকে সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন। দুই দিন পর অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিলে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে কবি হাসপাতালে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন, তাই সেই থেকে তিনি ঘরোয়া নিভৃতবাসে তথা আইসোলেশনেই ছিলেন এবং সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। তবে শেষমেষ কোভিডের সঙ্গে যুদ্ধ করতে না পেরে ২১শে এপ্রিল সকাল আটটা নাগাদ নিজ বাসভবনে তিনি প্রয়াত হন।&lt;br /&gt;
কবির মৃত্যুতে জয় গোস্বামী বলেন, &amp;quot;এক মহা বটবৃক্ষের পতন হল। তিনি ছিলেন জাতির বিবেক&amp;quot;। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, &amp;quot;শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুতে যেন মনে হচ্ছে, মাথার ওপর ছাদ সরে গেল।&amp;quot; তিনি এও বললেন, &amp;quot;আজ মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল&amp;quot;।নিমতলা মহাশশ্মানে কোভিড বিধি মেনে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয়।&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুর আট দিনের মধ্যে তার স্ত্রী প্রতিমা ঘোষও ২০২১ সালের ২৯ শে এপ্রিল ভোর পাঁচ টায় করোনার কারণে প্রয়াত হন।  কবির অনুজ ছিলেন প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক নিত্যপ্রিয় ঘোষ (১৯৩৪-২০২২)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3566</id>
		<title>শঙ্খ ঘোষ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3566"/>
				<updated>2023-02-27T16:50:10Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: /* গ্রন্থপঞ্জি */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল ২০২১) ছিলেন একজন ভারতের একজন শক্তিমান বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক। তিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি ছিলেন কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাশের উত্তরসূরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাথমিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ এর আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। শঙ্খ ঘোষ তাঁর লেখক নাম। তাঁর আরেকটি ছদ্ম নাম রয়েছে কুন্তক। তার পিতা মণীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মাতা অমলা ঘোষ। তাঁরা তিন ভাই: সত্যপ্রিয় ঘোষ, চিত্তপ্রিয় ঘোষ এবং নিত্যপ্রিয় ঘোষ। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের চাঁদপুরে জেলায় ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বংশানুক্রমিকভাবে পৈত্রিক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার বানারীপাড়া সদরের ঘোষবাড়িতে শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন। পাবনায় পিতার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং সেখানকার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় কলা বিভাগে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে অবসর নেন। ১৯৬০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাইটার্স ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, শিমলাতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ আডভান্স স্টাডিজ এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার সাহিত্য সাধনা এবং জীবনযাপনের মধ্যে বারবার প্রকাশ পেয়েছে তার রাজনৈতিক সত্তা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের 'নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল' এর বিরুদ্ধে বারবার তাঁকে কলম ধরতে দেখা গেছে। প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজের মতো করে। ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপঞ্জি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''কাব্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এখন সময় নয় (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিহিত পাতালছায়া (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আদিম লতাগুল্মময় (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মূর্খ বড় সামাজিক নয় (১৯৭৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মিনিবুক (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	তুমি তেমন গৌরী নও (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ -১ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রহরজোড়া ত্রিতাল (১৯৮২&lt;br /&gt;
)&lt;br /&gt;
•	মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ধুম লেগেছে হৃদকমলে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ - ২ (১৯৯১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	লাইনেই ছিলাম বাবা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মিনি কবিতার বই (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শবের উপরে শামিয়ানা (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দের ভিতরে এত অন্ধকার (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সমস্ত ক্ষতের মুখে পলি (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মাটিখোঁড়া পুরোনো করোটি (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গোটাদেশজোড়া জউঘর (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হাসিখুশি মুখে সর্বনাশ (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রতি প্রশ্নে জেগে ওঠে ভিটে (২০১২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রিয় ২৫ : কবিতা সংকলন (২০১২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বহুস্বর স্তব্ধ পড়ে আছে (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রেমের কবিতা (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের কবিতাসংগ্রহ (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শুনি নীরব চিৎকার (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এও এক ব্যথা উপশম (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সীমান্তবিহীন দেশে (২০২০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''গদ্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক (১৯৬৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিঃশব্দের তর্জনী (১৯৭১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দের বারান্দা (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এ আমির আবরণ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	উর্বশীর হাসি (১৯৮১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শব্দ আর সত্য (১৯৮২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্মাণ আর সৃষ্টি (১৯৮২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কল্পনার হিস্টোরিয়া (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জার্নাল (১৯৮৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ঘুমিয়ে পড়া এলবাম (১৯৮৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতার মুহূর্ত (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবিতালেখা কবিতাপড়া (১৯৮৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ঐতিহ্যের বিস্তার (১৯৮৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছন্দময় জীবন (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবির অভিপ্রায় (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এখন সব অলীক ক১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বইয়ের ঘর (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সময়ের জলছবি (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কবির বর্ম (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইশারা অবিরত (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এই শহর রাখাল (২০০০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছামতির মশা : ভ্রমণ (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দামিনির গান (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ ১-৬ (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অবিশ্বাসের বাস্তব (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৭ (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সামান্য অসামান্য (২০০৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	প্রেম পদাবলী (২০০৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছেঁড়া ক্যামবিসের ব্যাগ (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সময়পটে শঙ্খ ঘোষ : কবিতা সংকলন (২০০৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ভিন্ন রুচির অধিকার (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আরোপ আর উদ্ভাবন (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বট পাকুড়ের ফেনা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৮ (২০১৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দেখার দৃষ্টি (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আয়ওয়ার ডায়েরি (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : রবীন্দ্রনাথ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : নানা প্রসঙ্গ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত গদ্যলেখা (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৯ (২০১৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হে মহাজীবন : রবীন্দ্র প্রসঙ্গ (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বেড়াতে যাবার সিঁড়ি (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অল্প স্বল্প কথা (২০১৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	নিরহং শিল্পী (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ-১০ (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	লেখা যখন হয় না (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	পরম বন্ধু প্রদ্যুমন (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সন্ধ্যানদীর জলে :বাংলাদেশ সংকলন (২০১৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা (২০২১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''ছোট ও কিশোরদের জন্যে লেখা'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বিদ্যাসাগর (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সকালবেলার আলো (১৯৭২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শব্দ নিয়ে খেলা : বানান বিষয়ক বই {কুন্তক ছদ্মনামে লেখা } (১৯৮০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	রাগ করো না রাগুনী (১৯৮৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সব কিছুতেই খেলনা হয় (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সুপারিবনের সারি (১৯৯০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমন ধানের ছড়া (১৯৯১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কথা নিয়ে খেলা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সেরা ছড়া (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমন যাবে লাট্টু পাহাড় (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোট্ট একটা স্কুল (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বড় হওয়া খুব ভুল (২০০২)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ওরে ও বায়নাবতী (২০০৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বল তো দেখি কেমন হত (২০০৫)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অল্পবয়স কল্পবয়স (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আমায় তুমি লক্ষ্মী বল (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	শহরপথের ধুলো (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	সুর সোহাগী (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছড়া সংগ্রহ (২০১০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোটদের ছড়া কবিতা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছে প্রদীপ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	ছোটদের গদ্য (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	আজকে আমার পরীক্ষা নেই (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বক্তৃতা / সাক্ষাৎকার ভিত্তিক সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অন্ধের স্পর্শের মতো (২০০৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	এক বক্তার বৈঠক: শম্ভু মিত্র (২০০৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কথার পিঠে কথা (২০১১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	জানার বোধ (২০১৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	হওয়ার দুঃখ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''অগ্রন্থিত রচনা সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মুখজোড়া লাবণ্য (২০০৯)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অগ্রন্থিত শঙ্খ ঘোষ (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== পুরস্কার ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;মূর্খ বড়, সামাজিক নয়&amp;quot; এর জন্য নরসিংহ দাস পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;বাবরের প্রার্থনা&amp;quot; র জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৮৯ - &amp;quot;ধুম লেগেছে হৃদকমলে&amp;quot; এর জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৯৮ - সরস্বতী সম্মান &amp;quot;গন্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ&amp;quot;র জন্য।&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - &amp;quot;রক্তকল্যাণ&amp;quot; অনুবাদের জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - বিশ্বভারতীর দ্বারা দেশিকোত্তম পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	২০১০ - বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি।&lt;br /&gt;
•	২০১১ - ভারত সরকারের পদ্মভূষণ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	২০১৫ - শিবপুর ইন্ডিয়ান ইনস্টটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে ডি. লিট।&lt;br /&gt;
•	২০১৬ - জ্ঞানপীঠ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	২০২০ - উত্তর ভারতের “অমর উজালা ফাউন্ডেশন”-এর সর্ব্বোচ্চ পুরস্কার “আকাশদীপ”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জীবনাবসান ও শেষকৃত্য ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ ২০২১ খ্রিস্টাব্দের ১২ই এপ্রিল থেকে সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন। দুই দিন পর অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিলে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে কবি হাসপাতালে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন, তাই সেই থেকে তিনি ঘরোয়া নিভৃতবাসে তথা আইসোলেশনেই ছিলেন এবং সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। তবে শেষমেষ কোভিডের সঙ্গে যুদ্ধ করতে না পেরে ২১শে এপ্রিল সকাল আটটা নাগাদ নিজ বাসভবনে তিনি প্রয়াত হন।&lt;br /&gt;
কবির মৃত্যুতে জয় গোস্বামী বলেন, &amp;quot;এক মহা বটবৃক্ষের পতন হল। তিনি ছিলেন জাতির বিবেক&amp;quot;। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, &amp;quot;শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুতে যেন মনে হচ্ছে, মাথার ওপর ছাদ সরে গেল।&amp;quot; তিনি এও বললেন, &amp;quot;আজ মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল&amp;quot;।নিমতলা মহাশশ্মানে কোভিড বিধি মেনে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয়।&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুর আট দিনের মধ্যে তার স্ত্রী প্রতিমা ঘোষও ২০২১ সালের ২৯ শে এপ্রিল ভোর পাঁচ টায় করোনার কারণে প্রয়াত হন।  কবির অনুজ ছিলেন প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক নিত্যপ্রিয় ঘোষ (১৯৩৪-২০২২)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3565</id>
		<title>শঙ্খ ঘোষ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;diff=3565"/>
				<updated>2023-02-27T16:44:56Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল ২০২১) ছিলেন একজন ভ...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল ২০২১) ছিলেন একজন ভারতের একজন শক্তিমান বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক। তিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি ছিলেন কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাশের উত্তরসূরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== প্রাথমিক জীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ এর আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। শঙ্খ ঘোষ তাঁর লেখক নাম। তাঁর আরেকটি ছদ্ম নাম রয়েছে কুন্তক। তার পিতা মণীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মাতা অমলা ঘোষ। তাঁরা তিন ভাই: সত্যপ্রিয় ঘোষ, চিত্তপ্রিয় ঘোষ এবং নিত্যপ্রিয় ঘোষ। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের চাঁদপুরে জেলায় ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বংশানুক্রমিকভাবে পৈত্রিক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার বানারীপাড়া সদরের ঘোষবাড়িতে শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন। পাবনায় পিতার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং সেখানকার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় কলা বিভাগে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে অবসর নেন। ১৯৬০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাইটার্স ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, শিমলাতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ আডভান্স স্টাডিজ এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার সাহিত্য সাধনা এবং জীবনযাপনের মধ্যে বারবার প্রকাশ পেয়েছে তার রাজনৈতিক সত্তা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের 'নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল' এর বিরুদ্ধে বারবার তাঁকে কলম ধরতে দেখা গেছে। প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজের মতো করে। ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গ্রন্থপঞ্জি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''কাব্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
•	এখন সময় নয় (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
•	নিহিত পাতালছায়া (১৯৬৭)&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭০)&lt;br /&gt;
•	আদিম লতাগুল্মময় (১৯৭২)&lt;br /&gt;
•	মূর্খ বড় সামাজিক নয় (১৯৭৪)&lt;br /&gt;
•	বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)&lt;br /&gt;
•	মিনিবুক (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
•	তুমি তেমন গৌরী নও (১৯৭৮)&lt;br /&gt;
•	পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ -১ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
•	প্রহরজোড়া ত্রিতাল (১৯৮২)&lt;br /&gt;
•	মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
•	বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
•	ধুম লেগেছে হৃদকমলে (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
•	কবিতাসংগ্রহ - ২ (১৯৯১)&lt;br /&gt;
•	লাইনেই ছিলাম বাবা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
•	গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
•	মিনি কবিতার বই (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
•	শবের উপরে শামিয়ানা (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
•	ছন্দের ভিতরে এত অন্ধকার (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
•	জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪)&lt;br /&gt;
•	সমস্ত ক্ষতের মুখে পলি (২০০৭)&lt;br /&gt;
•	মাটিখোঁড়া পুরোনো করোটি (২০০৯)&lt;br /&gt;
•	গোটাদেশজোড়া জউঘর (২০১০)&lt;br /&gt;
•	হাসিখুশি মুখে সর্বনাশ (২০১১)&lt;br /&gt;
•	প্রতি প্রশ্নে জেগে ওঠে ভিটে (২০১২)&lt;br /&gt;
•	প্রিয় ২৫ : কবিতা সংকলন (২০১২)&lt;br /&gt;
•	বহুস্বর স্তব্ধ পড়ে আছে (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	প্রেমের কবিতা (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	শঙ্খ ঘোষের কবিতাসংগ্রহ (২০১৫)&lt;br /&gt;
•	শুনি নীরব চিৎকার (২০১৫)&lt;br /&gt;
•	এও এক ব্যথা উপশম (২০১৭)&lt;br /&gt;
•	সীমান্তবিহীন দেশে (২০২০)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''গদ্যগ্রন্থ'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক (১৯৬৯)&lt;br /&gt;
•	নিঃশব্দের তর্জনী (১৯৭১)&lt;br /&gt;
•	ছন্দের বারান্দা (১৯৭২)&lt;br /&gt;
•	এ আমির আবরণ (১৯৮০)&lt;br /&gt;
•	উর্বশীর হাসি (১৯৮১)&lt;br /&gt;
•	শব্দ আর সত্য (১৯৮২)&lt;br /&gt;
•	নির্মাণ আর সৃষ্টি (১৯৮২)&lt;br /&gt;
•	কল্পনার হিস্টোরিয়া (১৯৮৪)&lt;br /&gt;
•	জার্নাল (১৯৮৫)&lt;br /&gt;
•	ঘুমিয়ে পড়া এলবাম (১৯৮৬)&lt;br /&gt;
•	কবিতার মুহূর্ত (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
•	কবিতালেখা কবিতাপড়া (১৯৮৮)&lt;br /&gt;
•	ঐতিহ্যের বিস্তার (১৯৮৯)&lt;br /&gt;
•	ছন্দময় জীবন (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
•	কবির অভিপ্রায় (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
•	এখন সব অলীক ক১৯৯৪)&lt;br /&gt;
•	বইয়ের ঘর (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
•	সময়ের জলছবি (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
•	কবির বর্ম (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
•	ইশারা অবিরত (১৯৯৯)&lt;br /&gt;
•	এই শহর রাখাল (২০০০)&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছামতির মশা : ভ্রমণ (২০০২)&lt;br /&gt;
•	দামিনির গান (২০০২)&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ ১-৬ (২০০২)&lt;br /&gt;
•	অবিশ্বাসের বাস্তব (২০০৩)&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৭ (২০০৩)&lt;br /&gt;
•	সামান্য অসামান্য (২০০৬)&lt;br /&gt;
•	প্রেম পদাবলী (২০০৬)&lt;br /&gt;
•	ছেঁড়া ক্যামবিসের ব্যাগ (২০০৭)&lt;br /&gt;
•	সময়পটে শঙ্খ ঘোষ : কবিতা সংকলন (২০০৮)&lt;br /&gt;
•	ভিন্ন রুচির অধিকার (২০০৯)&lt;br /&gt;
•	আরোপ আর উদ্ভাবন (২০১১)&lt;br /&gt;
•	বট পাকুড়ের ফেনা (২০১১)&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৮ (২০১৩)&lt;br /&gt;
•	দেখার দৃষ্টি (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	আয়ওয়ার ডায়েরি (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : রবীন্দ্রনাথ (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত প্রবন্ধ : নানা প্রসঙ্গ (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	নির্বাচিত গদ্যলেখা (২০১৫)&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ - ৯ (২০১৫)&lt;br /&gt;
•	হে মহাজীবন : রবীন্দ্র প্রসঙ্গ (২০১৬)&lt;br /&gt;
•	বেড়াতে যাবার সিঁড়ি (২০১৬)&lt;br /&gt;
•	অল্প স্বল্প কথা (২০১৬)&lt;br /&gt;
•	নিরহং শিল্পী (২০১৭)&lt;br /&gt;
•	গদ্যসংগ্রহ-১০ (২০১৮)&lt;br /&gt;
•	লেখা যখন হয় না (২০১৯)&lt;br /&gt;
•	পরম বন্ধু প্রদ্যুমন (২০১৯)&lt;br /&gt;
•	সন্ধ্যানদীর জলে :বাংলাদেশ সংকলন (২০১৯)&lt;br /&gt;
•	ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা (২০২১)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''ছোট ও কিশোরদের জন্যে লেখা'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	বিদ্যাসাগর (১৯৫৬)&lt;br /&gt;
•	সকালবেলার আলো (১৯৭২)&lt;br /&gt;
•	শব্দ নিয়ে খেলা : বানান বিষয়ক বই {কুন্তক ছদ্মনামে লেখা } (১৯৮০)&lt;br /&gt;
•	রাগ করো না রাগুনী (১৯৮৩)&lt;br /&gt;
•	সব কিছুতেই খেলনা হয় (১৯৮৭)&lt;br /&gt;
•	সুপারিবনের সারি (১৯৯০)&lt;br /&gt;
•	আমন ধানের ছড়া (১৯৯১)&lt;br /&gt;
•	কথা নিয়ে খেলা (১৯৯৩)&lt;br /&gt;
•	সেরা ছড়া (১৯৯৪)&lt;br /&gt;
•	আমন যাবে লাট্টু পাহাড় (১৯৯৬)&lt;br /&gt;
•	ছোট্ট একটা স্কুল (১৯৯৮)&lt;br /&gt;
•	বড় হওয়া খুব ভুল (২০০২)&lt;br /&gt;
•	ওরে ও বায়নাবতী (২০০৩)&lt;br /&gt;
•	বল তো দেখি কেমন হত (২০০৫)&lt;br /&gt;
•	অল্পবয়স কল্পবয়স (২০০৭)&lt;br /&gt;
•	আমায় তুমি লক্ষ্মী বল (২০০৭)&lt;br /&gt;
•	শহরপথের ধুলো (২০১০)&lt;br /&gt;
•	সুর সোহাগী (২০১০)&lt;br /&gt;
•	ছড়া সংগ্রহ (২০১০)&lt;br /&gt;
•	ছোটদের ছড়া কবিতা (২০১১)&lt;br /&gt;
•	ইচ্ছে প্রদীপ (২০১৪)&lt;br /&gt;
•	ছোটদের গদ্য (২০১৭)&lt;br /&gt;
•	আজকে আমার পরীক্ষা নেই (২০১৮)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বক্তৃতা / সাক্ষাৎকার ভিত্তিক সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	অন্ধের স্পর্শের মতো (২০০৭)&lt;br /&gt;
•	এক বক্তার বৈঠক: শম্ভু মিত্র (২০০৮)&lt;br /&gt;
•	কথার পিঠে কথা (২০১১)&lt;br /&gt;
•	জানার বোধ (২০১৩)&lt;br /&gt;
•	হওয়ার দুঃখ (২০১৪)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''অগ্রন্থিত রচনা সংকলন'''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	মুখজোড়া লাবণ্য (২০০৯)&lt;br /&gt;
•	অগ্রন্থিত শঙ্খ ঘোষ (২০১৭)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== পুরস্কার ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;মূর্খ বড়, সামাজিক নয়&amp;quot; এর জন্য নরসিংহ দাস পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৭৭ - &amp;quot;বাবরের প্রার্থনা&amp;quot; র জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৮৯ - &amp;quot;ধুম লেগেছে হৃদকমলে&amp;quot; এর জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৯৮ - সরস্বতী সম্মান &amp;quot;গন্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ&amp;quot;র জন্য।&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - &amp;quot;রক্তকল্যাণ&amp;quot; অনুবাদের জন্য সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	১৯৯৯ - বিশ্বভারতীর দ্বারা দেশিকোত্তম পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	২০১০ - বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি।&lt;br /&gt;
•	২০১১ - ভারত সরকারের পদ্মভূষণ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	২০১৫ - শিবপুর ইন্ডিয়ান ইনস্টটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে ডি. লিট।&lt;br /&gt;
•	২০১৬ - জ্ঞানপীঠ পুরস্কার।&lt;br /&gt;
•	২০২০ - উত্তর ভারতের “অমর উজালা ফাউন্ডেশন”-এর সর্ব্বোচ্চ পুরস্কার “আকাশদীপ”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জীবনাবসান ও শেষকৃত্য ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষ ২০২১ খ্রিস্টাব্দের ১২ই এপ্রিল থেকে সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন। দুই দিন পর অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিলে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে কবি হাসপাতালে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন, তাই সেই থেকে তিনি ঘরোয়া নিভৃতবাসে তথা আইসোলেশনেই ছিলেন এবং সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। তবে শেষমেষ কোভিডের সঙ্গে যুদ্ধ করতে না পেরে ২১শে এপ্রিল সকাল আটটা নাগাদ নিজ বাসভবনে তিনি প্রয়াত হন।&lt;br /&gt;
কবির মৃত্যুতে জয় গোস্বামী বলেন, &amp;quot;এক মহা বটবৃক্ষের পতন হল। তিনি ছিলেন জাতির বিবেক&amp;quot;। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, &amp;quot;শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুতে যেন মনে হচ্ছে, মাথার ওপর ছাদ সরে গেল।&amp;quot; তিনি এও বললেন, &amp;quot;আজ মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল&amp;quot;।নিমতলা মহাশশ্মানে কোভিড বিধি মেনে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয়।&lt;br /&gt;
শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুর আট দিনের মধ্যে তার স্ত্রী প্রতিমা ঘোষও ২০২১ সালের ২৯ শে এপ্রিল ভোর পাঁচ টায় করোনার কারণে প্রয়াত হন।  কবির অনুজ ছিলেন প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক নিত্যপ্রিয় ঘোষ (১৯৩৪-২০২২)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6&amp;diff=3564</id>
		<title>শ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6&amp;diff=3564"/>
				<updated>2023-02-27T16:41:30Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[শংকর চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শংকর মঠ, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শঙ্কর সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শঙ্কু মহারাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শঙ্খ ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শচীন্দ্রনাথ করগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শফিকুল মন্নান, শহীদ অধ্যাপক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শম্ভুচন্দ্র বাচস্পতি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরৎ চন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরৎ কুমার ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরৎকুমার রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরিকলের যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরীফ নূরুল হুদা, অধ্যাপক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ রোড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শর্ষিনার যুদ্ধ, পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শর্ষিনার পির সাহেব]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শশিভূষণ দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শশিভূষণ ভট্টাচার্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শশীকুমার তর্কতীর্থ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শহীদ লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শহীদ মুহাম্মদ নাসিরউদ্দিন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তি ঘোষ (দাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তিরঞ্জন পালিত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তিরঞ্জন বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তি রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তিসুধা ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শামসুদ্দীন আবুল কালাম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শামসুল হক চৌধুরী]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তা খান ও বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তানগর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তাবাদের জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তাবাদের সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ আহম্মদ, হজরত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ করিম বকস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ কামাল, হজরত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ চেরাগ আলম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহবাজপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহে আলম, বীরউত্তম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিকারপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিকারপুরের উগ্রতারা মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিক্ষক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিব নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবনারায়ণ রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবপুর গির্জা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবপুরের তালুকদার ফ্রেরাফেলডা আলজোস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবপুর মসজিদ, বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবানন্দ সরস্বতী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিশিরকুমার বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শুক্তাগড় মসজিদ, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শুক্লা বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শুভ গুহঠাকুরতা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেখ কবির মাহমুদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেখ শাহ্ খুদগীর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেখ শাহাবুদ্দিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেফালী রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈবালকুমার গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন পাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন্দ্র বিশ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শোলকের মজুমদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্যামপুর  যুদ্ধ, বাকেরগঞ্জ, ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্রীনিকেতন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, কুয়াকাটা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্রীরামপুরের মিয়া পরিবার]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8_%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE&amp;diff=3563</id>
		<title>ইয়ারউদ্দিন খলিফা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8_%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE&amp;diff=3563"/>
				<updated>2023-02-25T15:49:38Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: /* কারামত: */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;ইয়ারউদ্দিন খলিফা দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম  সুফি সাধক ও বুজুর্গ ব্যক্তি। তাঁর মাজার মির্জাগঞ্জে অবস্থিত হলেও  তার পৈতৃক নিবাস মূলত ছিল শরীয়তপুর জেলায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ও কৈশোর: ==&lt;br /&gt;
মির্জাগঞ্জের আধ্যাত্মিক সাধক ইয়ার উদ্দিন খলিফা শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার রাজনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল সরাই খা। সরাই খা’র ছিল তিন ছেলে: মদন খা, ইয়ার উদ্দিন খা ও আদম খা। আর ছিল এক মেয়ে।  নাম মরিয়ম বেগম। ইয়ারউদ্দিন খাঁর জন্ম হয়েছিল আনুমানিক বাংলা ১২৫৮ মোতাবেক ইংরেজি ১৮৫১ সালে। জানা যায় ইয়ার উদ্দিন খান এর পিতা সরাই খা হাজী শরীয়ত উল্লাহর সহকর্মী ছিলেন।  ইয়ার উদ্দিন খাঁ এবং তার ভাই আদম খানের বংশধরদের কেউ বেঁচে নেই। তবে তার বড় ভাই মদন খার তিন ছেলে ছিল সুলতান খা, ওফাজ উদ্দিন খাঁ, এবং আজিজ খা। তন্মধ্যে আজিজ খানের সন্তান-সন্ততি বা বংশধর এখনো বেঁচে আছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইয়ারউদ্দিন খলিফা বাল্যকালে পিতাকে হারানোর পরে মায়ের সাথে তাদের নানা বাড়িতে ধামসি গ্রামে চলে আসেন। এই গ্রামে নবু দরবেশ নামে এক লোকের কাছে তিনি কোরআন পড়া শেখেন। পরবর্তীতে এই গ্রামের আইয়ুব আলী সর্দারের কাছেও তিনি দ্বীনি শিক্ষা লাভ করেন। ইয়ার উদ্দিন খলিফা শিক্ষাজীবন মূলত এ পর্যন্তই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বিবাহ ও মির্জাগঞ্জে আগমন: ==&lt;br /&gt;
ইয়ার উদ্দিন খলিফা অনেকটা অল্প বয়সেই শরীয়তপুর জেলার পালং থানার দেওভোগ গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে বিয়ে করেন।  তার স্ত্রীর নাম ছিল ফাতেমা বেগম। তাদের এক সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল। তার নাম রাখা হয়েছিল পবন খা। একদিন কলেরায় আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী ফাতেমা বেগম এবং পুত্র  পবন খা  মৃত্যুবরণ করেন।  স্ত্রী ও পুত্র বিয়োগে ইয়ার উদ্দিন খলিফা দিশেহারা হয়ে পড়েন।  তিনি শোকে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যেতে মনস্থ করেন।  তখন ফরিদপুর এলাকা থেকে  মানুষেরা ধান-সুপারির ব্যবসার জন্য দক্ষিণবঙ্গে আসতো। তিনিও তাদের সাথে দক্ষিণবঙ্গে চলে আসেন।  দক্ষিণবঙেগ তিনি শ্রীমন্ত নদীর পাড়ে থাকার জন্য খড়-কুটার একটি ঘর তৈরি করেন থাকার জন্য। এরপর মির্জাগঞ্জে স্টীমারঘাটের পাশের সুড়ঙ্গের মতো একটি পথের ধারে একটি একচালা ছাপড়ার ঘর তৈরি করেন এবং সেখানে সুচ-সুতা দিয়ে সেলাই করে টুপি, পাঞ্জাবি ইত্যাদি বানিয়ে সামান্য রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এই কাজ যারা করতো তাদের গ্রামের লোকেরা খলিফা বলতো বিধায় ইয়ারউদ্দিন খা লোকমুখে পরিবর্তিত হয়ে ইয়ার উদ্দিন খলিফা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ও আধ্যাত্মিক সাধনা: ==&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
ইয়ারউদ্দিন খলিফা এই দরজি কাজ থেকে কিছু পয়সা সঞ্চয় করে নদীর পাড়ের জমি ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কায় কেউ পত্তনি নেয় না বিধায় তাঁর বর্তমান দরগাহ এলাকায় খুব কম মূল্যে ২৫ শতাংশ জমি নবাবের নিকট থেকে পত্তনি লাভ করেন। এই জমি পেয়ে তাঁর ছাপড়া ঘরটি আরেকটু বড় করে দরজিগিরির সাথে সাথে সেখানে কিছু মুদি মালামালও বিক্রয় শুরু করেন। আরও পরে গ্রামীণ লোকজনের সুবিধার্থে তিনি এই মুদি মালামাল দূরের হাটগুলোতেও হাটবার দিনে নিয়ে যেতেন এবং হাট শেষে আবার নৌকায় নিয়ে স্টিমারঘাটে তাঁর ঠিকানায় চলে আসতেন। তাঁর এই কাজে তাঁর সহযোগৗ ছিল স্থানীয় বাসন্দা গগন মল্লিক। গগন মল্লিক ধীরে ধীরে তাঁর কাজের সহযোগী হওয়ার সাথে সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক চর্চারও সাথী হয়ে উঠেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইয়ারউদ্দিন খলিফার আধ্যাত্মিক চর্চা কোনো তরিকতের পিরের সবকের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল না, বরং তাঁর আধ্যাত্মিক চর্চা ছিল সাধারণ ইবাদতবন্দেগি, জিকিরআজকার ও সার্বক্ষণিক সৎকর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি হাটে গিয়ে তার মুদি মালামাল হাটের ছাপড়া ঘরের নিচে সাজিয়ে নিজে চটের ওপর বসে কোরান তেলাওয়াতে বা জিকিরে মশগুল হয়ে যেতেন। খদ্দের আসলে তাদেরকেই তিনি নিজ হাতে মেপে সওদা নিয়ে টাকা রেখে যেতে বলতেন। কেউ মাপে একটু বেশি নিয়েছে এমনটা অন্য কেউ যদি বলেও দিতে চাইতেন, খলিফা সাহেব বলতেন- ‘যাক, বাবা, না বলি, লোকটি লজ্জা পাবে’। এই ছিল খলিফা সাহেবের সৎকর্মের নমুনা এবং ইহাই ছিল তাঁর আধ্যাত্মিকতার ধরন। এবাদতবন্দেগি, সদব্যবসা, কম খাদ্যগ্রহণ আর সবসময় খোদার ভাবনায় মশগুল থাকা এই ছিল তার সাকুল্য আধ্যাত্মিকতা আর সাকুল্য বুজুর্গিয়াত। সাধারণ মানুষের পক্ষে এই বুজুর্গিয়াত সম্বন্ধে ধারণা করাই সম্ভব হতো না, যদি তাঁর কিছু কারামত বা অলৌকিক ঘটনা মানুষের কাছে ধরা না পড়তো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কারামত: ==&lt;br /&gt;
তাঁর জীবদ্দশায় এবং এমনকি মৃত্যুর পরেও অনেক কারামতের ঘটনা জনগণের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক) একবার নবাব বাড়ির কিছু কর্মচারী  খলিফা সাহেবের বাগান থেকে একটি বড় পাকা কাঁঠাল চুরি করে এবং কাছারিতে নিয়ে ভেঙে দেখে তার ভিতরে একটিও কোষ নেই। তারা জানে খলিফার বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে এলাকার মানুষেরা তাঁকে বলে কাঁঠাল নিয়ে খায় এবং কাঁঠালের খুব প্রশংসা করে। তাদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনার কোনো নজির নেই। অথচ এতবড় পাকা কাঁঠালটির বেলায় এমন ঘটলো, এটা নিঃসন্দেহে খলিফার নিকট না বলে খাওয়ার কারণে তাঁর কারামতে ঘটেছে মর্মে তারা বুঝতে পারে। এই উপলব্ধি থেকে তাঁরা এসে ইয়ারউদ্দিন খলিফার নিকট পুরো ঘটনা খুলে বলে এবং মাফ চায়। খলিফা খুশি হয়ে তাদেরকে বাগান থেকে আরেকটি কাঁঠাল নিয়ে যেতে বলেন এবং সে কাঁঠাল একেবারে কোষপূর্ণ এবং অত্যন্ত সুমিষ্ট হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খ) একবার মির্জাগঞ্জ থানার দারোগা মেসের আহম্মদ তাঁর মাঝিকে দিয়ে খলিফাকে হাদিয়া স্বরূপ এক ঝুড়ি কৈ মাছ পাঠান। দারোগা কৈ মাছ পাঠিয়েছেন শুনে খলিফা ঐ মাঝিকেই বলেন মাছগুলো তাঁর বাড়ির নদীর ঘাটে পানিতে ছেড়ে দিতে। মাঝির কাছে এই বর্ণনা শুনে দারোগা খলিফার প্রতি মারাত্মক ক্ষুব্ধ হন। দারোগা মাঝিকে আদেশ দিলেন খলিফার কাছে গিয়ে তাঁর দেয়া কৈ মাছ ফেরত চাইতে। মাঝি এসে কৈ মাছ ফেরত চাইলে খলিফা সাহেব মাঝির নিকট থেকে ঝুড়িটা নিয়ে নদীর ঘাটের পানিতে ডুবিয়ে ধরলেন। কৈ মাছগুলো ঝুড়িতে চলে আসলো। এভাবে কৈ মাছ ফেরত পেয়ে দারোগা মেসের আহম্মদ বিস্ময়বিমূঢ় হয়ে খলিফার পায়ের নিকট এসে ক্ষমা চাইলেন এবং এরপর থেকে দারোগা মেসের আহম্মদ ইয়ারউদ্দিন খলিফার এক চিরকালীন ভক্তে পরিণত হলেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ) খলিফা সাহেবের মৃত্যুর চার/পাঁচ বছর পরে আরএসএন কোম্পানির পটুয়াখালিগামী একটি স্টিমার একবার দুই যাত্রীকে টিকিটের টাকা দিতে না পারায় লাঞ্ছিত করে সুবিদখালিতে নামিয়ে দেয়। অসহায় লোকদুটো খলিফার মাজারের নিকট এসে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করে। স্টিমারটি সুবিদখালি থেকে এই মাজারের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ছিদ্র হয়ে যায়। মানুষগুলো ধীরে ধীরে নেমে যাওয়ার পরে স্টীমারটি নদীতে তলিয়ে যায়। ডুবুরি এনে জাহাজটি তুলতে গেলে হিন্দু ডুবুরি জাহাজে দড়ি বাঁধতে গিয়ে দেখে সেখানে এক দাড়ি টুপি পরা লোক বসে বসে কোরান পড়ছেন। জাহাজ কোম্পানির লোকেরা এই কথা শুনে বুঝতে পারে তাদের জাহাজ ডুবেছে মূলত জাহাজে লাঞ্ছিত দুজন কর্তৃক খলিফা সাহেবের মাজারে এসে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদের কারণে। তারা এবার ভুল বুঝতে পেরে খলিফার দরবারে শিরনি মানত করে এবং খলিফার মাজার চতুর্দিক দিয়ে পাকা করে দেয়। এই ঘটনার পর থেকে খলিফার মাজারে শিরনি মানতের প্রথা শুরু হয় বলে অনেকে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মৃত্যু: ==&lt;br /&gt;
খলিফা সাহেবের শেষ জীবনে তাঁর ভাতিজা সুলতান খা তাঁকে তাদের তৎকালীন বাসস্থান শরীয়তপুরের ধামসিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য মির্জাগঞ্জ আসেন। কিন্তু সুলতান খা মির্জাগঞ্জ এসে এখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান। খলিফা সাহেব নিজ হাতে ভাতিজাকে শ্রীমন্ত নদীর পাশে আমগাছের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদে মেজভাই ওফাজ উদ্দিন খা মির্জাগঞ্জ আসেন। ওফাজ উদ্দিন খাকে তিনি কথা দেন বেঁচে থাকলে পরের শ্রাবণ মাসে শরীয়তপুরে যাবেন। আনুমানিক বাংলা ১৩২৮ সালের সেই শ্রাবণ মাসেই দুদিন জ্বর ভোগ করে খলিফা সাহেব চলে যান, তবে শরীয়তপুরে নয়, বরং তাঁর চিরস্থায়ী নিবাস পরপারে। বাংলা ১৩২৮ সালের শ্রাবণ মোতাবেক সম্ভবত সেই দিনটি ১৯২১ সালের জুলাই মাসের শেষার্ধের কোনো এক দিন।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== খলিফা সাহেবের মাজার: ==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের বেশিরভাগ বুজুর্গদের মাজারের মতোই খলিফা সাহেবের মাজারেও তহবিল তছরুপ ও বেদাতি কর্মকাণ্ডের ঘটনা চলছিল। এই অবস্থা থেকে মাজারকে পবিত্র রূপে ইসলামের খেদমতে ফিরিয়ে আনতে ১৯৯০ এর দশকে উদ্যোগ নেন স্থানীয় আবদুল মান্নান নামক এক ব্যক্তি। তাঁর আবেদনে ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি এবং এম এ মান্নান হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করে। কমিটির ইসি নং ১৭৪৭৭। এই কমিটির ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার পর থেকে এই দরগাহ ইসলাম ও জনগণের কল্যাণে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণে সক্ষম হয়েছে। ক) এই দরগায় দেড়শত ইয়াতিম শিক্ষার্থীকে তিনবেলা খাবার সুবিধা দিয়ে লেখাপড়া করানোর একটি ইয়াতিম খানা চালু রয়েছে। খ) ৩৫০ ছাত্রের জন্য একটি সিনিয়র মাদ্রাসা রয়েছে যেখানে ছাত্ররা তিন বেলা লিল্লাহ বোর্ডিঙে খাবার পায়। গ) দেড়শত ছাত্রের একটি হেফজখানা রয়েছে। ঘ) একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে যেখানে দরগাহর অর্থে শিক্ষার্থীদেরকে দুপুরে খাবার দেয়া হয়। ঙ) দুইশত অনাথদুঃস্থকে নিয়মিত দুবেলা খাবার দেয়া হয়। চ) ১৫০ জন শিক্ষার্থীর একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল পরিচালিত হয়। ছ) মসজিদের ইমাম. মুয়াজ্জিন, খাদেম, দরগার খাদেম, মাদ্রাসার শিক্ষক প্রমুখের প্রায় ১০০ জনকে মাসিক বেতনভাতা দরগার আয় থেকে পরিশোধ করা হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান। ''যুগশ্রেষ্ঠ অলী মরহুম হযরত ইয়ারউদ্দিন খলিফা সাহেব (রহঃ)''। মির্জাগঞ্জ দরবার শরীফ। ২০১৪।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8_%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE&amp;diff=3562</id>
		<title>ইয়ারউদ্দিন খলিফা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8_%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE&amp;diff=3562"/>
				<updated>2023-02-25T15:49:10Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;ইয়ারউদ্দিন খলিফা দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম  সুফি সাধক ও বুজু...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;ইয়ারউদ্দিন খলিফা দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম  সুফি সাধক ও বুজুর্গ ব্যক্তি। তাঁর মাজার মির্জাগঞ্জে অবস্থিত হলেও  তার পৈতৃক নিবাস মূলত ছিল শরীয়তপুর জেলায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ও কৈশোর: ==&lt;br /&gt;
মির্জাগঞ্জের আধ্যাত্মিক সাধক ইয়ার উদ্দিন খলিফা শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার রাজনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল সরাই খা। সরাই খা’র ছিল তিন ছেলে: মদন খা, ইয়ার উদ্দিন খা ও আদম খা। আর ছিল এক মেয়ে।  নাম মরিয়ম বেগম। ইয়ারউদ্দিন খাঁর জন্ম হয়েছিল আনুমানিক বাংলা ১২৫৮ মোতাবেক ইংরেজি ১৮৫১ সালে। জানা যায় ইয়ার উদ্দিন খান এর পিতা সরাই খা হাজী শরীয়ত উল্লাহর সহকর্মী ছিলেন।  ইয়ার উদ্দিন খাঁ এবং তার ভাই আদম খানের বংশধরদের কেউ বেঁচে নেই। তবে তার বড় ভাই মদন খার তিন ছেলে ছিল সুলতান খা, ওফাজ উদ্দিন খাঁ, এবং আজিজ খা। তন্মধ্যে আজিজ খানের সন্তান-সন্ততি বা বংশধর এখনো বেঁচে আছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইয়ারউদ্দিন খলিফা বাল্যকালে পিতাকে হারানোর পরে মায়ের সাথে তাদের নানা বাড়িতে ধামসি গ্রামে চলে আসেন। এই গ্রামে নবু দরবেশ নামে এক লোকের কাছে তিনি কোরআন পড়া শেখেন। পরবর্তীতে এই গ্রামের আইয়ুব আলী সর্দারের কাছেও তিনি দ্বীনি শিক্ষা লাভ করেন। ইয়ার উদ্দিন খলিফা শিক্ষাজীবন মূলত এ পর্যন্তই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বিবাহ ও মির্জাগঞ্জে আগমন: ==&lt;br /&gt;
ইয়ার উদ্দিন খলিফা অনেকটা অল্প বয়সেই শরীয়তপুর জেলার পালং থানার দেওভোগ গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে বিয়ে করেন।  তার স্ত্রীর নাম ছিল ফাতেমা বেগম। তাদের এক সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল। তার নাম রাখা হয়েছিল পবন খা। একদিন কলেরায় আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী ফাতেমা বেগম এবং পুত্র  পবন খা  মৃত্যুবরণ করেন।  স্ত্রী ও পুত্র বিয়োগে ইয়ার উদ্দিন খলিফা দিশেহারা হয়ে পড়েন।  তিনি শোকে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যেতে মনস্থ করেন।  তখন ফরিদপুর এলাকা থেকে  মানুষেরা ধান-সুপারির ব্যবসার জন্য দক্ষিণবঙ্গে আসতো। তিনিও তাদের সাথে দক্ষিণবঙ্গে চলে আসেন।  দক্ষিণবঙেগ তিনি শ্রীমন্ত নদীর পাড়ে থাকার জন্য খড়-কুটার একটি ঘর তৈরি করেন থাকার জন্য। এরপর মির্জাগঞ্জে স্টীমারঘাটের পাশের সুড়ঙ্গের মতো একটি পথের ধারে একটি একচালা ছাপড়ার ঘর তৈরি করেন এবং সেখানে সুচ-সুতা দিয়ে সেলাই করে টুপি, পাঞ্জাবি ইত্যাদি বানিয়ে সামান্য রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এই কাজ যারা করতো তাদের গ্রামের লোকেরা খলিফা বলতো বিধায় ইয়ারউদ্দিন খা লোকমুখে পরিবর্তিত হয়ে ইয়ার উদ্দিন খলিফা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কর্মজীবন ও আধ্যাত্মিক সাধনা: ==&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
ইয়ারউদ্দিন খলিফা এই দরজি কাজ থেকে কিছু পয়সা সঞ্চয় করে নদীর পাড়ের জমি ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কায় কেউ পত্তনি নেয় না বিধায় তাঁর বর্তমান দরগাহ এলাকায় খুব কম মূল্যে ২৫ শতাংশ জমি নবাবের নিকট থেকে পত্তনি লাভ করেন। এই জমি পেয়ে তাঁর ছাপড়া ঘরটি আরেকটু বড় করে দরজিগিরির সাথে সাথে সেখানে কিছু মুদি মালামালও বিক্রয় শুরু করেন। আরও পরে গ্রামীণ লোকজনের সুবিধার্থে তিনি এই মুদি মালামাল দূরের হাটগুলোতেও হাটবার দিনে নিয়ে যেতেন এবং হাট শেষে আবার নৌকায় নিয়ে স্টিমারঘাটে তাঁর ঠিকানায় চলে আসতেন। তাঁর এই কাজে তাঁর সহযোগৗ ছিল স্থানীয় বাসন্দা গগন মল্লিক। গগন মল্লিক ধীরে ধীরে তাঁর কাজের সহযোগী হওয়ার সাথে সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক চর্চারও সাথী হয়ে উঠেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইয়ারউদ্দিন খলিফার আধ্যাত্মিক চর্চা কোনো তরিকতের পিরের সবকের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল না, বরং তাঁর আধ্যাত্মিক চর্চা ছিল সাধারণ ইবাদতবন্দেগি, জিকিরআজকার ও সার্বক্ষণিক সৎকর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি হাটে গিয়ে তার মুদি মালামাল হাটের ছাপড়া ঘরের নিচে সাজিয়ে নিজে চটের ওপর বসে কোরান তেলাওয়াতে বা জিকিরে মশগুল হয়ে যেতেন। খদ্দের আসলে তাদেরকেই তিনি নিজ হাতে মেপে সওদা নিয়ে টাকা রেখে যেতে বলতেন। কেউ মাপে একটু বেশি নিয়েছে এমনটা অন্য কেউ যদি বলেও দিতে চাইতেন, খলিফা সাহেব বলতেন- ‘যাক, বাবা, না বলি, লোকটি লজ্জা পাবে’। এই ছিল খলিফা সাহেবের সৎকর্মের নমুনা এবং ইহাই ছিল তাঁর আধ্যাত্মিকতার ধরন। এবাদতবন্দেগি, সদব্যবসা, কম খাদ্যগ্রহণ আর সবসময় খোদার ভাবনায় মশগুল থাকা এই ছিল তার সাকুল্য আধ্যাত্মিকতা আর সাকুল্য বুজুর্গিয়াত। সাধারণ মানুষের পক্ষে এই বুজুর্গিয়াত সম্বন্ধে ধারণা করাই সম্ভব হতো না, যদি তাঁর কিছু কারামত বা অলৌকিক ঘটনা মানুষের কাছে ধরা না পড়তো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== কারামত: ==&lt;br /&gt;
তাঁর জীবদ্দশায় এবং এমনকি মৃত্যুর পরেও অনেক কারামতের ঘটনা জনগণের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক) একবার নবাব বাড়ির কিছু কর্মচারী  খলিফা সাহেবের বাগান থেকে একটি বড় পাকা কাঁঠাল চুরি করে এবং কাছারিতে নিয়ে ভেঙে দেখে তার ভিতরে একটিও কোষ নেই। তারা জানে খলিফার বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে এলাকার মানুষেরা তাঁকে বলে কাঁঠাল নিয়ে খায় এবং কাঁঠালের খুব প্রশংসা করে। তাদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনার কোনো নজির নেই। অথচ এতবড় পাকা কাঁঠালটির বেলায় এমন ঘটলো, এটা নিঃসন্দেহে খলিফার নিকট না বলে খাওয়ার কারণে তাঁর কারামতে ঘটেছে মর্মে তারা বুঝতে পারে। এই উপলব্ধি থেকে তাঁরা এসে ইয়ারউদ্দিন খলিফার নিকট পুরো ঘটনা খুলে বলে এবং মাফ চায়। খলিফা খুশি হয়ে তাদেরকে বাগান থেকে আরেকটি কাঁঠাল নিয়ে যেতে বলেন এবং সে কাঁঠাল একেবারে কোষপূর্ণ এবং অত্যন্ত সুমিষ্ট হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খ) একবার মির্জাগঞ্জ থানার দারোগা মেসের আহম্মদ তাঁর মাঝিকে দিয়ে খলিফাকে হাদিয়া স্বরূপ এক ঝুড়ি কৈ মাছ পাঠান। দারোগা কৈ মাছ পাঠিয়েছেন শুনে খলিফা ঐ মাঝিকেই বলেন মাছগুলো তাঁর বাড়ির নদীর ঘাটে পানিতে ছেড়ে দিতে। মাঝির কাছে এই বর্ণনা শুনে দারোগা খলিফার প্রতি মারাত্মক ক্ষুব্ধ হন। দারোগা মাঝিকে আদেশ দিলেন খলিফার কাছে গিয়ে তাঁর দেয়া কৈ মাছ ফেরত চাইতে। মাঝি এসে কৈ মাছ ফেরত চাইলে খলিফা সাহেব মাঝির নিকট থেকে ঝুড়িটা নিয়ে নদীর ঘাটের পানিতে ডুবিয়ে ধরলেন। কৈ মাছগুলো ঝুড়িতে চলে আসলো। এভাবে কৈ মাছ ফেরত পেয়ে দারোগা মেসের আহম্মদ বিস্ময়বিমূঢ় হয়ে খলিফার পায়ের নিকট এসে ক্ষমা চাইলেন এবং এরপর থেকে দারোগা মেসের আহম্মদ ইয়ারউদ্দিন খলিফার এক চিরকালীন ভক্তে পরিণত হলেন। &lt;br /&gt;
গ) খলিফা সাহেবের মৃত্যুর চার/পাঁচ বছর পরে আরএসএন কোম্পানির পটুয়াখালিগামী একটি স্টিমার একবার দুই যাত্রীকে টিকিটের টাকা দিতে না পারায় লাঞ্ছিত করে সুবিদখালিতে নামিয়ে দেয়। অসহায় লোকদুটো খলিফার মাজারের নিকট এসে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করে। স্টিমারটি সুবিদখালি থেকে এই মাজারের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ছিদ্র হয়ে যায়। মানুষগুলো ধীরে ধীরে নেমে যাওয়ার পরে স্টীমারটি নদীতে তলিয়ে যায়। ডুবুরি এনে জাহাজটি তুলতে গেলে হিন্দু ডুবুরি জাহাজে দড়ি বাঁধতে গিয়ে দেখে সেখানে এক দাড়ি টুপি পরা লোক বসে বসে কোরান পড়ছেন। জাহাজ কোম্পানির লোকেরা এই কথা শুনে বুঝতে পারে তাদের জাহাজ ডুবেছে মূলত জাহাজে লাঞ্ছিত দুজন কর্তৃক খলিফা সাহেবের মাজারে এসে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদের কারণে। তারা এবার ভুল বুঝতে পেরে খলিফার দরবারে শিরনি মানত করে এবং খলিফার মাজার চতুর্দিক দিয়ে পাকা করে দেয়। এই ঘটনার পর থেকে খলিফার মাজারে শিরনি মানতের প্রথা শুরু হয় বলে অনেকে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== মৃত্যু: ==&lt;br /&gt;
খলিফা সাহেবের শেষ জীবনে তাঁর ভাতিজা সুলতান খা তাঁকে তাদের তৎকালীন বাসস্থান শরীয়তপুরের ধামসিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য মির্জাগঞ্জ আসেন। কিন্তু সুলতান খা মির্জাগঞ্জ এসে এখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান। খলিফা সাহেব নিজ হাতে ভাতিজাকে শ্রীমন্ত নদীর পাশে আমগাছের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদে মেজভাই ওফাজ উদ্দিন খা মির্জাগঞ্জ আসেন। ওফাজ উদ্দিন খাকে তিনি কথা দেন বেঁচে থাকলে পরের শ্রাবণ মাসে শরীয়তপুরে যাবেন। আনুমানিক বাংলা ১৩২৮ সালের সেই শ্রাবণ মাসেই দুদিন জ্বর ভোগ করে খলিফা সাহেব চলে যান, তবে শরীয়তপুরে নয়, বরং তাঁর চিরস্থায়ী নিবাস পরপারে। বাংলা ১৩২৮ সালের শ্রাবণ মোতাবেক সম্ভবত সেই দিনটি ১৯২১ সালের জুলাই মাসের শেষার্ধের কোনো এক দিন।  &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== খলিফা সাহেবের মাজার: ==&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের বেশিরভাগ বুজুর্গদের মাজারের মতোই খলিফা সাহেবের মাজারেও তহবিল তছরুপ ও বেদাতি কর্মকাণ্ডের ঘটনা চলছিল। এই অবস্থা থেকে মাজারকে পবিত্র রূপে ইসলামের খেদমতে ফিরিয়ে আনতে ১৯৯০ এর দশকে উদ্যোগ নেন স্থানীয় আবদুল মান্নান নামক এক ব্যক্তি। তাঁর আবেদনে ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি এবং এম এ মান্নান হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করে। কমিটির ইসি নং ১৭৪৭৭। এই কমিটির ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার পর থেকে এই দরগাহ ইসলাম ও জনগণের কল্যাণে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণে সক্ষম হয়েছে। ক) এই দরগায় দেড়শত ইয়াতিম শিক্ষার্থীকে তিনবেলা খাবার সুবিধা দিয়ে লেখাপড়া করানোর একটি ইয়াতিম খানা চালু রয়েছে। খ) ৩৫০ ছাত্রের জন্য একটি সিনিয়র মাদ্রাসা রয়েছে যেখানে ছাত্ররা তিন বেলা লিল্লাহ বোর্ডিঙে খাবার পায়। গ) দেড়শত ছাত্রের একটি হেফজখানা রয়েছে। ঘ) একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে যেখানে দরগাহর অর্থে শিক্ষার্থীদেরকে দুপুরে খাবার দেয়া হয়। ঙ) দুইশত অনাথদুঃস্থকে নিয়মিত দুবেলা খাবার দেয়া হয়। চ) ১৫০ জন শিক্ষার্থীর একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল পরিচালিত হয়। ছ) মসজিদের ইমাম. মুয়াজ্জিন, খাদেম, দরগার খাদেম, মাদ্রাসার শিক্ষক প্রমুখের প্রায় ১০০ জনকে মাসিক বেতনভাতা দরগার আয় থেকে পরিশোধ করা হয়। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান। ''যুগশ্রেষ্ঠ অলী মরহুম হযরত ইয়ারউদ্দিন খলিফা সাহেব (রহঃ)''। মির্জাগঞ্জ দরবার শরীফ। ২০১৪।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%87&amp;diff=3561</id>
		<title>ই</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%87&amp;diff=3561"/>
				<updated>2023-02-25T15:44:21Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;''(এই অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া পৃষ্ঠাগুলো)''&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইংরেজদের দখলে বরিশালের বাণিজ্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইংরেজদের দখলে বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইংরেজ বণিকদের সাথে বরিশালের প্রাথমিক সংগ্রাম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইদিলপুর]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইদ্রাকপুর পরগণাা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইন্দ্রকাঠি বাংলা মসজিদ, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইন্দ্রপাশার কেল্লা, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইন্দ্রলাল রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইমাম উদ্দিন, সৈয়দ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইয়াকুব মিয়া, মুহাম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইয়ারউদ্দিন খলিফা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইয়াসিন হাওলাদার, মুন্সি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইসমাইল চৌধুরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইসলাম দর্শন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ইসহাক চাখারী]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=3560</id>
		<title>উজিরপুর উপজেলা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=3560"/>
				<updated>2023-02-15T02:33:38Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: /* উজিরপুর উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;১৯১৫ খৃস্টাব্দের প্রতিবেদনে দেখা যায় বরিশাল সদর উত্তর মহকুমার ৬টি থানার একটি হলো উজিরপুর। ১৪/৯/১৯৮৩ তারিখে থানাটি উপজেলায় উন্নীত হয়। উল্লেখ্য, নি¤œলিখিত প্রত্যেক ব্যক্তি, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও ঘটনা নিয়ে অত্র বরিশালপিডিয়ায় একটি করে স্বতন্ত্র নিবন্ধ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== উজিরপুর সদর অঞ্চলের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	কালীপ্রসন্ন বিদ্যারতœ মহামহোপাধ্যায় (১৮৪৮ - ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩০), প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক।&lt;br /&gt;
২.	সরোজিনী দেবী (১৮৮১ -  ১৯৬০) বিপ্লবী ও স্বদেশাত্মক গানের রচয়িতা।&lt;br /&gt;
৩.	সতীশচন্দ্র রায় (১৮৮২ -  ১৯০৪) শান্তিনিকেতনের শিক্ষক।&lt;br /&gt;
৪.	নগেন্দ্র বিজয় ভট্টাচার্য (১৮৮৫ - ১৩ই নভেম্বর ১৯৬৭) জগদীশ সারস্বত বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি।&lt;br /&gt;
৫.	খন্দকার সিরাজুর রহমান (১৯০১ - ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮৯) বাংলাদেশ ফায়ার ব্রিগেডের আদি ও বিকাশ পর্যায়ের পুরোধা ব্যক্তিত্ব।&lt;br /&gt;
৬.	রতেœশ্বর মুখোপাধ্যায় (১৯০৮ - ১৩ নভেম্বর ১৯৮০), সংগীতশিল্পী; মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পিতৃব্য।&lt;br /&gt;
৭.	সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায় (১৯১২-৮.৭.১৯৯৯), কাজী নজরুল ইসলামের ছাত্র ও ঘনিষ্ঠ সঙ্গী এবং নজরুল-সংগীতের বিশিষ্ট শিল্পী।&lt;br /&gt;
৮.	মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় (১১.৮.১৯২৯-১৯.১.১৯৯২), প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও সুরকার।&lt;br /&gt;
৯.	মেজর এম এ জলিল (৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৪২ -  ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮) মুক্তিযুদ্ধের ৯ম সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বামরাইল ইউনিয়নের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ ==&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	সরদার ফজলুল করিম (১ মে ১৯২৫ -  ১৫ জুন ২০১৪) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বরেণ্য দার্শনিক; গ্রাম:  আটিপাড়া। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== বড়াকোঠা ইউনিয়নের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	মফিজ উদ্দিন আহম্মদ (১৮৭২ -   ১৯২৮), লোকাল বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘বঙ্গমিহির’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা; গ্রাম: গাজীপাড়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== গুঠিয়া ইউনিয়নের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	পূর্ণানন্দ স্বামী, মহারাজ: (? -  ১৩ নভেম্বর ১৯৩৬), সাধুপুরষ; শিষ্যদের কাছে তাঁর লিখিত পত্রাবলি ‘বেদবাণী’ নামে তিনখ-ে প্রকাশিত; গ্রাম: গুঠিয়া।&lt;br /&gt;
২.	অমিয়কুমার সেন (৭ আগস্ট ১৮৯৬ - ১৮জুলাই ১৯৮০), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক; গ্রাম: গুঠিয়া।&lt;br /&gt;
৩.	সুধীররঞ্জন সেন পঞ্চতীর্থ (১৩ এপ্রিল ১৯০৪ -  ৬ মে ১৯৬২), আয়ুর্বেদশাস্ত্রের অধ্যাপক ও বিখ্যাত গীতাভাষ্যকার; গ্রাম: গুঠিয়া।&lt;br /&gt;
৪.	অরুণকুমার সেন (১৮ এপ্রিল ১৯০৫ -  ১৭ আগস্ট ১৯৮৫), বিশিষ্ট অধ্যাপক; কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বছরের বি.কম-এর পাঠ্যসূচির তিনি রচয়িতা; অমিয়কুমার সেনের ভাই; গ্রাম: গুঠিয়া।&lt;br /&gt;
৫.	শান্তি রায় (৪.৯.১৯২৭- ২৩.৪.২০০২) নকশালবাড়ি কৃষক সংগ্রামে সহায়ক কমিটির অন্যতম প্রধান সংগঠক;  গ্রাম: রায়ভদ্রাদি।&lt;br /&gt;
৬.	মজিবর রহমান বীরবিক্রম (? -  ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), বীরবিক্রম মুক্তিযোদ্ধা; গ্রাম: কমলাপুর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ওটরা ইউনিয়নের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	নিশিকান্ত বসু (জন্ম ১৮৭৩ -  ২৭ জুলাই ১৯৩৯), ‘স্বদেশ বান্ধব সমিতি’র প্রথম সম্পাদক, ‘উন্নতি বিধায়িনী সমিতি’র প্রতিষ্ঠাতা ও ‘বঙ্গীয় হিতসাধন ম-লী’র প্রধান কর্মী;  গ্রাম: হাবিবপুর।&lt;br /&gt;
২.	বিপদবারণ সরকার (১৮৮৫ -  ১৯৮০), ফিল্টারহীন টিউবওয়েলসহ বিভিন্ন পদ্ধতির টিউবওয়েলের আবিষ্কারক; গ্রাম: হাবিবপুর।&lt;br /&gt;
৩.	শান্তিরঞ্জন বসু (৩ মার্চ ১৯০৮ -  ১৮  ডিসেম্বর ১৯৮৪), কবিগুরু কর্তৃক বিশ্বভারতীর পল্লী¬সংগঠন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত;  নিশিকান্ত বসুর পুত্র; গ্রাম: হাবিবপুর।&lt;br /&gt;
৪.	ড. অজিতনারায়ণ বসু (১০ ফেব্রুয়ারি ১৯২৭ -  ২৮ নভেম্বর ২০০৪) একজন বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী, খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ এবং খড়গপুর আই. আই. টি.’র অধ্যাপক; গ্রাম: হাবিবপুর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== শোলক ইউনিয়নের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	হজরত মাহমুদ ইদ্রাক (সপ্তদশ শতক) সুবাদার শায়েস্তা খানের সাথে বাংলাদেশে আগমনকারী ইসলাম প্রচারক; গ্রাম: ধামুরা। &lt;br /&gt;
২.	আভা গান্ধী (১৬ এপ্রিল ১৯৩১ -  ??), মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র কানুর স্ত্রী; গ্রাম: শোলক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== উজিরপুরের পুরাকীর্তিসমূহ ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	শিকারপুরের উগ্রতারা মন্দির&lt;br /&gt;
২.	পির ইদ্রাকের মাজার, ধামুরা।&lt;br /&gt;
৩.	দ্বাদশ শিবমন্দির, শোলক।&lt;br /&gt;
৪.	বাইতুল আমান মসজিদ, চাংগুরিয়া, গুঠিয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== উজিরপুরের সামন্ত পরিবার ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.	শোলকের মজুমদার পরিবার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== উজিরপুর উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ ==&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
১. আলতাফ হোসেন বীরবিক্রম, পিতা আবদুল ছোবহান মোল্লা ভবানীপুর, বাবুগঞ্জ থানা দখলের সময় যুদ্ধে শহীদ। ২. সোনামদ্দিন খলিফা, চাঙ্গুরিয়া। ৩. নুরুল ইসলাম, ডহরপাড়া। ৪.  লতিফ হাওলাদার, ডহরপাড়া।  ৫. মন্নান, ডহরপাড়া। ৬. আশ্রাব আলী, ডহরপাড়া। ৭. তারক চন্দ্র সাহা, উজিরপুর। ৮. মনিক মিয়া, বরাকোটা।  ৯. হাফিজুল আলম, বরাকোটা। ১০. আবদুল খালেক, বরাকোটা। ১১.  সৈজদ্দিন ব্যাপারী, বরাকোটা। ১২. হাশেম, বরাকোটা। ১৩. সৈয়দ আলী ব্যাপারী, বরাকোটা। ১৪. রোহিনী কুমার বারৈ, মালেকবাড়ী-মহর। ১৫. আবুল কালাম হাওলাদার, কেশবকাঠি। ১৬. মফিজউদ্দিন, পুত্র মোতালেব, ভরসাকাটি। ১৭. হাজেরা বেগম, গাজিরপার। ১৮. সুরেশ চন্দ্র, বাংলা, খাটিয়ালপাড়া। ১৯. মোকসেদ আলী মাঝি, গুঠিয়া। ২০. মুকুন্দ লাল সাহা, হারতা। ২১. মোজাম্মেল হক, পিতা খবির উদ্দিন সরদার, কাংশী; ভোলার গুইংগারহাট যুদ্ধে শহীদ। ২২. নুরুল হক সরদার, বরাকোটা। ২৩. মহেন্দ্র নাথ হালদার, বরাকোটা। ২৩. নেয়াম উদ্দীন, বরাকোটা। ২৪. কার্তিক জমাদ্দার, মালিপাড়া। ২৫. হাসেম আলী হাওলাদর, গুটিয়া। ২৫. মেনাজ হাওলাদার, মহার। ২৬. হারুন-অর রশিদ আকন, হস্তিশুন্ড। ২৭. আবুল কালাম, কেশবকাটি। ২৮. ক্ষিরোদ চন্দ্র হালদার, রায়েরকাঠি। ২৯. ফজলুল হক হাওলাদার, গাববাড়ী; কুষ্টিয়া যুদ্ধে শহীদ। ৩০. নিশিকান্ত হাওলাদার, সাতলা; ১৬ জুন সাতলা গ্রামে অনেকের সাথে ত্যাগ করা হয় । ৩১. বঙিম চন্দ্র ঘোষ, দত্তস্বর। ৩২. নীল কান্ত দে মোক্তার, হারতা। ৩৩. মহেন্দ্রনাথ সাহা, হারতা। ৩৪. জব্বার বেপারী কাংশী বরাকোটা অপারেশনে নিহত। ৩৫. মজিদ হাওলাদার মু-পাশা, গুইংগারহাট যুদ্ধে শহীদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস (১ম খন্ড)। ভাস্কর প্রকাশনী, ঢাকা। ২০১০। ২। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান। ৩। রুসেলি রহমান চৌধুরী, বরিশালের প্রয়াত গুণীজন। ৪। বাংলাপিডিয়া।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3559</id>
		<title>মিহির সেনগুপ্ত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3559"/>
				<updated>2023-01-25T17:13:11Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মিহির সেনগুপ্ত বিভাগোত্তর বাংলার দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক। বৃহত্তর বরিশাল তথা চন্দ্রদ্বীপের জীবন ও সমাজকে তুলে ধরে এবং চান্দ্রদ্বীপি ভাষার তেজকে কাজকে লাগিয়ে যে মুষ্টিমেয় কয়েকজন কথাসাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন মিহির সেনগুপ্ত। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:মিহির সেন.jpg]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3558</id>
		<title>মিহির সেনগুপ্ত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3558"/>
				<updated>2023-01-25T17:09:36Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মিহির সেনগুপ্ত দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[চিত্র:মিহির সেন.jpg]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0:%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8.jpg&amp;diff=3557</id>
		<title>চিত্র:মিহির সেন.jpg</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0:%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8.jpg&amp;diff=3557"/>
				<updated>2023-01-25T17:08:16Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3556</id>
		<title>মিহির সেনগুপ্ত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4&amp;diff=3556"/>
				<updated>2023-01-25T17:07:47Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;মিহির সেনগুপ্ত দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক।&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মিহির সেনগুপ্ত দক্ষিণবঙ্গের এক কীর্তিমান লেখক।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE&amp;diff=3555</id>
		<title>ম</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE&amp;diff=3555"/>
				<updated>2023-01-25T17:02:05Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[মকসুদুল্লাহ (রহ.), তালগাছিয়ার পীরসাহেব]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মগের আন্ধি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মজিবর রহমান বীরবিক্রম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মঠবাড়িয়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মঠবাড়িয়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মঠবাড়িয়া কুঠিবাড়ি, পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মতিউর রহমান, যোগাযোগমন্ত্রী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মণিকুন্তলা সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মণীন্দ্রকুমার ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মণ্ডলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মদন মোহন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মদনমোহন মন্দির, চকবাজার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনপুরা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনিরুজ্জামান রাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনীন্দ্রকুমার ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনীন্দ্রনাথ রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনীন্দ্রনাথ সমাজদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোজ কাহালী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন সিকদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন গুহঠাকুরতা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোরঞ্জন বড়াল]]&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
[[মনোরমা বসু মাসীমা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মনোহর মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মফিজ উদ্দিন আহম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মমিন মসজিদ, মঠবাড়িয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মল্লিকপুর মসজিদ, নলছিটি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মসজিদবাড়ির মসজিদ, মির্জাগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মসিহুর রহমান, মহম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহাত্মা গান্ধী ও মাওলানা মুহাম্মদ আলীর বরিশালে আগমন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহানামব্রত ব্রহ্মচারী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহামায়া মন্দির, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহিউদ্দিন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহেন্দ্রনাথ দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহেন্দ্র নারায়ণ রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মহেন্দ্রলাল বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাখন রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাতৃবক্ষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাদারকাঠির শিব মন্দির, বানারীপাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধবকর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধব দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধবপাশা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাধবপাশা রাজবাড়ি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানপাশা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানিক বাহিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মানিক সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহমুদ ইদ্রাক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহমুদ জামে আকন্দ মসজিদ/ মামুজামা মসজিদ, গালুয়া, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহমুদিয়া মাদ্রাসা, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহিলারা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহিলারা মঠ, গৌরনদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মাহের উদ্দীন ফকির (রঃ), হযরত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিয়াবাড়ি মসজিদ ও স্মৃতিসৌধ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিয়াবাড়ি মসজিদ, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মির্যাজান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মির্জাগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মির্জাগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিশ্রি পাড়া বৌদ্ধ মন্দির, খেপুপাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মিহির সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীননাথ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীর ফজলে আলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীর মাশায়েখ শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মীর মাশায়েখ শাহ (রঃ)-এর মাজার, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুআযযামুদ্দীন সাঈদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুকুন্দ দাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুকুল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধকালে বরিশালে অবস্থানরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে পটুয়াখালী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে বরিশাল (তৎকালীন বরিশাল মহকুমা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুক্তিযুদ্ধে ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুনএম, এম. এ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুন্সি আমিরুল্লার মসজিদ, দশমিনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুন্সী মুহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুলাদী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুলাদী উপজেলার শহীদ মুক্তযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুসলিম লীগ, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ আবদুল খালেক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ এমদাদ আলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ নফিজর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহম্মদ ফাজেল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ ইব্রাহিম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ হোসেন চৌধুরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মুহাম্মদ হোসেন (রঃ), নৈকাঠির হুজুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মৃণালকুমার দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেজর এম এ জলিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেদাকুল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেদী আলী ইমাম বীরবিক্রম, মেজর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দীগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেন্দিগঞ্জের মসজিদ, বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মেহেরুন্নেছা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মৈত্রেয়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোখলেছুর রহমান, ডা.]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোগল আমলে প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোগলদের বিরুদ্ধে চন্দ্রদ্বীপের স্বাধীনতা যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোজাম্মেল হক,  মোহাম্মদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোতাহার উদ্দিন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোতাহার হোসেন, সৈয়দ নবাবজাদা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোফাজ্জল হক, এডভোকেট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোয়াজ্জেম হোসেন, লে. কমান্ডার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোয়াজ্জেম হোসেন (রহ.), হদুয়ার পীরসাহেব]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোস্তফা কামাল, বীরশ্রেষ্ঠ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহন মিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহন মুরালী বাদশার কেচ্ছা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ কামরুল হাসান সেলিম, লে., বীরপ্রতীক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ কাসেম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ তক্কী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ বাকেরের মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহাম্মদ হায়াত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[মোহিত চট্টোপাধ্যায়]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8&amp;diff=3554</id>
		<title>মণিকুন্তলা সেন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8&amp;diff=3554"/>
				<updated>2021-09-03T17:28:31Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;অবিভক্ত বাংলার প্রথম সারির মহিলা নেত্রী ও বঙ্গীয় প্রাদেশিক মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাত্রী মণিকুন্তলার (১১.১২.১৯১০- ১১.৯.১৯৮৭) আদি নিবাস বরিশাল। পিতা বিলাসচন্দ্র সেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরিশালে ছাত্রাবস্থাতেই স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। বরিশাল বি.এম. কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করে এম.এ. পড়তে কলকাতায় আসেন। কর্মজীবনে ১৯৩৭/৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে দীর্ঘদিন মেট্রোপলিটন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। তিরিশের দশকে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়ে কিছুকালের মধ্যেই কমিউনিস্ট ও মহিলা আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী বলে স্বীকৃতি পান। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে মহাদুর্ভিক্ষের সময় মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির নেতৃত্বে যে ভুখামিছিলটি বিধানসভা অভিযান করে তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হকের কাছ থেকে ঘটনাস্থলেই আংশিক দাবি আদায় করে, মণিকুন্তলা ছিলেন সেই মিছিলের প্রাণবন্ত নেত্রী। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে কমিউনিস্ট পার্টি বেআইনি ঘোষিত হওয়ার সময় তিনি বিনা বিচারে আটক হন। জেল থেকে ছাড়া পেয়েই আত্মগোপন করে মহিলাদের মধ্যে কাজ করতে থাকেন। আবার খড়গপুরে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে ছাড়া পান। এসময়ে জেলে বন্দিদের ৫১ দিনব্যাপী ঐতিহাসিক অনশন ধর্মঘটে তিনি অংশ নেন। অনশন চলাকালে শাস্তিস্বরূপ তাঁকে কিছুদিন পাগলদের সঙ্গে একঘরে আটক রাখা হয। ১৯৫২-৬২ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতার কালীঘাট কেন্দ্র থেকে বিধানসভার সদস্য এবং সেখানে বিরোধীপক্ষের সহকারী নেত্রী নির্বাচিত হন। বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে তাঁর অসাধারণ বাগ্মিতা, দরিদ্র মানুষের সংগ্রামের সঙ্গে তাঁর একাত্মতা- পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয়। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার ভারতীয় মহিলা ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠা সম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক। মহিলা ফেডারেশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার যুগ্ম সম্পাদিকা নির্বাচিত হন। এই বছর ঐতিহাসিক শিক্ষক ধর্মঘট উপলক্ষ্যে তিনি গ্রেপ্তারবরণ করেন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহিলা আন্দোলনেও তাঁর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে লুসানে অনুষ্ঠিত মাতৃ-সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেত্রী ছিলেন। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের পর সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গেলেও মহিলা আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। ‘সেদিনের কথা’ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এককালের কমিউনিস্ট পার্টির কলকাতা জেলা সম্পাদক কাশ্মিরের সন্তান জলি কল (Jolly Kaul) ছিলেন তাঁর স্বামী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8&amp;diff=3553</id>
		<title>মণিকুন্তলা সেন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8&amp;diff=3553"/>
				<updated>2021-09-03T17:21:17Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;অবিভক্ত বাংলার প্রথম সারির মহিলা নেত্রী ও বঙ্গীয় প্রাদেশিক মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাত্রী মণিকুন্তলার (১১.১২.১৯১০- ১১.৯.১৯৮৭) আদি নিবাস বরিশাল। পিতা বিলাসচন্দ্র সেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরিশালে ছাত্রাবস্থাতেই স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। বরিশাল বি.এম. কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করে এম.এ. পড়তে কলকাতায় আসেন। কর্মজীবনে ১৯৩৭/৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে দীর্ঘদিন মেট্রোপলিটন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। তিরিশের দশকে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়ে কিছুকালের মধ্যেই কমিউনিস্ট ও মহিলা আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী বলে স্বীকৃতি পান। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে মহাদুর্ভিক্ষের সময় মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির নেতৃত্বে যে ভুখামিছিলটি বিধানসভা অভিযান করে তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হকের কাছ থেকে ঘটনাস্থলেই আংশিক দাবি আদায় করে, মণিকুন্তলা ছিলেন সেই মিছিলের প্রাণবন্ত নেত্রী। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে কমিউনিস্ট পার্টি বেআইনি ঘোষিত হওয়ার সময় তিনি বিনা বিচারে আটক হন। জেল থেকে ছাড়া পেয়েই আত্মগোপন করে মহিলাদের মধ্যে কাজ করতে থাকেন। আবার খড়গপুরে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে ছাড়া পান। এসময়ে জেলে বন্দিদের ৫১ দিনব্যাপী ঐতিহাসিক অনশন ধর্মঘটে তিনি অংশ নেন। অনশন চলাকালে শাস্তিস্বরূপ তাঁকে কিছুদিন পাগলদের সঙ্গে একঘরে আটক রাখা হয। ১৯৫২-৬২ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতার কালীঘাট কেন্দ্র থেকে বিধানসভার সদস্য এবং সেখানে বিরোধীপক্ষের সহকারী নেত্রী নির্বাচিত হন। বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে তাঁর অসাধারণ বাগ্মিতা, দরিদ্র মানুষের সংগ্রামের সঙ্গে তাঁর একাত্মতা- পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয়। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার ভারতীয় মহিলা ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠা সম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক। মহিলা ফেডারেশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার যুগ্ম সম্পাদিকা নির্বাচিত হন। এই বছর ঐতিহাসিক শিক্ষক ধর্মঘট উপলক্ষ্যে তিনি গ্রেপ্তারবরণ করেন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহিলা আন্দোলনেও তাঁর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে লুসানে অনুষ্ঠিত মাতৃ-সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেত্রী ছিলেন। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের পর সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গেলেও মহিলা আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। ‘সেদিনের কথা’ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এককালের কমিউনিস্ট পার্টির কলকাতা জেলা সম্পাদক জলি কল তাঁর স্বামী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%B2_%E0%A6%AC%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0,_%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE&amp;diff=3552</id>
		<title>শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, কুয়াকাটা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%B2_%E0%A6%AC%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0,_%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE&amp;diff=3552"/>
				<updated>2021-08-20T09:10:20Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;পুটয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় কুয়াকাটার নামকরণ হয়েছে...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পুটয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় কুয়াকাটার নামকরণ হয়েছে যে কুয়ার কারণে সেই কুয়ার সামনে রয়েছ একটি বৌদ্ধবিহার যার নাম শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার। কাঠের তৈরি এই মন্দির কয়েক বছর আগে ভেঙে দালান তৈরি করা হয়েছে। তবে মন্দিরের মধ্যে এখনো রয়েছে প্রায় ৩৭ মণ ওজনের অষ্টধাতুর তৈরি প্রাচীন এক বুদ্ধ মূর্তি। ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর ও ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার তাণ্ডবে মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীরে জার্মান দূতাবাসের সহযোগিতায় এর সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: কুয়াকাটা অনন্যা পটুয়াখালী সাগরকন্যা। জেলা প্রশাসন পটুয়াখালী। ২০২০।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6&amp;diff=3551</id>
		<title>শ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B6&amp;diff=3551"/>
				<updated>2021-08-20T09:09:23Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[শংকর চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শংকর মঠ, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শঙ্কর সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শঙ্কু মহারাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শচীন্দ্রনাথ করগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শফিকুল মন্নান, শহীদ অধ্যাপক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শম্ভুচন্দ্র বাচস্পতি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরৎ চন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরৎ কুমার ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরৎকুমার রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরিকলের যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শরীফ নূরুল হুদা, অধ্যাপক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ রোড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শর্ষিনার যুদ্ধ, পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শর্ষিনার পির সাহেব]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শশিভূষণ দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শশিভূষণ ভট্টাচার্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শশীকুমার তর্কতীর্থ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শহীদ লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শহীদ মুহাম্মদ নাসিরউদ্দিন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তি ঘোষ (দাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তিরঞ্জন পালিত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তিরঞ্জন বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তি রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শান্তিসুধা ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শামসুদ্দীন আবুল কালাম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শামসুল হক চৌধুরী]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তা খান ও বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তানগর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তাবাদের জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শায়েস্তাবাদের সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ আহম্মদ, হজরত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ করিম বকস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ কামাল, হজরত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহ চেরাগ আলম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহবাজপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শাহে আলম, বীরউত্তম]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিকারপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিকারপুরের উগ্রতারা মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিক্ষক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিব নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবনারায়ণ রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবপুর গির্জা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবপুরের তালুকদার ফ্রেরাফেলডা আলজোস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবপুর মসজিদ, বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিবানন্দ সরস্বতী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শিশিরকুমার বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শুক্তাগড় মসজিদ, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শুক্লা বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শুভ গুহঠাকুরতা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেখ কবির মাহমুদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেখ শাহ্ খুদগীর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেখ শাহাবুদ্দিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেফালী রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈবালকুমার গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন পাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শৈলেন্দ্র বিশ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শোলকের মজুমদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্যামপুর  যুদ্ধ, বাকেরগঞ্জ, ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্রীনিকেতন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, কুয়াকাটা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[শ্রীরামপুরের মিয়া পরিবার]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=3550</id>
		<title>পটুয়াখালী জেলা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=3550"/>
				<updated>2021-08-20T08:55:07Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;পটুয়াখালী জেলা ঐতিহাসিক প্রাচীনতায় বরিশাল বিভাগের দ্...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;পটুয়াখালী জেলা ঐতিহাসিক প্রাচীনতায় বরিশাল বিভাগের দ্বিতীয় জেলা। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== ইতিহাস: ==&lt;br /&gt;
 ১৮০৭ সালে মি. বেটি বরিশালের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে আসেন। দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবন কেটে বসত বৃদ্ধি পাওয়ায় মি. বেটির শাসনামলেই ১৮১২ সালে পটুয়াখালীকে নিয়ে গঠন করা হয় মির্জাগঞ্জ থানা। পরবর্তীতে দেওয়ানী শাসন প্রসারের জন্য ১৮১৭ সালে বরিশালে ৪টি মুন্সেফি চৌকি স্থাপন করা হয়। এগুলো হলো বাউফল, কাউখালি, মেহেন্দিগঞ্জ ও কোটের হাট চৌকি। বাউফল চৌকির প্রথম মুন্সেফ ছিলেন ব্রজমোহন দত্ত। পরবর্তীতে ১৮৬০ সালের ১লা জুন বাউফল থেকে চৌকি স্থানান্তরিত হয় লাউকাঠিতে। জমিদার হৃদয় শঙ্করের পুত্র কালিকা প্রসাদ রায়ের নামানুসারে লাউকাঠির দক্ষিণ পড়ের নামকরণ হয় কালিকাপুর। এখানেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে মহকুমা শহর। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রজমোহন দত্ত প্রথম পটুয়াখালীতে মহকুমা প্রতিষ্ঠা করার প্রস্তাব দেন। ১৮৬৭ সালের ২৭ মার্চ কলিকাতা গেজেটে পটুয়াখালী মহকুমা সৃষ্টির ঘোষণা প্রকাশিত হয়। ১৮৭১ সালে পটুয়াখালী মহকুমায় রূপান্তরিত হয়। মহকুমার নামকরণ হয় পটুয়াখালী। মহকুমা সদর অফিস স্থাপিত হয় কালীবাড়ি পুকুরের পূর্ব পাড়ে। তখন ব্রজমোহন দত্ত মুন্সেফ ও ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দুই পদেই অধিষ্ঠিত হন। এর ১০০ বছর পরে ১৯৬৯ সালে পটুয়াখালী উন্নীত হয় জেলায়। ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি খুলনা বিভাগের কমিশনার জেলা প্রশাসকের দরবার হলে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। একই বছরের ৯ মার্চ পটুয়াখালী জেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ভাইস এডমিরাল এস এম আহসান। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকগণের তালিকা: ==&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। জনাব হাবিবুল ইসলাম (১/১/১৯৬৯ -  ১/৩/১৯৭১); ২। জনাব আবদুল আওয়াল (১/৩/১৯৭১ -  ৩১/১২/১৯৭১); ৩। জনাব বি. বি. বিশ^াস (১/১/১৯৭২ -  ২৫/২/১৯৭২); ৪। জনাব পি. কে. সমাদ্দার (২৫/২/১৯৭২ -  ৫/৮/১৯৭৩); ৫। জনাব এম ইউ আহমেদ খান (৩/৮/১৯৭৩ -   ৩/৮/১৯৭৩ -  ৬/৪/১৯৭৩); ৬। জনাব মোঃ আবদুস সাত্তার (২২/৪/১৯৭৪ -  ২১/১০/১৯৭৫); ৭। জনাব জে. এ. খন্দকার (২১/১০/১৯৭৫ -  ১/৯/১৯৭৬); ৮। জনাব আবদুস শাকুর (৯/১১/১৯৭৬ -  ২০/৩/১৯৭৮); ৯। জনাব আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (২১/৩/১৯৭৮ -  ২০/৮/১৯৮১); ১০। জনাব মোঃ আজিজুল হক (২১/৮/১৯৮১ -  ২৭/৬/১৯৮৫); ১১। জনাব ওয়ালি উল্লাহ সিদ্দিকি (২৫/৬/১৯৮৫ -  ৩০/৭/১৯৮৭); ১২। জনাব মোঃ হেমায়েত উদ্দিন তালুকদার (২৩/৭/১৯৮৭ -  ১/১০/১৯৮৯); ১৩। জনাব মোঃ খালেকুজ্জামান (৩০/৯/১৯৮৯ -  ২৪/৫/১৯৯০); ১৪। জনাব শেখ মোঃ সালাহউদ্দিন (১৯/৬/১৯৯০ -  ২০/৮/১৯৯২); ১৫। জনাব মোঃ ইয়াহিয়া মোল্লা (১৫/৮/১৯৯২ -  ১৬/৮/১৯৯৫); ১৬। জনাব মোঃ শহীদুল্লাহ মিয়া (১৪/৮/১৯৯৫ -  ২১/১০/১৯৯৬); ১৭। জনাব এম হাবিবুল্লাহ (১৭/১০/১৯৯৬ -  ৮/৭/১৯৯৯); ১৮। জনাব আবদুস সামাদ (১০/৭/১৯৯৯ -  ৩০/৪/২০০১); ১৯। জনাব মাহমুদুল করিম (২৮/৩/২০০১ -  ৩০/৭/২০০১); ২০। জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম (৬/৮/২০০১ -  ১৬/১০/২০০২); ২১। জনাব প্রশান্ত ভূষণ বড়–য়া (১৭/১০/২০০২ -  ১২/৫/২০০৫); ২২। জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম (১১/৫/২০০৫ -  ২৭/৯/২০০৬); ২৩। জনাব হাসান জাহাঙ্গীর আলম (২৭/৯/২০০৬ -  ২৩/১১/২০০৬); ২৪। জনাব এ জি এম মীর মশিউর আলম (২৩/১১/২০০৬ -  ৩১/৮/২০০৮); ২৫। জনাব মোঃ রিয়াজ আহমেদ (৩১/৮/২০০৮ -  ৩১/৫/২০১০); ২৬। জনাব মোঃ ইউছুব আলী মোল্লা (ভারপ্রাপ্ত) (১/৬/২০১০ -  ৩০/৬/২০১০); ২৭। জনাব মোহাম্মদ ইউসুফ (১/৭/২০১০ -  ১১/৮/২০১১); ২৮। জনাব গোলাম মোঃ হাসিবুল আলম (১০/৮/২০১১ -  ২৬/৪/২০১২); ২৯। জনাব অমল কৃষ্ণ মন্ডল (ভারপ্রাপ্ত)  (২৬/৪/২০১২ -  ২৪/৫/২০১২); ৩০। জনাব অমিতাভ সরকার (২৪/৫/২০১২ -  ২৮/১/২০১৬); ৩১। জনাব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী (২৮/১/২০১৬ -  ১১/৫/২০১৭); ৩২। ড. মোঃ মাছুমুর রহমান (১২/৫/২০১৭ -  ৯/১০/২০১৮); ৩৩। জনাব মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরী (৯/১০/২০১৮ -   )&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: কুয়াকাটা অনন্যা পটুয়াখালী সাগরকন্যা। জেলা প্রশাসন পটুয়াখালী। ২০২০।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA&amp;diff=3549</id>
		<title>প</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AA&amp;diff=3549"/>
				<updated>2021-08-20T08:53:33Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[পঙ্কজকান্তি দাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পঞ্চম আলী হাওলাদার, গাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী জেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ বা বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী মহকুমার এসডিও’গণ (১৯০১-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী মুক্ত দিবস, ৭ ডিসেম্বর  ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালীর মুক্তিযুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালীর সত্যাগ্রহ আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালি সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পটুয়াখালী সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পথিক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরমানন্দ বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরমানন্দ বসুর সমাজ সমীকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরিমল বাহিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পরেশলাল রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পল্লীসেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাথরঘাটা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাথরঘাটা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাথরঘাটার (জ্ঞানপাড়া) চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাদ্রী শিবপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পানপট্টির যুদ্ধ, পটুয়াখালী, ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পান্নালাল ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পায়রা বন্দর, পটুয়াখালি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পাষাণময়ী কালী মন্দির, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পির ইদ্রাকের মাজার, উজিরপুর, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর মুক্ত দিবস, ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর হিতৈষী]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুরে বৃটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুর মহকুমার এসডিও’গণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পলাশীর যুদ্ধ ও ইংরেজদের দখলে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পিয়ারীমোহন দাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পীতাম্বর সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পূর্ণানন্দ স্বামী, মহারাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পোনাবালিয়ার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[পোনাবালিয়ার জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্যারীমোহন দাশ গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্যারেরা, জন ফ্রান্সিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রতাপ চন্দ্র মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রতাপ নারায়ণ বসু (রাজা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রতিভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রফুল্লমুখী বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রবোধচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[প্রাণকুমার সেন]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BE&amp;diff=3548</id>
		<title>মেহেরুন্নেছা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BE&amp;diff=3548"/>
				<updated>2021-07-06T17:15:21Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: /* খ্যাতি ও কীর্তি */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;মেহেরুন্নেছা। মতান্তরে মেহেরুন্নিসা খানম। ঊনবিংশ শতকের শেষার্ধের এক ধনাঢ্য দানশীল বিদ্যোৎসাহী নারী। জন্মস্থান বর্তমান রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রাম। জন্ম: ঊনবিংশ শতকের মধ্যভাগ। মেহেরুন্নেছার দাদা এনায়েতুল্লাহ ও শেরে বাংলার মা সৈয়দুন্নেছার নানা শরফউল্লাহ আপন ভাই ছিলেন। ফলত মেহেরুন্নেছা শেরেবাংলার খালা সম্পর্কের ছিলেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== জন্ম ও পরিচয় ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেহেরুন্নেছার পিতা আব্দুল আজিজ মনসুর মিয়া। পিতামহ: এনায়েত উল্লাহ। প্রপিতামহ: নাজিম উল্লাহ। প্রপিতামহের পিতা: শেখ শাহাবুদ্দিন। স্বামী: গফুর মিয়া। স্বামী গফুর মিয়া ছিলেন মেহেরুন্নেছার দাদা এনায়েত উল্লাহর ভাই দ্রাজাতুল্লাহর (দারাজাতুল্লাহ) পুত্র। ফলত গফুর মিয়া ছিলেন তার চাচাত চাচা সম্পর্কের। স্বামীর মৃত্যুতে মেহেরুন্নেছা স্বামীর সম্পত্তি ও পিতার সম্পত্তির যোগফল রূপে বিশাল পরিমাণ ভূ-সম্পত্তির মালিক হন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
== খ্যাতি ও কীর্তি ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেহেরেুন্নেসার জনহিতৈষণা ও প্রতিপত্তির কথা রোহিনীকুমার সেন তাঁর বাকলা গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন- “বর্তমান সময়ে বিবি মেহেরুন্নেছা খাতুনের নাম বিশেষ বহু লোকের আশীর্বাদের পাত্র হইয়াছেন। ইহার যত্নে ও অর্থব্যয়ে সাতুরিয়ায় পোস্টাফিস, স্কুল ও দাতব্য চিকিৎসালয় প্রভৃতি স্থাপিত হইয়াছে” (দে’জ পাবলিশিং প্রকাশিত বৃহত্তর বাকরগঞ্জের ইতিহাস ১৬৮)। পরিমাণে ইহা মাত্র দুটি বাক্য হলেও ইহা একটি বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থের উদ্ধৃতি যা প্রমাণ করে যে মেহেরুন্নেছা হলেন রাজাপুরের সেই বিখ্যাত মহীয়সী নারী যিনি ঊনবিংশ শতকের শেষভাগে রাজাপুরে প্রথম স্কুল, পোস্ট অফিস এবং দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করেছিলেন। এছাড়াও বরিশাল শহরের সদর হাসপাতাল, শহরের বি.এম স্কুলের পশ্চিম পার্শ্বের প্রথম মুসলিম গোরস্থান, পরবর্তী সময়ে স্থানান্তরিত মুসলিম গোরস্থানের আদি অংশ এবং বগুড়া রোডস্থ এপিফানী চার্চের জন্য তিনি জমি দান করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে এবিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। ভিন্নমতাবলম্বীরা বলছেন যে, বরিশাল শহরে এই দানগুলো যে মেহেরুন্নেছা করেছেন তিনি সাতুরিয়া মিয়া পরিবারের মেহেরুন্নেছা নন। তিনি ছিলেন ঢাকার নবাব পরিবারের েএক কন্যা মেহেরুন্নেছা যার বিয়ে হয়েছিল একজন স্কুল ইনস্পেক্টরের সাথে। সেই স্কুল ইনস্পেক্টর স্বামীর সাথে তিনি বরিশালে বাস করেছেন এবং পৈতৃকসেূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে বরিশালে সদর হাসপাতাল, মুসলিম গোস্তান ও বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা কাঞ্চন পার্কে জমিদান করেছিলেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জনাব পল্টু উল্লেখ করেছেন যে রাজাপুরের মেহেরুন্নেছার উদ্যোগে সাতুরিয়ায় সাহেবের রাস্তা নামে একটি রাস্তা নির্মিত হয়েছিল (৫৮)। অবশ্য জনাব পল্টু বিষয়টির কোনো তথ্যসূত্র উল্লেখ করেন নি। তবে পুরো ঘটনাটি  রাজাপুরবাসীকে এই দুর্লভ গৌরব উপহার দেয় যে রাজাপুরের প্রথম স্কুল, পোস্ট অফিস এবং দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপিত হয়েছে একজন নারী কর্তৃক। এই মহীয়সী নারী সাতুরিয়ার মিঞা বংশের প্রতিপত্তি ও তালুক বৃদ্ধিতেও ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। তার সময়ে সাড়ে সাত হাজার বিঘার তালুক পূর্বতন তালুকদারির সাথে যোগ হয় বলে রেজাউল কবীর পল্টুর বক্তব্য থেকে অনুমিত হয় (৫৬)। &lt;br /&gt;
এই মহীয়সী নারীর প্রতিপত্তির কথা আরো স্পষ্ট হয় এই ঘটনার মধ্য দিয়ে যে তিনি তার মেয়ে শামসুন্নেসাকে বিয়ে দিয়েছিলেন দক্ষিণ বঙ্গের সবচেয়ে বিখ্যাত মুসলিম জমিদার পরিবার অর্থাৎ শায়েস্তাবাদের নবাব পরিবারের সন্তান সৈয়দ ওবায়দুল্লাহ চৌধুরী ওরফে নওশীন মিয়ার সাথে। সাতুরিয়ার মিঞা বংশের এই মহীয়সী নারীর স্মৃতিতে পরবর্তীতে শেরে বাংলার সহযোগিতায় ও জলিল মিঞা, আজাহার মিয়া ও আক্তার মিয়ার উদ্যোগে ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সাতুরিয়া মেহেরুন্নেছা মেমোরিয়াল  (এম. এম.) উচ্চ বিদ্যালয় যা সাধারণভাবে সাতুরিয়া হাইস্কুল নামে পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: মুহম্মদ মুহসিন। চরিতাভিধান: রাজাপুরের গুণী ও বিশিষ্টজন। নালন্দালোক, ঢাকা। ২০১০।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9&amp;diff=3547</id>
		<title>বরিশালের প্রাচীন পত্রপত্রিকাসমূহ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9&amp;diff=3547"/>
				<updated>2021-03-17T16:01:27Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;বরিশালের প্রাচীন পত্রপত্রিকাসমূহ   '''বৃটিশ যুগ''':  ১। পরিমল...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;বরিশালের প্রাচীন পত্রপত্রিকাসমূহ &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বৃটিশ যুগ''':&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। পরিমল বাহিনী, পাক্ষিক, ১৮৫৯; ২। বরিশাল বার্তাবহ, পাক্ষিক, ১৮৭০; ৩। হিতসাধনী, ত্রৈমাসিক, ১৮৭১; ৪। সত্য প্রকাশ, পাক্ষিক, ১৮৭১; ৫। বঙ্গদর্শন, সাপ্তাহিক, ১৮৭২; ৬। বালারঞ্জিকা, সাপ্তাহিক, ১৮৭৩; ৭। গ্রামদূত, পাক্ষিক, ১৮৭৩; ৮। হিতৈষিণী, সাপ্তাহিক, ১৮৭৫; ৯। বিনোদিনী, মাসিক, ১৮৭৫; ১০। অনাথিনী, মাসিক,১৮৭৫; ১১। সর্ব্বার্থদায়িনী, মাসিক, ১৮৭৭; ১২। কাশীপুর নিবাসী, সাপ্তাহিক, ১৮৮১, ১৩। ভারত হিতৈষী, পাক্ষিক, ১৮৮২; ১৪। আর্যরঞ্জন, মাসিক, ১৮৮২; ১৫। বরিশাল হিতৈষী, সাপ্তাহিক, ১৮৮৫; ১৬। স্বদেশী, পাক্ষিক, ১৮৮৫; ১৭। সহযোগী, সাপ্তাহিক, ১৮৮৫ (১৮৯০?); ১৮। ছাত্রবন্ধু, পাক্ষিক, ১৮৯৬; ১৯। বিকাশ, সাপ্তাহিক, ১৯০০; ২০। ব্রহ্মবাদী, মাসিক, ১৯০০; ২১। বালক, সাপ্তাহিক, ১৯০১; ২২। ভারত সুহৃদ, মাসিক, ১৯০২; ২৩। স্বদেশী, সাপ্তাহিক, ১৯০৪; ২৪। মাতৃবক্ষ, মাসিক, ১৯০৯; ২৫। নমঃশূদ্র, সাপ্তাহিক, ১৯১০; ২৬। সেনাপতি, মাসিক, ১৯১২; ২৭। শিক্ষক, মাসিক, ১৯১২; ২৮। বিশ্ববন্ধু, মাসিক, ১৯১৯; ২৯। মন্ডলী, মাসিক, ১৯১৯; ৩০। দীপালী, মাসিক, ১৯২০; ৩১। তারা, মাসিক, ১৯২০; ৩২। শ্রী শ্রী সম্রাট পঞ্চম জর্জ, মাসিক, ১৯২০; ৩৩। মহিমান্বিত বৃটিশ রাজ, মাসিক, ১৯২০; ৩৪। তরুণ, মাসিক, ১৯২৩; ৩৫। নমোব্রহ্ম, ত্রৈমাসিক, ১৯২৩; ৩৬। প্রবাহ, মাসিক, ১৯২৩; ৩৭। বরিশাল, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৩৮। বাখরগঞ্জ, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৩৯। ভাস্কর, মাসিক, ১৯২৩; ৪০। সত্যবাদী, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৪১। বাসন্তী, মাসিক, ১৯২৩; ৪২। শেফালী, মাসিক, ১৯২৩; ৪৩। বঙ্গমিহির, সাপ্তাহিক, ১৯২৪; ৪৪। পথিক, মাসিক, ১৯২৫; ৪৫।নকীব, পাক্ষিক, ১৯২৬; ৪৬। উজ্জ্বল ভারত, সাপ্তাহিক, ১৯২৬; ৪৭। প্রদীপ, মাসিক, ১৯২৭; ৪৮। বিলবাসী, মাসিক, ১৯২৭; ৪৯। সাধনা, সাপ্তাহিক, ১৯২৭; ৫০। সারথী, সাপ্তাহিক, ১৯৩১; ৫১। জাগরণী, পাক্ষিক, ১৯৩১; ৫২। পল্লীসেবী, সাপ্তাহিক, ১৯৩৪; ৫৩। পিরোজপুর হিতৈষী, পাক্ষিক, ১৯৩৬; ৫৪। পিরোজপুর নিবাসী, পাক্ষিক, ১৯৩৬; ৫৫। সপ্তক, সাপ্তাহিক, ১৯৩৭; ৫৬। ভোলা কল্যাণ, মাসিক, ১৯৩৯; ৫৭। Barisal, সাপ্তাহিক, ১৯৪০; ৫৮। সাত সতের, ত্রৈমাসিক, ১৯৪৫; ৫৯। গুলবাগ, মাসিক, ১৯৪৫।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''পাকিস্তান যুগ''':&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। খেলাফত, সাপ্তাহিক, ১৯৪৮; ২। হেলাল-্ই-পাকিস্তান, সাপ্তাহিক, ১৯৪৮; ৩। প্রতিভা, মাসিক, ১৯৪৮; ৪। তানজীম, সাপ্তাহিক, ১৯৪৯; ৪। গুলিস্তান, মাসিক, ১৯৫০; ৫। প্রগতি, মাসিক, ১৯৫০; ৬।তাবলীগ, পাক্ষিক, ১৯৫০; ৭। হেলাল-ই-ইসলাম, পাক্ষিক, ১৯৫০; ৮। কল্যাণ, ?, ১৯৫২; ৯। অগ্রদুত, সাপ্তাহিক, ১৯৫৩; ১০। যুগবানী, সাপ্তাহিক, ১৯৫৫; ১১। খাদেম, পাক্ষিক, ১৯৫৬; ১২। Khadem, সাপ্তাহিক, ১৯৫৬; ১৩। প্রগতি, পাক্ষিক, ১৯৬৪; ১৪। বরিশালের দর্পণ, পাক্ষিক, ১৯৬৬; ১৫। সংসার, সচিত্র মাসিক, ১৯৬৬; ১৬। কথা, সাপ্তাহিক, ১৯৬৯; ১৭। বাংলাদেশ, অর্ধসাপ্তাহিক, ১৯৭১; ১৮। বিপ্লবী বাংলাদেশ, সাপ্তাহিক, ১৯৭১।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3546</id>
		<title>ব</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3546"/>
				<updated>2021-03-17T15:59:38Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বঙ্গদর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গ মিহির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯২১, বরিশাল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বনমালী চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বয্লুর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরছাকাঠির প্রাচীন ইমারত, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মগ ও পর্তুগিজদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কামান ও অতলতল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কোতোয়ালী থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ক্যাডেট কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জিলা স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার পুলিশ সুপারগণ (১৮৯৯ - ১৯৩৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল থেকে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও আইনসভার সদস্যবৃন্দ ১৯০৬-১৯৪৭]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল দর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পার্টি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বার্তাবহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বারের সভাপতি ও সম্পাদকগণ (১৮৮৪-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের বধ্যভূমি ও গণকবরসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ব্রহ্মসভা বা ব্রাহ্ম উপাসনালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল মুক্ত দিবস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল যুগান্তর দলের বিশিষ্ট বিপ্লবীরা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের স্বাস্থ্য সেবা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের হাসপাতালের ইতিহাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শিক্ষা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর হাসপাতাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সাব সেক্টরের অধীন বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল (সাপ্তাহিক পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সিটি কর্পোরেশন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল হিতৈষী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বাণিজ্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম (প্রাথমিক পর্ব)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের/ ইউরোপীয়দের বসতি (প্রাথমিক যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের লবণ ব্যবসা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে দায়িত্বরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে নারী জাগরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে প্রাপ্ত তাম্রশাসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯০৬]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ইতিহাসকারগণ (ক্লাসিক)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ঐতিহাসিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের কয়েকটি পরগণার নামকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের খালবিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের জেলা জজগণ (১৮৯৭ - ১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের নদনদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পত্রপত্রিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগনাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম জেলা কালেক্টরেট ভবন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের মুসলিম কীর্তিমানগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের শিক্ষিত নারীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম মুসলিম মহিলা সমাবেশ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রত্নসম্পদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রলয়ঙ্করী ঝড়সমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন পত্রপত্রিকাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিভিন্ন থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্রাহ্ম সমাজ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ভূমি ব্যবস্থা (মোগল যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মহিলা মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধ (একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এমএনএ ও এমপিএগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রকেট সার্ভিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রাজনৈতিক সংগঠনের সূচনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লবণ আন্দোলন ১৯২১-১৯৩০]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লিটল ম্যাগাজিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদপত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমকালীন কবি-লেখকগণের নাম ও ফোন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমবায় আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরুণ সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ (উচ্চারণ অপভ্রংশে বুলাকি শাহ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলভদ্র বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলাই দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাবাজার যুদ্ধ ১৯৭১, ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইতুল আমান মসজিদ, গুঠিয়া, উজিরপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইশারীর তালুকদার রায় পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশ (পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপে পর্তুগিজ ও মগদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা সমাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলার পীর-আউলিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ (বৃটিশ আমল)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ হিতৈষিণী সভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঘাই শাহের দরগা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙরোড়া পরগনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙ্গালাবাদ/ বাঙ্গালা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোড়ের দত্ত পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটামারার সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটার খাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারিপাড়া সতীদাহ বেদি ও মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনার জমিদার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বার আউলিয়ার দরগাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারপাইকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারুখাঁ মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন বন্দর, নলছিটি, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন-কুলকাঠির জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালারঞ্জিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়াতলীর প্যাগোডা, আমতলী, বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়ার তালুকদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাসণ্ডার মহলানবিস জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাহাউদ্দিন আহমেদ, কাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি এম (ব্রজমোহন) কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি. এম. স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিকাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজনবালা ঘোষদস্তিদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির, আগৈলঝাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিদ্যাসুন্দরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিনোদিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপদবারণ সরকার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপিনবিহারী সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপ্লবী বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবিচিনি মসজিদ, বেতাগী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবির পুকুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিলবিলাসের কাজী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিমল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্ববন্ধু]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বাস বাড়ি মসজিদ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বেশ্বর তর্করত্ন, মহামহোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীণা কাঞ্জিলাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরসিংহ নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেন্দ্রকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেশচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদ খা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুরের জমিদার রাজবল্লভ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৃন্দাবন চন্দ্র পুততুণ্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেটি (Battye)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেভারিজ, এইচ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল, নিকোলাস বিটসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল ইসলামিয়া ছাত্রাবাস, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৈদারাপুরের লবণচাষীদের বিদ্রোহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দীন উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা দখল যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা সংগ্রাম পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজমোহন দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজসুন্দর মিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মবাদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মময়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রেগো]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_(%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%97)&amp;diff=3545</id>
		<title>বরিশালের পত্রপত্রিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_(%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%97)&amp;diff=3545"/>
				<updated>2021-03-17T15:55:57Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;বরিশালের পত্রপত্রিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বৃটিশ যুগ''':&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। পরিমল বাহিনী, পাক্ষিক, ১৮৫৯; ২। বরিশাল বার্তাবহ, পাক্ষিক, ১৮৭০; ৩। হিতসাধনী, ত্রৈমাসিক, ১৮৭১; ৪। সত্য প্রকাশ, পাক্ষিক, ১৮৭১; ৫। বঙ্গদর্শন, সাপ্তাহিক, ১৮৭২; ৬। বালারঞ্জিকা, সাপ্তাহিক, ১৮৭৩; ৭। গ্রামদূত, পাক্ষিক, ১৮৭৩; ৮। হিতৈষিণী, সাপ্তাহিক, ১৮৭৫; ৯। বিনোদিনী, মাসিক, ১৮৭৫; ১০। অনাথিনী, মাসিক,১৮৭৫; ১১। সর্ব্বার্থদায়িনী, মাসিক, ১৮৭৭; ১২। কাশীপুর নিবাসী, সাপ্তাহিক, ১৮৮১, ১৩। ভারত হিতৈষী, পাক্ষিক, ১৮৮২; ১৪। আর্যরঞ্জন, মাসিক, ১৮৮২; ১৫। বরিশাল হিতৈষী, সাপ্তাহিক, ১৮৮৫; ১৬। স্বদেশী, পাক্ষিক, ১৮৮৫; ১৭। সহযোগী, সাপ্তাহিক, ১৮৮৫ (১৮৯০?); ১৮। ছাত্রবন্ধু, পাক্ষিক, ১৮৯৬; ১৯। বিকাশ, সাপ্তাহিক, ১৯০০; ২০। ব্রহ্মবাদী, মাসিক, ১৯০০; ২১। বালক, সাপ্তাহিক, ১৯০১; ২২। ভারত সুহৃদ, মাসিক, ১৯০২; ২৩। স্বদেশী, সাপ্তাহিক, ১৯০৪; ২৪। মাতৃবক্ষ, মাসিক, ১৯০৯; ২৫। নমঃশূদ্র, সাপ্তাহিক, ১৯১০; ২৬। সেনাপতি, মাসিক, ১৯১২; ২৭। শিক্ষক, মাসিক, ১৯১২; ২৮। বিশ্ববন্ধু, মাসিক, ১৯১৯; ২৯। মন্ডলী, মাসিক, ১৯১৯; ৩০। দীপালী, মাসিক, ১৯২০; ৩১। তারা, মাসিক, ১৯২০; ৩২। শ্রী শ্রী সম্রাট পঞ্চম জর্জ, মাসিক, ১৯২০; ৩৩। মহিমান্বিত বৃটিশ রাজ, মাসিক, ১৯২০; ৩৪। তরুণ, মাসিক, ১৯২৩; ৩৫। নমোব্রহ্ম, ত্রৈমাসিক, ১৯২৩; ৩৬। প্রবাহ, মাসিক, ১৯২৩; ৩৭। বরিশাল, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৩৮। বাখরগঞ্জ, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৩৯। ভাস্কর, মাসিক, ১৯২৩; ৪০। সত্যবাদী, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৪১। বাসন্তী, মাসিক, ১৯২৩; ৪২। শেফালী, মাসিক, ১৯২৩; ৪৩। বঙ্গমিহির, সাপ্তাহিক, ১৯২৪; ৪৪। পথিক, মাসিক, ১৯২৫; ৪৫।নকীব, পাক্ষিক, ১৯২৬; ৪৬। উজ্জ্বল ভারত, সাপ্তাহিক, ১৯২৬; ৪৭। প্রদীপ, মাসিক, ১৯২৭; ৪৮। বিলবাসী, মাসিক, ১৯২৭; ৪৯। সাধনা, সাপ্তাহিক, ১৯২৭; ৫০। সারথী, সাপ্তাহিক, ১৯৩১; ৫১। জাগরণী, পাক্ষিক, ১৯৩১; ৫২। পল্লীসেবী, সাপ্তাহিক, ১৯৩৪; ৫৩। পিরোজপুর হিতৈষী, পাক্ষিক, ১৯৩৬; ৫৪। পিরোজপুর নিবাসী, পাক্ষিক, ১৯৩৬; ৫৫। সপ্তক, সাপ্তাহিক, ১৯৩৭; ৫৬। ভোলা কল্যাণ, মাসিক, ১৯৩৯; ৫৭। Barisal, সাপ্তাহিক, ১৯৪০; ৫৮। সাত সতের, ত্রৈমাসিক, ১৯৪৫; ৫৯। গুলবাগ, মাসিক, ১৯৪৫।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''পাকিস্তান যুগ''':&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। খেলাফত, সাপ্তাহিক, ১৯৪৮; ২। হেলাল-্ই-পাকিস্তান, সাপ্তাহিক, ১৯৪৮; ৩। প্রতিভা, মাসিক, ১৯৪৮; ৪। তানজীম, সাপ্তাহিক, ১৯৪৯; ৪। গুলিস্তান, মাসিক, ১৯৫০; ৫। প্রগতি, মাসিক, ১৯৫০; ৬।তাবলীগ, পাক্ষিক, ১৯৫০; ৭। হেলাল-ই-ইসলাম, পাক্ষিক, ১৯৫০; ৮। কল্যাণ, ?, ১৯৫২; ৯। অগ্রদুত, সাপ্তাহিক, ১৯৫৩; ১০। যুগবানী, সাপ্তাহিক, ১৯৫৫; ১১। খাদেম, পাক্ষিক, ১৯৫৬; ১২। Khadem, সাপ্তাহিক, ১৯৫৬; ১৩। প্রগতি, পাক্ষিক, ১৯৬৪; ১৪। বরিশালের দর্পণ, পাক্ষিক, ১৯৬৬; ১৫। সংসার, সচিত্র মাসিক, ১৯৬৬; ১৬। কথা, সাপ্তাহিক, ১৯৬৯; ১৭। বাংলাদেশ, অর্ধসাপ্তাহিক, ১৯৭১; ১৮। বিপ্লবী বাংলাদেশ, সাপ্তাহিক, ১৯৭১।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_(%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%97)&amp;diff=3544</id>
		<title>বরিশালের পত্রপত্রিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_(%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%97)&amp;diff=3544"/>
				<updated>2021-03-17T15:55:20Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব য...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''বৃটিশ যুগ''':&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। পরিমল বাহিনী, পাক্ষিক, ১৮৫৯; ২। বরিশাল বার্তাবহ, পাক্ষিক, ১৮৭০; ৩। হিতসাধনী, ত্রৈমাসিক, ১৮৭১; ৪। সত্য প্রকাশ, পাক্ষিক, ১৮৭১; ৫। বঙ্গদর্শন, সাপ্তাহিক, ১৮৭২; ৬। বালারঞ্জিকা, সাপ্তাহিক, ১৮৭৩; ৭। গ্রামদূত, পাক্ষিক, ১৮৭৩; ৮। হিতৈষিণী, সাপ্তাহিক, ১৮৭৫; ৯। বিনোদিনী, মাসিক, ১৮৭৫; ১০। অনাথিনী, মাসিক,১৮৭৫; ১১। সর্ব্বার্থদায়িনী, মাসিক, ১৮৭৭; ১২। কাশীপুর নিবাসী, সাপ্তাহিক, ১৮৮১, ১৩। ভারত হিতৈষী, পাক্ষিক, ১৮৮২; ১৪। আর্যরঞ্জন, মাসিক, ১৮৮২; ১৫। বরিশাল হিতৈষী, সাপ্তাহিক, ১৮৮৫; ১৬। স্বদেশী, পাক্ষিক, ১৮৮৫; ১৭। সহযোগী, সাপ্তাহিক, ১৮৮৫ (১৮৯০?); ১৮। ছাত্রবন্ধু, পাক্ষিক, ১৮৯৬; ১৯। বিকাশ, সাপ্তাহিক, ১৯০০; ২০। ব্রহ্মবাদী, মাসিক, ১৯০০; ২১। বালক, সাপ্তাহিক, ১৯০১; ২২। ভারত সুহৃদ, মাসিক, ১৯০২; ২৩। স্বদেশী, সাপ্তাহিক, ১৯০৪; ২৪। মাতৃবক্ষ, মাসিক, ১৯০৯; ২৫। নমঃশূদ্র, সাপ্তাহিক, ১৯১০; ২৬। সেনাপতি, মাসিক, ১৯১২; ২৭। শিক্ষক, মাসিক, ১৯১২; ২৮। বিশ্ববন্ধু, মাসিক, ১৯১৯; ২৯। মন্ডলী, মাসিক, ১৯১৯; ৩০। দীপালী, মাসিক, ১৯২০; ৩১। তারা, মাসিক, ১৯২০; ৩২। শ্রী শ্রী সম্রাট পঞ্চম জর্জ, মাসিক, ১৯২০; ৩৩। মহিমান্বিত বৃটিশ রাজ, মাসিক, ১৯২০; ৩৪। তরুণ, মাসিক, ১৯২৩; ৩৫। নমোব্রহ্ম, ত্রৈমাসিক, ১৯২৩; ৩৬। প্রবাহ, মাসিক, ১৯২৩; ৩৭। বরিশাল, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৩৮। বাখরগঞ্জ, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৩৯। ভাস্কর, মাসিক, ১৯২৩; ৪০। সত্যবাদী, সাপ্তাহিক, ১৯২৩; ৪১। বাসন্তী, মাসিক, ১৯২৩; ৪২। শেফালী, মাসিক, ১৯২৩; ৪৩। বঙ্গমিহির, সাপ্তাহিক, ১৯২৪; ৪৪। পথিক, মাসিক, ১৯২৫; ৪৫।নকীব, পাক্ষিক, ১৯২৬; ৪৬। উজ্জ্বল ভারত, সাপ্তাহিক, ১৯২৬; ৪৭। প্রদীপ, মাসিক, ১৯২৭; ৪৮। বিলবাসী, মাসিক, ১৯২৭; ৪৯। সাধনা, সাপ্তাহিক, ১৯২৭; ৫০। সারথী, সাপ্তাহিক, ১৯৩১; ৫১। জাগরণী, পাক্ষিক, ১৯৩১; ৫২। পল্লীসেবী, সাপ্তাহিক, ১৯৩৪; ৫৩। পিরোজপুর হিতৈষী, পাক্ষিক, ১৯৩৬; ৫৪। পিরোজপুর নিবাসী, পাক্ষিক, ১৯৩৬; ৫৫। সপ্তক, সাপ্তাহিক, ১৯৩৭; ৫৬। ভোলা কল্যাণ, মাসিক, ১৯৩৯; ৫৭। Barisal, সাপ্তাহিক, ১৯৪০; ৫৮। সাত সতের, ত্রৈমাসিক, ১৯৪৫; ৫৯। গুলবাগ, মাসিক, ১৯৪৫।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
'''পাকিস্তান যুগ''':&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১। খেলাফত, সাপ্তাহিক, ১৯৪৮; ২। হেলাল-্ই-পাকিস্তান, সাপ্তাহিক, ১৯৪৮; ৩। প্রতিভা, মাসিক, ১৯৪৮; ৪। তানজীম, সাপ্তাহিক, ১৯৪৯; ৪। গুলিস্তান, মাসিক, ১৯৫০; ৫। প্রগতি, মাসিক, ১৯৫০; ৬।তাবলীগ, পাক্ষিক, ১৯৫০; ৭। হেলাল-ই-ইসলাম, পাক্ষিক, ১৯৫০; ৮। কল্যাণ, ?, ১৯৫২; ৯। অগ্রদুত, সাপ্তাহিক, ১৯৫৩; ১০। যুগবানী, সাপ্তাহিক, ১৯৫৫; ১১। খাদেম, পাক্ষিক, ১৯৫৬; ১২। Khadem, সাপ্তাহিক, ১৯৫৬; ১৩। প্রগতি, পাক্ষিক, ১৯৬৪; ১৪। বরিশালের দর্পণ, পাক্ষিক, ১৯৬৬; ১৫। সংসার, সচিত্র মাসিক, ১৯৬৬; ১৬। কথা, সাপ্তাহিক, ১৯৬৯; ১৭। বাংলাদেশ, অর্ধসাপ্তাহিক, ১৯৭১; ১৮। বিপ্লবী বাংলাদেশ, সাপ্তাহিক, ১৯৭১।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3543</id>
		<title>ব</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3543"/>
				<updated>2021-03-17T15:54:41Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বঙ্গদর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গ মিহির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯২১, বরিশাল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বনমালী চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বয্লুর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরছাকাঠির প্রাচীন ইমারত, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মগ ও পর্তুগিজদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কামান ও অতলতল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কোতোয়ালী থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ক্যাডেট কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জিলা স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার পুলিশ সুপারগণ (১৮৯৯ - ১৯৩৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল থেকে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও আইনসভার সদস্যবৃন্দ ১৯০৬-১৯৪৭]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল দর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পার্টি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বার্তাবহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বারের সভাপতি ও সম্পাদকগণ (১৮৮৪-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের বধ্যভূমি ও গণকবরসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ব্রহ্মসভা বা ব্রাহ্ম উপাসনালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল মুক্ত দিবস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল যুগান্তর দলের বিশিষ্ট বিপ্লবীরা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের স্বাস্থ্য সেবা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের হাসপাতালের ইতিহাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শিক্ষা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর হাসপাতাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সাব সেক্টরের অধীন বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল (সাপ্তাহিক পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সিটি কর্পোরেশন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল হিতৈষী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বাণিজ্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম (প্রাথমিক পর্ব)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের/ ইউরোপীয়দের বসতি (প্রাথমিক যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের লবণ ব্যবসা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে দায়িত্বরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে নারী জাগরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে প্রাপ্ত তাম্রশাসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯০৬]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ইতিহাসকারগণ (ক্লাসিক)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ঐতিহাসিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের কয়েকটি পরগণার নামকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের খালবিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের জেলা জজগণ (১৮৯৭ - ১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের নদনদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পত্রপত্রিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগনাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম জেলা কালেক্টরেট ভবন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের মুসলিম কীর্তিমানগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের শিক্ষিত নারীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম মুসলিম মহিলা সমাবেশ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রত্নসম্পদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রলয়ঙ্করী ঝড়সমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিভিন্ন থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্রাহ্ম সমাজ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ভূমি ব্যবস্থা (মোগল যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মহিলা মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধ (একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এমএনএ ও এমপিএগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রকেট সার্ভিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রাজনৈতিক সংগঠনের সূচনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লবণ আন্দোলন ১৯২১-১৯৩০]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লিটল ম্যাগাজিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদপত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমকালীন কবি-লেখকগণের নাম ও ফোন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমবায় আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরুণ সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ (উচ্চারণ অপভ্রংশে বুলাকি শাহ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলভদ্র বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলাই দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাবাজার যুদ্ধ ১৯৭১, ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইতুল আমান মসজিদ, গুঠিয়া, উজিরপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইশারীর তালুকদার রায় পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশ (পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপে পর্তুগিজ ও মগদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা সমাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলার পীর-আউলিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ (বৃটিশ আমল)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ হিতৈষিণী সভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঘাই শাহের দরগা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙরোড়া পরগনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙ্গালাবাদ/ বাঙ্গালা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোড়ের দত্ত পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটামারার সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটার খাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারিপাড়া সতীদাহ বেদি ও মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনার জমিদার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বার আউলিয়ার দরগাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারপাইকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারুখাঁ মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন বন্দর, নলছিটি, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন-কুলকাঠির জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালারঞ্জিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়াতলীর প্যাগোডা, আমতলী, বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়ার তালুকদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাসণ্ডার মহলানবিস জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাহাউদ্দিন আহমেদ, কাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি এম (ব্রজমোহন) কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি. এম. স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিকাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজনবালা ঘোষদস্তিদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির, আগৈলঝাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিদ্যাসুন্দরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিনোদিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপদবারণ সরকার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপিনবিহারী সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপ্লবী বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবিচিনি মসজিদ, বেতাগী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবির পুকুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিলবিলাসের কাজী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিমল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্ববন্ধু]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বাস বাড়ি মসজিদ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বেশ্বর তর্করত্ন, মহামহোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীণা কাঞ্জিলাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরসিংহ নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেন্দ্রকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেশচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদ খা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুরের জমিদার রাজবল্লভ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৃন্দাবন চন্দ্র পুততুণ্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেটি (Battye)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেভারিজ, এইচ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল, নিকোলাস বিটসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল ইসলামিয়া ছাত্রাবাস, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৈদারাপুরের লবণচাষীদের বিদ্রোহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দীন উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা দখল যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা সংগ্রাম পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজমোহন দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজসুন্দর মিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মবাদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মময়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রেগো]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3542</id>
		<title>ব</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3542"/>
				<updated>2021-03-17T15:53:44Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বঙ্গদর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গ মিহির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯২১, বরিশাল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বনমালী চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বয্লুর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরছাকাঠির প্রাচীন ইমারত, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মগ ও পর্তুগিজদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কামান ও অতলতল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কোতোয়ালী থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ক্যাডেট কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জিলা স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার পুলিশ সুপারগণ (১৮৯৯ - ১৯৩৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল থেকে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও আইনসভার সদস্যবৃন্দ ১৯০৬-১৯৪৭]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল দর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পার্টি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বার্তাবহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বারের সভাপতি ও সম্পাদকগণ (১৮৮৪-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের বধ্যভূমি ও গণকবরসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ব্রহ্মসভা বা ব্রাহ্ম উপাসনালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল মুক্ত দিবস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল যুগান্তর দলের বিশিষ্ট বিপ্লবীরা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের স্বাস্থ্য সেবা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের হাসপাতালের ইতিহাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শিক্ষা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর হাসপাতাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সাব সেক্টরের অধীন বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল (সাপ্তাহিক পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সিটি কর্পোরেশন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল হিতৈষী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বাণিজ্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম (প্রাথমিক পর্ব)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের/ ইউরোপীয়দের বসতি (প্রাথমিক যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের লবণ ব্যবসা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে দায়িত্বরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে নারী জাগরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে প্রাপ্ত তাম্রশাসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯০৬]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ইতিহাসকারগণ (ক্লাসিক)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ঐতিহাসিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের কয়েকটি পরগণার নামকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের খালবিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের জেলা জজগণ (১৮৯৭ - ১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের নদনদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পত্রপত্রিকা [স্বাধীনতাপূর্ব যুগ]]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগনাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম জেলা কালেক্টরেট ভবন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের মুসলিম কীর্তিমানগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের শিক্ষিত নারীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম মুসলিম মহিলা সমাবেশ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রত্নসম্পদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রলয়ঙ্করী ঝড়সমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিভিন্ন থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্রাহ্ম সমাজ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ভূমি ব্যবস্থা (মোগল যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মহিলা মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধ (একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এমএনএ ও এমপিএগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রকেট সার্ভিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রাজনৈতিক সংগঠনের সূচনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লবণ আন্দোলন ১৯২১-১৯৩০]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লিটল ম্যাগাজিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদপত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমকালীন কবি-লেখকগণের নাম ও ফোন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমবায় আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরুণ সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ (উচ্চারণ অপভ্রংশে বুলাকি শাহ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলভদ্র বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলাই দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাবাজার যুদ্ধ ১৯৭১, ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইতুল আমান মসজিদ, গুঠিয়া, উজিরপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইশারীর তালুকদার রায় পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশ (পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপে পর্তুগিজ ও মগদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা সমাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলার পীর-আউলিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ (বৃটিশ আমল)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ হিতৈষিণী সভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঘাই শাহের দরগা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙরোড়া পরগনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙ্গালাবাদ/ বাঙ্গালা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোড়ের দত্ত পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটামারার সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটার খাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারিপাড়া সতীদাহ বেদি ও মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনার জমিদার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বার আউলিয়ার দরগাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারপাইকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারুখাঁ মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন বন্দর, নলছিটি, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন-কুলকাঠির জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালারঞ্জিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়াতলীর প্যাগোডা, আমতলী, বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়ার তালুকদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাসণ্ডার মহলানবিস জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাহাউদ্দিন আহমেদ, কাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি এম (ব্রজমোহন) কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি. এম. স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিকাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজনবালা ঘোষদস্তিদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির, আগৈলঝাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিদ্যাসুন্দরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিনোদিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপদবারণ সরকার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপিনবিহারী সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপ্লবী বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবিচিনি মসজিদ, বেতাগী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবির পুকুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিলবিলাসের কাজী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিমল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্ববন্ধু]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বাস বাড়ি মসজিদ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বেশ্বর তর্করত্ন, মহামহোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীণা কাঞ্জিলাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরসিংহ নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেন্দ্রকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেশচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদ খা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুরের জমিদার রাজবল্লভ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৃন্দাবন চন্দ্র পুততুণ্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেটি (Battye)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেভারিজ, এইচ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল, নিকোলাস বিটসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল ইসলামিয়া ছাত্রাবাস, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৈদারাপুরের লবণচাষীদের বিদ্রোহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দীন উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা দখল যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা সংগ্রাম পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজমোহন দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজসুন্দর মিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মবাদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মময়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রেগো]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%80_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6&amp;diff=3541</id>
		<title>বিপ্লবী বাংলাদেশ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%80_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6&amp;diff=3541"/>
				<updated>2020-10-24T17:25:49Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;১৯৭১ সালের ৪ঠা আগস্ট রণাঙ্গনে নুরুল আলম ফরিদের স¤পাদনায় প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’। পত্রিকাটি ছিল ট্যাবলয়েড আকারের। মূল্য ১৫ পয়সা। প্রথম পর্যায়ে চাপা প্রেস, বাংলাদেশ (মূলত কলকাতার ক্রান্তি প্রেস) থেকে পত্রিকাটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হতো। পরে ১৩৭৮ সনের ১৪ই পৌষ পত্রিকাটি হাবিব প্রেস, সদর রোড, বরিশাল থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ আর. এস. পি.’র প্রেসিডেন্ট ত্রিদিব চৌধুরী ও সাধারণ স¤পাদক মাখম পাল পত্রিকাটি প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা করতেন। এখান থেকে ঐ সময়ে ৪/৫টি পত্রিকা প্রকাশিত হতো। দীর্ঘ ২০ বছর সাপ্তাহিক হিসেবে চলার পর ১৯৯১ সালের ৯ই জুলাই থেকে পত্রিকাটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। এই পত্রিকাটিকে কেন্দ্র করে ১৯৭১-এর স্বাধীনতা উত্তর বরিশালের সাংবাদিকতা বিকাশ লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পত্রিকাটির মোট ১৯টি সংখ্যা প্রকাশিত  হয়েছিল।&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
পত্রিকাটির জন্ম ইতিহাস স¤পর্কে ১৯৮২ সালে ৪ঠা আগস্ট সংখ্যায় ‘পুরানদিনের কথা’ শীর্ষক রচনায় স¤পাদক নুরুল আলম ফরিদ লিখেছেন : ‘কালু ভাইয়ের সাথে পরামর্শ করে একটি পত্রিকা বের করার সব পরিকল্পনা নিয়ে ফেললাম। সঙ্গে সঙ্গে নামও ঠিক হয়ে গেল। ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’। বাংলাদেশ তখন বিপ্লবের রণাঙ্গন। সেই রণাঙ্গনের আমরাও এক সৈনিক। বিপ্লবী বাংলাদেশের যারা কর্মী তারা এক দিকে সৈনিক অন্যদিকে সাংবাদিকের ভ‚মিকায় অবতীর্ণ হলেন। অসি আর মসীর অভ‚তপূর্ব মিলনে যে চেতনা আমাদের মধ্যে জাগরিত হলো তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটল একটি পত্রিকার মাধ্যমে যার নাম ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’। পত্রিকার জন্য কালুভাইকে নিয়ে কলকাতা গেলাম। সেই আমার প্রথম কলকাতা যাওয়া। আমাদের পূর্ব পরিচিত অশোকদাকে খুঁজে বের করলাম। তিনি একজন শিল্পী। বিপ্লবী বাংলাদেশের নামের ডিজাইনের জন্যই অশোকদার কাছে যাওয়া। কলকাতার মনোহর পুকুর লেনে-‘ক্যানভাস’ শিল্পীগোষ্ঠীর তিনি একজন সদস্য। অশোকদা সেখানে আমাদের নিয়ে  গেলেন। সেখানে ভারতীয় শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সাথে পরিচয় হল। তারা পত্রিকা প্রকাশের ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। অশোকদা পত্রিকার নামের ডিজাইন করে দিলেন। এখানে উল্লেখ্য  যে, অশোকদা বাংলাদেশেরই একজন শিল্পী। তিনি অনেক আগেই বরিশাল থেকে ভারতে চলে এসেছিলেন। ক্যানভাসের বন্ধুরাই যোগাযোগ করিয়েছিলেন ভারতীয় রাজনৈতিক দল আর.এস.পি.-র নিজস্ব ক্রান্তি প্রেসের সাথে। এখান থেকেই ৪ঠা আগস্ট প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়। আর.এস.পি-র সর্বশ্রী প্রদীপ চৌধুরী, মাখম লালএবং প্রেসের কর্মীদের আন্তরিকতা আমাদের সহায়ক হল। ক্রান্তি প্রেসের সংলগ্ন আর.এস.পি কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক শ্রী নির্মল সেন, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ জনাব সাইফুরর হমান। (খান সাইফুর রহমান) এবং বরিশালের শ্রীসুধীর সেনের সাথে দেখা হোল । তাদের সার্বিক সহযোগিতা আমাদের চলার পথের পাথেয় হল। এদের লেখা ও পরামর্শ আমাকে পত্রিকা প্রকাশে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করল। এখানে আর একজনের কথা উল্লেখ যোগ্য, তিনি এক কালের বাংলাদেশের লেখক শ্রীসুধীর চৌধুরী। পত্রিকা প্রকাশের ব্যাপারে তিনিও এগিয়ে এলেন আমার পাশে। তিনি হাসনাবাদেই থাকতেন। প্রথম সংখ্যাটি ছাপা শেষে ফিরে গেলাম সীমান্ত বন্দর নয় নম্বর সেক্টরের প্রাণ হাসনাবাদের বিভিন œপ্রশিক্ষণ শিবির, অপারেশন ক্যা¤প আর বাংলাদেশের মুক্তাঞ্চতে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যখন পত্রিকাটি পৌঁছে গেল সে এক অভ‚ত পূর্ব দৃশ্য। সমগ্র ক্যা¤েপ ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’ নিয়ে উল্লাস ধ্বনি শুরু হল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%80_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6&amp;diff=3540</id>
		<title>বিপ্লবী বাংলাদেশ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%80_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6&amp;diff=3540"/>
				<updated>2020-10-24T17:24:50Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;১৯৭১ সালের ৪ঠা আগস্ট রণাঙ্গনে নুরুল আলম ফরিদের স¤পাদনায়...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;১৯৭১ সালের ৪ঠা আগস্ট রণাঙ্গনে নুরুল আলম ফরিদের স¤পাদনায় প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’। পত্রিকাটি ছিল ট্যাবলয়েড আকারের। মূল্য ১৫ পয়সা। প্রথম পর্যায়ে চাপা প্রেস, বাংলাদেশ (মূলত কলকাতার ক্রান্তি প্রেস) থেকে পত্রিকাটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হতো। পরে ১৩৭৮ সনের ১৪ই পৌষ পত্রিকাটি হাবিব প্রেস, সদর রোড, বরিশাল থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ আর. এস. পি.’র প্রেসিডেন্ট ত্রিদিব চৌধুরী ও সাধারণ স¤পাদক মাখন পাল পত্রিকাটি প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা করতেন। এখান থেকে ঐ সময়ে ৪/৫টি পত্রিকা প্রকাশিত হতো। দীর্ঘ ২০ বছর সাপ্তাহিক হিসেবে চলার পর ১৯৯১ সালের ৯ই জুলাই থেকে পত্রিকাটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। এই পত্রিকাটিকে কেন্দ্র করে ১৯৭১-এর স্বাধীনতা উত্তর বরিশালের সাংবাদিকতা বিকাশ লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পত্রিকাটির মোট ১৯টি সংখ্যা প্রকাশিত  হয়েছিল।&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
পত্রিকাটির জন্ম ইতিহাস স¤পর্কে ১৯৮২ সালে ৪ঠা আগস্ট সংখ্যায় ‘পুরানদিনের কথা’ শীর্ষক রচনায় স¤পাদক নুরুল আলম ফরিদ লিখেছেন : ‘কালু ভাইয়ের সাথে পরামর্শ করে একটি পত্রিকা বের করার সব পরিকল্পনা নিয়ে ফেললাম। সঙ্গে সঙ্গে নামও ঠিক হয়ে গেল। ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’। বাংলাদেশ তখন বিপ্লবের রণাঙ্গন। সেই রণাঙ্গনের আমরাও এক সৈনিক। বিপ্লবী বাংলাদেশের যারা কর্মী তারা এক দিকে সৈনিক অন্যদিকে সাংবাদিকের ভ‚মিকায় অবতীর্ণ হলেন। অসি আর মসীর অভ‚তপূর্ব মিলনে যে চেতনা আমাদের মধ্যে জাগরিত হলো তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটল একটি পত্রিকার মাধ্যমে যার নাম ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’। পত্রিকার জন্য কালুভাইকে নিয়ে কলকাতা গেলাম। সেই আমার প্রথম কলকাতা যাওয়া। আমাদের পূর্ব পরিচিত অশোকদাকে খুঁজে বের করলাম। তিনি একজন শিল্পী। বিপ্লবী বাংলাদেশের নামের ডিজাইনের জন্যই অশোকদার কাছে যাওয়া। কলকাতার মনোহর পুকুর লেনে-‘ক্যানভাস’ শিল্পীগোষ্ঠীর তিনি একজন সদস্য। অশোকদা সেখানে আমাদের নিয়ে  গেলেন। সেখানে ভারতীয় শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সাথে পরিচয় হল। তারা পত্রিকা প্রকাশের ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। অশোকদা পত্রিকার নামের ডিজাইন করে দিলেন। এখানে উল্লেখ্য  যে, অশোকদা বাংলাদেশেরই একজন শিল্পী। তিনি অনেক আগেই বরিশাল থেকে ভারতে চলে এসেছিলেন। ক্যানভাসের বন্ধুরাই যোগাযোগ করিয়েছিলেন ভারতীয় রাজনৈতিক দল আর.এস.পি.-র নিজস্ব ক্রান্তি প্রেসের সাথে। এখান থেকেই ৪ঠা আগস্ট প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়। আর.এস.পি-র সর্বশ্রী প্রদীপ চৌধুরী, মাখম লালএবং প্রেসের কর্মীদের আন্তরিকতা আমাদের সহায়ক হল। ক্রান্তি প্রেসের সংলগ্ন আর.এস.পি কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক শ্রী নির্মল সেন, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ জনাব সাইফুরর হমান। (খান সাইফুর রহমান) এবং বরিশালের শ্রীসুধীর সেনের সাথে দেখা হোল । তাদের সার্বিক সহযোগিতা আমাদের চলার পথের পাথেয় হল। এদের লেখা ও পরামর্শ আমাকে পত্রিকা প্রকাশে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করল। এখানে আর একজনের কথা উল্লেখ যোগ্য, তিনি এক কালের বাংলাদেশের লেখক শ্রীসুধীর চৌধুরী। পত্রিকা প্রকাশের ব্যাপারে তিনিও এগিয়ে এলেন আমার পাশে। তিনি হাসনাবাদেই থাকতেন। প্রথম সংখ্যাটি ছাপা শেষে ফিরে গেলাম সীমান্ত বন্দর নয় নম্বর সেক্টরের প্রাণ হাসনাবাদের বিভিন œপ্রশিক্ষণ শিবির, অপারেশন ক্যা¤প আর বাংলাদেশের মুক্তাঞ্চতে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যখন পত্রিকাটি পৌঁছে গেল সে এক অভ‚ত পূর্ব দৃশ্য। সমগ্র ক্যা¤েপ ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’ নিয়ে উল্লাস ধ্বনি শুরু হল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3539</id>
		<title>ব</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3539"/>
				<updated>2020-10-24T17:24:14Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বঙ্গদর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গ মিহির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯২১, বরিশাল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বনমালী চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বয্লুর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরছাকাঠির প্রাচীন ইমারত, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মগ ও পর্তুগিজদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কামান ও অতলতল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কোতোয়ালী থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ক্যাডেট কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জিলা স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার পুলিশ সুপারগণ (১৮৯৯ - ১৯৩৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল থেকে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও আইনসভার সদস্যবৃন্দ ১৯০৬-১৯৪৭]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল দর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পার্টি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বার্তাবহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বারের সভাপতি ও সম্পাদকগণ (১৮৮৪-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের বধ্যভূমি ও গণকবরসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ব্রহ্মসভা বা ব্রাহ্ম উপাসনালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল মুক্ত দিবস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল যুগান্তর দলের বিশিষ্ট বিপ্লবীরা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের স্বাস্থ্য সেবা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের হাসপাতালের ইতিহাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শিক্ষা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর হাসপাতাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সাব সেক্টরের অধীন বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল (সাপ্তাহিক পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সিটি কর্পোরেশন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল হিতৈষী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বাণিজ্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম (প্রাথমিক পর্ব)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের/ ইউরোপীয়দের বসতি (প্রাথমিক যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের লবণ ব্যবসা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে দায়িত্বরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে নারী জাগরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে প্রাপ্ত তাম্রশাসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯০৬]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ইতিহাসকারগণ (ক্লাসিক)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ঐতিহাসিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের কয়েকটি পরগণার নামকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের খালবিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের জেলা জজগণ (১৮৯৭ - ১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের নদনদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগনাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম জেলা কালেক্টরেট ভবন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের মুসলিম কীর্তিমানগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের শিক্ষিত নারীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম মুসলিম মহিলা সমাবেশ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রত্নসম্পদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রলয়ঙ্করী ঝড়সমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিভিন্ন থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্রাহ্ম সমাজ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ভূমি ব্যবস্থা (মোগল যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মহিলা মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধ (একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এমএনএ ও এমপিএগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রকেট সার্ভিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রাজনৈতিক সংগঠনের সূচনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লবণ আন্দোলন ১৯২১-১৯৩০]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লিটল ম্যাগাজিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদপত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমকালীন কবি-লেখকগণের নাম ও ফোন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমবায় আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরুণ সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ (উচ্চারণ অপভ্রংশে বুলাকি শাহ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলভদ্র বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলাই দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাবাজার যুদ্ধ ১৯৭১, ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইতুল আমান মসজিদ, গুঠিয়া, উজিরপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইশারীর তালুকদার রায় পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশ (পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপে পর্তুগিজ ও মগদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা সমাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলার পীর-আউলিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ (বৃটিশ আমল)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ হিতৈষিণী সভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঘাই শাহের দরগা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙরোড়া পরগনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙ্গালাবাদ/ বাঙ্গালা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোড়ের দত্ত পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটামারার সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটার খাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারিপাড়া সতীদাহ বেদি ও মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনার জমিদার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বার আউলিয়ার দরগাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারপাইকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারুখাঁ মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন বন্দর, নলছিটি, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন-কুলকাঠির জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালারঞ্জিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়াতলীর প্যাগোডা, আমতলী, বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়ার তালুকদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাসণ্ডার মহলানবিস জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাহাউদ্দিন আহমেদ, কাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি এম (ব্রজমোহন) কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি. এম. স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিকাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজনবালা ঘোষদস্তিদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির, আগৈলঝাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিদ্যাসুন্দরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিনোদিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপদবারণ সরকার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপিনবিহারী সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপ্লবী বাংলাদেশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবিচিনি মসজিদ, বেতাগী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবির পুকুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিলবিলাসের কাজী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিমল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্ববন্ধু]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বাস বাড়ি মসজিদ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বেশ্বর তর্করত্ন, মহামহোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীণা কাঞ্জিলাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরসিংহ নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেন্দ্রকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেশচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদ খা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুরের জমিদার রাজবল্লভ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৃন্দাবন চন্দ্র পুততুণ্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেটি (Battye)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেভারিজ, এইচ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল, নিকোলাস বিটসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল ইসলামিয়া ছাত্রাবাস, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৈদারাপুরের লবণচাষীদের বিদ্রোহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দীন উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা দখল যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা সংগ্রাম পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজমোহন দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজসুন্দর মিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মবাদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মময়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রেগো]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_(%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE)&amp;diff=3538</id>
		<title>বাংলাদেশ (পত্রিকা)</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_(%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE)&amp;diff=3538"/>
				<updated>2020-10-24T17:10:19Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;১৯৭১ সালের পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;১৯৭১ সালের পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৭ এপ্রিল তারিখে এস. এম. ইকবাল, মিন্টু বসু ও হেলাল উদ্দিনের স¤পাদনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পত্রিকা অনিয়মিত অর্ধসাপ্তাহিক ‘বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করে। পাকহানাদার বাহিনী বরিশাল শহর দখল করার আগে পত্রিকাটির একটিমাত্র সংখ্যা প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংখ্যাটি ছাপার আগেই ক¤েপাজ ভেঙ্গে ফেলা হয়। বরিশালের পত্র-পত্রিকার ইতিহাসে এই পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যাই ছিল সর্বাধিক। পত্রিকাটির মূল্য ছিল ১৫ পয়সা। দু’পৃষ্ঠার ট্যাবলয়েড সাইজের এ পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন হারেছ আহমেদ খান, মুকুল দাস ও এনায়েত হোসেন মিলন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
‘বাংলাদেশ’ পত্রিকার জন্ম ইতিহাস স¤পর্কে পত্রিকাটির অন্যতম স¤পাদক মিন্টু বসু ১৯৮২ সালের ৪ঠা আগস্ট সংখ্যা সাপ্তাহিক ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’পত্রিকায় লিখেছেন : ‘স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র ‘বাংলাদেশ’।... পত্রিকাটির প্রথম প্রকাশ কাল ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১। পত্রিকাটির অর্ধ সাপ্তাহিক হিসেবে প্রথম সংখ্যা আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র‘ বাংলাদেশ’-এর একটি সংখ্যাই মাত্র প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিতীয় সংখ্যাটি ছাপার পূর্ব মুহূর্তে পাকিস্তানী বিমান হামলার প্রেক্ষিতে বিনষ্টকরে ফেলা হয়। পরবর্তীতে বরিশাল শত্রæপক্ষের কবলে চলে যাওয়ায় আর কোন সংখ্যা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।’&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3537</id>
		<title>ব</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC&amp;diff=3537"/>
				<updated>2020-10-24T17:09:31Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[বঙ্গদর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গ মিহির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯২১, বরিশাল]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বনমালী চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বয্লুর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরগুনা সরকারি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরছাকাঠির প্রাচীন ইমারত, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মগ ও পর্তুগিজদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কামান ও অতলতল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল কোতোয়ালী থানার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ক্যাডেট কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জিলা স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার গ্রামসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার পুলিশ সুপারগণ (১৮৯৯ - ১৯৩৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল থেকে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও আইনসভার সদস্যবৃন্দ ১৯০৬-১৯৪৭]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল দর্পণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পার্টি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল পৌরসভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বার্তাবহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বারের সভাপতি ও সম্পাদকগণ (১৮৮৪-১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের বধ্যভূমি ও গণকবরসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিভাগের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ব্রহ্মসভা বা ব্রাহ্ম উপাসনালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল মুক্ত দিবস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল যুগান্তর দলের বিশিষ্ট বিপ্লবীরা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের স্বাস্থ্য সেবা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শহরের হাসপাতালের ইতিহাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল শিক্ষা বোর্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সদর হাসপাতাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সাব সেক্টরের অধীন বেইজ কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল (সাপ্তাহিক পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল সিটি কর্পোরেশন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশাল হিতৈষী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বাণিজ্য]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম (প্রাথমিক পর্ব)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের/ ইউরোপীয়দের বসতি (প্রাথমিক যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ইংরেজদের লবণ ব্যবসা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে দায়িত্বরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাতক সেনা কর্মকর্তাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে নারী জাগরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে প্রাপ্ত তাম্রশাসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন ১৯০৬]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ইতিহাসকারগণ (ক্লাসিক)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ঐতিহাসিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের কয়েকটি পরগণার নামকরণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের খালবিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের জেলা জজগণ (১৮৯৭ - ১৯৪৭)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের নদনদীসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পরগনাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম জেলা কালেক্টরেট ভবন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের মুসলিম কীর্তিমানগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথমদিকের শিক্ষিত নারীগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রথম মুসলিম মহিলা সমাবেশ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রত্নসম্পদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রলয়ঙ্করী ঝড়সমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন কীর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের প্রাচীন পুরাকীর্তিসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিখ্যাত ব্যক্তিগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের বিভিন্ন থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ব্রাহ্ম সমাজ]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের ভূমি ব্যবস্থা (মোগল যুগ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মহিলা মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধ (একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এমএনএ ও এমপিএগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রকেট সার্ভিস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের রাজনৈতিক সংগঠনের সূচনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লবণ আন্দোলন ১৯২১-১৯৩০]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের লিটল ম্যাগাজিন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের শহীদ বুদ্ধিজীবীগণের তালিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্রের তালিকা (স্বাধীনতাপূর্ব যুগ)]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সংবাদপত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমকালীন কবি-লেখকগণের নাম ও ফোন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরিশালের সমবায় আন্দোলন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বরুণ সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ (উচ্চারণ অপভ্রংশে বুলাকি শাহ)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলখী শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলভদ্র বসু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বলাই দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাবাজার যুদ্ধ ১৯৭১, ভোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইতুল আমান মসজিদ, গুঠিয়া, উজিরপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাইশারীর তালুকদার রায় পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাউফল উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাংলাদেশ (পত্রিকা)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের পরগণাসমূহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা-চন্দ্রদ্বীপে পর্তুগিজ ও মগদের আক্রমণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলা সমাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকলার পীর-আউলিয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ (বৃটিশ আমল)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাকেরগঞ্জ হিতৈষিণী সভা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঘাই শাহের দরগা, বাখরগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙরোড়া পরগনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাঙ্গালাবাদ/ বাঙ্গালা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোড়ের দত্ত পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটাজোর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটামারার সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাটার খাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারীপাড়া উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বানারিপাড়া সতীদাহ বেদি ও মন্দির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনা উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বামনার জমিদার চৌধুরী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বার আউলিয়ার দরগাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারপাইকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারুখাঁ মসজিদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন বন্দর, নলছিটি, ঝালকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বারৈকরন-কুলকাঠির জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালারঞ্জিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়াতলীর প্যাগোডা, আমতলী, বরগুনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বালিয়ার তালুকদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাসণ্ডার মহলানবিস জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বাহাউদ্দিন আহমেদ, কাজী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি এম (ব্রজমোহন) কলেজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বি. এম. স্কুল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিকাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজনবালা ঘোষদস্তিদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির, আগৈলঝাড়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিদ্যাসুন্দরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিনোদিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপদবারণ সরকার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিপিনবিহারী সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবিচিনি মসজিদ, বেতাগী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিবির পুকুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিলবিলাসের কাজী পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিমল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্ববন্ধু]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বাস বাড়ি মসজিদ, পটুয়াখালি সদর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বিশ্বেশ্বর তর্করত্ন, মহামহোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীণা কাঞ্জিলাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরসিংহ নারায়ণ, রাজা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেন্দ্রকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বীরেশচন্দ্র গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদ খা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বুজুর্গ উমেদপুরের জমিদার রাজবল্লভ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৃন্দাবন চন্দ্র পুততুণ্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেতাগী উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেটি (Battye)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেভারিজ, এইচ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল, নিকোলাস বিটসন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বেল ইসলামিয়া ছাত্রাবাস, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বৈদারাপুরের লবণচাষীদের বিদ্রোহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন উপজেলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দীন উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা দখল যুদ্ধ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[বোরহানউদ্দিন থানা সংগ্রাম পরিষদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজমোহন দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রজসুন্দর মিত্র]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মবাদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রহ্মময়ী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[ব্রেগো]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0&amp;diff=3536</id>
		<title>সংসার</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0&amp;diff=3536"/>
				<updated>2020-10-24T16:42:03Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;১৯৬৬ সালের জানুয়ারি মাসে মোঃ ইয়াকুব আলীর স¤পাদনায় সচি...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;১৯৬৬ সালের জানুয়ারি মাসে মোঃ ইয়াকুব আলীর স¤পাদনায় সচিত্র মাসিক পত্রিকা ‘সংসার’ আত্মপ্রকাশ করে। ‘সংসার’ গল্প, প্রবন্ধ, ধারাবাহিক উপন্যাস, কবিতা, সমালোচনা, মহিলা বিভাগ, সিনেমা এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয় সমন্বিত বলিষ্ঠ লেখক-লেখিকাদের একটি সচিত্র মাসিক পত্রিকা। বরিশাল পুলিশ লাইন রোডের কালার আর্ট প্রেস থেকে এ. রহিম কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত। দাম ৭৫ পয়সা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8&amp;diff=3535</id>
		<title>স</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%B8&amp;diff=3535"/>
				<updated>2020-10-24T16:41:45Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[সওগাতুল আলম সগীর, এস. এম.]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সংগ্রাম কেল্লা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সংগ্রাম শাহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সংসার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সনাতন গোস্বামী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সতীন সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সতীন্দ্রনাথ সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সতীন্দ্র নারায়ণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সতীশচন্দ্র গুহঠাকুরতা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সতীশচন্দ্র রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সত্য প্রকাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সত্যপ্রিয় ঘোষ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সত্যব্রত সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সত্যরঞ্জন বকসি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সত্যানন্দ দাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সত্যেন্দ্রনাথ সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সপ্তক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সর্ব্বার্থদায়িনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সমীর সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরকারবাড়ি মন্দির, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরদার ফজলুল করিম, দার্শনিক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরদার বাড়ি মসজিদ, বরছাকাঠি, স্বরূপকাঠি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরল কুমার দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরোজআভা দাসচৌধুরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সরোজিনী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সহযোগী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাইদুল আরেফিন (র.)-এর মসজিদ, কালিশুরি, বাউফল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাইয়েদুল আরেফিন (র.)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাগরদী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাগরদীর লালকুঠি, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাত-সতেরো]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাতুরিয়া মিয়া বাড়ি, রাজাপুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাতুরিয়ার জমিদার মিয়া পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাদারল্যান্ড]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাবিত্রী দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সাবিহ খা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সারথি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সি এস বা ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিংখালীর কৃষক বিদ্রোহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিদ্দিকুর রহমান, কমান্ডার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিদ্ধকাঠির জমিদার পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিরাজ শিকদার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিরাজ শিকদার বাহিনী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সিরাজুর রহমান, খন্দকার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুইসাইডাল স্কোয়াড ১৯৭১, বরিশাল শহর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুকুমার দত্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুখরঞ্জন সমদ্দার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুগন্ধা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুজয়া গুহ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুজাবাদ কেল্লা, নলছিটি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুজাবাদের সৈয়দ পরিবার]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুতাবাড়িয়ার দয়াময়ীর মন্দির, গলাচিপা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুধাংশু দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুধীর কুমার চক্রবর্তী, এডভোকেট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুধীর ‍কুমার দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুধীরকুমার সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুধীররঞ্জন সেন পঞ্চতীর্থ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুন্দরবন কমিশনার নিয়োগ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুনীল চক্রবর্তী, অধ্যাপক]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুনীল সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুনীলবিহারী সেনশর্মা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুপ্রকাশ রায় (সুধীরচন্দ্র ভট্টাচার্য)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুফিয়া কামাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুবাসসিঞ্চন রায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুরেন্দ্রনাথ সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুরেশ চন্দ্র গুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুরেশচন্দ্র দাশগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুলতান উদ্দিন আহমেদ (সুলতান মাস্টার)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুলতানী আমলে চন্দ্রদ্বীপ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুলতানী আমলে চন্দ্রদ্বীপের ধর্ম ও সমাজ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুলতানী আমলে চন্দ্রদ্বীপের শাসনব্যবস্থা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুশীল চন্দ্র শর্মা, ডাঃ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সুহাসিনী সেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সূর্যমণির সূর্যমূর্তি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সেনাপতি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সেবাস্তিয়ান গঞ্জালেস]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সেলিমাবাদ পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈজদ্দিন উকিল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ আজিজুর রহমান (নওয়াব মিয়া)]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ আজিজুল হক (নান্না মিয়া)]] &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ আবদুল মান্নান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ আশরাফ হোসেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ ইমামউদ্দিন চৌধুরী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ উদ্দীন আহমেদ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দপুর পরগণা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ ফকির]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ মাহবুবুর রহমান]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ মুনীর হোসেন ঠাকুর]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ মুহাম্মদ হোসেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ মোতাহার হোসেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দ হাতেম আলী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৈয়দা মোতাহেরা বানু]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সোনাখালি জমিদারবাড়ি, মঠবাড়িয়া]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[সৌদামিনী দেবী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্টিমার স্ট্রাইক, বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্নেহলতা দাশ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্বরূপকাঠি থানার (নেছারাবাদ)শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্ট্রাট]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্বদেশবান্ধব সমিতি]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্বদেশী]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[‘স্বদেশী’ সাপ্তাহিক পত্রিকা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্বদেশী আন্দোলনে বরিশাল]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[স্ব রোড]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	<entry>
		<id>http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2_%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A3&amp;diff=3534</id>
		<title>বরিশাল দর্পণ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="http://www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2_%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A3&amp;diff=3534"/>
				<updated>2020-10-24T16:32:39Z</updated>
		
		<summary type="html">&lt;p&gt;Spadmin: &amp;quot;১৯৬৬ সালে মোঃ ইয়াকুব আলীর স¤পাদনায় হাবিব প্রেস থেকে প্...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;১৯৬৬ সালে মোঃ ইয়াকুব আলীর স¤পাদনায় হাবিব প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় বাকেরগঞ্জ জেলা বোর্ডের মুখপত্র ‘বরিশাল দর্পণ’। এটি একটি সচিত্র পাক্ষিক পত্রিকা। ১ম বর্ষ, ১ম সংখ্যার প্রকাশকাল ১লা জুলাই শুক্রবার ১৯৬৬ (১৬ আষাঢ় ১৩৭৩)। প্রতিষ্ঠাতা মফিজুর রহমান সি.এস.পি.। বাকেরগঞ্জ জেলাপরিষদের সৌজন্যে জেলা জনসংযোগ অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম কর্তৃক জেলা তথ্য মজলিস থেকে প্রকাশিত এবং বরিশাল সদর রোড, হাবিব প্রেস থেকে আর. আলী কর্তৃক মুদ্রিত। পৃষ্ঠাসংখ্যা - ১২, দাম-১৫ পয়সা, বার্ষিক চাঁদা-৩ টাকা। স্থানীয় সংবাদ ছাড়াও এ পত্রিকায় গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ প্রভৃতি ছাপা হতো। খেলাধূলা ও মহিলা মজলিস নামে অন্য দু’টি বিভাগও ছিল। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
----&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তপংকর চক্রবর্তী। বরিশালের সংবাদ ও সাময়িকপত্র। বাংলা একাডেমি, ২০০১।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Spadmin</name></author>	</entry>

	</feed>