"বিজয় গুপ্ত"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Barisalpedia থেকে
("মনসা মঙ্গলের বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি। জীবনকাল পঞ্চদশ- ষো..." দিয়ে পাতা তৈরি)
 
 
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
মনসা মঙ্গলের বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি। জীবনকাল পঞ্চদশ- ষোড়শ শতাব্দী। জন্মস্থান বরিশাল জেলার বর্তমান আগৈলঝারা উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের অধীন ফুল্লশ্রী গ্রাম। পিতা সনাতন গুপ্ত।
+
মনসা মঙ্গলের বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি। জীবনকাল পঞ্চদশ- ষোড়শ শতাব্দী। জন্মস্থান বরিশাল জেলার বর্তমান আগৈলঝারা উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের অধীন ফুল্লশ্রী গ্রাম। পিতা সনাতন গুপ্ত। মাতা রুক্মিনী দেবী। মাতা রুক্মিনীর পিতা ছিলেন হেরম্ব চন্দ্র। হেরম্ব চন্দ্র ছিলেন বিখ্যাত ভবদাস বৈদ্যের পুত্র।
  
 
গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সমসাময়িক ছিলেন এই কবি। মনসাদেবীর মাহাত্ম-প্রচারার্থ ১৪৮৪ খৃস্টাব্দে ‘পদ্মপুরাণ’ গ্রন্থ রচনা শুরু করেন এবং হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৪-১৫২৫) রচনা শেষ হয়। গ্রন্থের অধিকাংশই পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত। ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল জেলায় তাঁর মনসামঙ্গল গান অত্যন্ত জনপ্রিয়। গ্রন্থটি ১৮৯৬ খৃস্টাব্দে বরিশালে প্রথম ছাপা হয়। তাঁর গ্রামে মনসাদেবী মূর্তি প্রতিষ্ঠিত আছে। উহা  বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির নামে খ্যাত। পর্বোপলক্ষ্যে সেখানে বহু লোকের সমাবেশ হয়।  
 
গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সমসাময়িক ছিলেন এই কবি। মনসাদেবীর মাহাত্ম-প্রচারার্থ ১৪৮৪ খৃস্টাব্দে ‘পদ্মপুরাণ’ গ্রন্থ রচনা শুরু করেন এবং হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৪-১৫২৫) রচনা শেষ হয়। গ্রন্থের অধিকাংশই পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত। ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল জেলায় তাঁর মনসামঙ্গল গান অত্যন্ত জনপ্রিয়। গ্রন্থটি ১৮৯৬ খৃস্টাব্দে বরিশালে প্রথম ছাপা হয়। তাঁর গ্রামে মনসাদেবী মূর্তি প্রতিষ্ঠিত আছে। উহা  বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির নামে খ্যাত। পর্বোপলক্ষ্যে সেখানে বহু লোকের সমাবেশ হয়।  
  
 
----
 
----
বাঙালি চরিতাভিধান (প্রথম খন্ড)। কোলকাতা: সাহিত্য সংসদ। ২০১৩।
+
১। বাঙালি চরিতাভিধান (প্রথম খন্ড)। কোলকাতা: সাহিত্য সংসদ। ২০১৩। ২। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, বরিশালের ইতিহাস, ১ম খন্ড, ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০।

২৩:২৭, ৫ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

মনসা মঙ্গলের বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি। জীবনকাল পঞ্চদশ- ষোড়শ শতাব্দী। জন্মস্থান বরিশাল জেলার বর্তমান আগৈলঝারা উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের অধীন ফুল্লশ্রী গ্রাম। পিতা সনাতন গুপ্ত। মাতা রুক্মিনী দেবী। মাতা রুক্মিনীর পিতা ছিলেন হেরম্ব চন্দ্র। হেরম্ব চন্দ্র ছিলেন বিখ্যাত ভবদাস বৈদ্যের পুত্র।

গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সমসাময়িক ছিলেন এই কবি। মনসাদেবীর মাহাত্ম-প্রচারার্থ ১৪৮৪ খৃস্টাব্দে ‘পদ্মপুরাণ’ গ্রন্থ রচনা শুরু করেন এবং হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৪-১৫২৫) রচনা শেষ হয়। গ্রন্থের অধিকাংশই পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত। ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল জেলায় তাঁর মনসামঙ্গল গান অত্যন্ত জনপ্রিয়। গ্রন্থটি ১৮৯৬ খৃস্টাব্দে বরিশালে প্রথম ছাপা হয়। তাঁর গ্রামে মনসাদেবী মূর্তি প্রতিষ্ঠিত আছে। উহা বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির নামে খ্যাত। পর্বোপলক্ষ্যে সেখানে বহু লোকের সমাবেশ হয়।


১। বাঙালি চরিতাভিধান (প্রথম খন্ড)। কোলকাতা: সাহিত্য সংসদ। ২০১৩। ২। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, বরিশালের ইতিহাস, ১ম খন্ড, ভাস্কর প্রকাশনী, ২০১০।