"বরিশালের প্রথমদিকের শিক্ষিত নারীগণ"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Barisalpedia থেকে
(" জেলার মহিলারা পুরুষের তুলনায় শিক্ষায় অনগ্রসর ছিল। চা..." দিয়ে পাতা তৈরি)
 
(কোন পার্থক্য নেই)

০৭:৩৯, ২৬ জুলাই ২০২০ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

জেলার মহিলারা পুরুষের তুলনায় শিক্ষায় অনগ্রসর ছিল। চাঁদসীর কাদম্বিনী বসু (পরবর্তীতে কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়), বাসন্ডার কামিনী রায় ও যামিনী রায়, গৈলার তটিনী গুপ্ত প্রমুখ উচ্চ ডিগ্রী লাভ করে মেয়েদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলে স্ত্রীজাতি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে এগিয়ে আসেন। বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে শান্তিসুধা যোষ, অপরাজিতা ঘোষ, মনিকুন্তলা সেন, ফুলরেনু গুহ, নীহারবালা গুহঠাকুরতা, উষা রায় প্রমুখ উচ্চ ডিগ্রী লাভ করে মেয়েদের মধ্যে প্রেরণা সৃষ্টি করেন। হামিদ উদ্দীন উকিলের ভগ্নি মেহেরুন নেসা ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমান মেয়েদের মধ্যে প্রথম বিএ পাস করেন। তারপর আগরপুরের ফরিদ উদ্দিন মিয়ার কন্যা সাবেরা তৈয়ব, কড়াপুরের মিসেস সাহানারা পরী, নলচিড়ার মিসেস সিরাজ উদ্দিন বিএ পাস করেন। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত জেলায় ৩০ জনের বেশি মুসলমান মহিলা মেট্রিক পাস ছিল না। হিন্দুদের তুলনায় মুসলমান স্ত্রী-পুরুষ উভয় শিক্ষায় পিছিয়ে ছিল।

তথ্যসূত্র: ১। সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। বরিশাল বিভাগের ইতিহাস (১ম খণ্ড)। ভাস্কর প্রকাশনী, ঢাকা। ২০১০।