"পান্নালাল ঘোষ"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
("বিখ্যাত বংশীবাদক। জন্ম ৩১ জুলাই ১৯১১। মৃত্যু এপ্রিল ১৯৬..." দিয়ে পাতা তৈরি) |
|||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
| + | |||
| + | [[চিত্র:Pannalal_ghosh.jpg]] | ||
| + | |||
বিখ্যাত বংশীবাদক। জন্ম ৩১ জুলাই ১৯১১। মৃত্যু এপ্রিল ১৯৬০। জন্মস্থান বরিশাল। পিতা অক্ষয়কুমার ভালো সেতার বাজাতেন। খ্যাতনামা বংশীবাদক। শরীরচর্চাতেও খ্যাতি ছিল। ১৯৩৬খ্রি. ব্যান্টম ভারোত্তলন প্রতিয়োগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৩৫খ্রি. অল বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সে প্রথম পুরস্কার পান। এ সময় ফিল্ম কোম্পানি নিউ থিয়েটার্সে চাকরি নেন। এখানে খুশি মহম্মদ হারমোনিয়াম বাজাতেন। তাঁর কাছে মার্গসংগীত শিখতে থাকেন। পরে শিখেন গিরিজাশঙ্কর এর কাছে। তবে বাঁশরিয়া হিসাবেই তাঁর খ্যাতি। সেরাইকেল্লার যুবরাজের নাচের দলের সঙ্গে তিনি ইউরোপ ভ্রমণে যান। এরপর দেশ-বিদেশের বহু কনফারেন্সে আমন্ত্রণ পেয়ে বাঁশি বাজিয়েছেন। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে বেশ কয়েকটি ঐক্যতানবাদন পরিচালনা করেছেন। ১৯৪০খ্রি. ফিল্ম জগতে সংগীত পরিচালকরূপে মুম্বাই যান। ১৯৪৭খ্রি. আলাউদ্দীন খাঁর কাছে কিছুদিন শিক্ষাগ্রহণ করেন। ১৯৪২ খ্রি. ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে বন্দি অবস্থায় অসুস্থ গান্ধীজিকে তিনি বাঁশি শুনিয়ে তাঁর আর্শীবাদ লাভ করেছিলেন। ভারতীয় ফিল্মের খ্যাতনামা নেপথ্যগায়িকা সুপ্রভা ঘোষ তাঁর স্ত্রী। | বিখ্যাত বংশীবাদক। জন্ম ৩১ জুলাই ১৯১১। মৃত্যু এপ্রিল ১৯৬০। জন্মস্থান বরিশাল। পিতা অক্ষয়কুমার ভালো সেতার বাজাতেন। খ্যাতনামা বংশীবাদক। শরীরচর্চাতেও খ্যাতি ছিল। ১৯৩৬খ্রি. ব্যান্টম ভারোত্তলন প্রতিয়োগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৩৫খ্রি. অল বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সে প্রথম পুরস্কার পান। এ সময় ফিল্ম কোম্পানি নিউ থিয়েটার্সে চাকরি নেন। এখানে খুশি মহম্মদ হারমোনিয়াম বাজাতেন। তাঁর কাছে মার্গসংগীত শিখতে থাকেন। পরে শিখেন গিরিজাশঙ্কর এর কাছে। তবে বাঁশরিয়া হিসাবেই তাঁর খ্যাতি। সেরাইকেল্লার যুবরাজের নাচের দলের সঙ্গে তিনি ইউরোপ ভ্রমণে যান। এরপর দেশ-বিদেশের বহু কনফারেন্সে আমন্ত্রণ পেয়ে বাঁশি বাজিয়েছেন। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে বেশ কয়েকটি ঐক্যতানবাদন পরিচালনা করেছেন। ১৯৪০খ্রি. ফিল্ম জগতে সংগীত পরিচালকরূপে মুম্বাই যান। ১৯৪৭খ্রি. আলাউদ্দীন খাঁর কাছে কিছুদিন শিক্ষাগ্রহণ করেন। ১৯৪২ খ্রি. ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে বন্দি অবস্থায় অসুস্থ গান্ধীজিকে তিনি বাঁশি শুনিয়ে তাঁর আর্শীবাদ লাভ করেছিলেন। ভারতীয় ফিল্মের খ্যাতনামা নেপথ্যগায়িকা সুপ্রভা ঘোষ তাঁর স্ত্রী। | ||
---- | ---- | ||
তথ্যসূত্র: সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান। | তথ্যসূত্র: সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান। | ||
১৪:২১, ২০ এপ্রিল ২০২০ তারিখের সংস্করণ
বিখ্যাত বংশীবাদক। জন্ম ৩১ জুলাই ১৯১১। মৃত্যু এপ্রিল ১৯৬০। জন্মস্থান বরিশাল। পিতা অক্ষয়কুমার ভালো সেতার বাজাতেন। খ্যাতনামা বংশীবাদক। শরীরচর্চাতেও খ্যাতি ছিল। ১৯৩৬খ্রি. ব্যান্টম ভারোত্তলন প্রতিয়োগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৩৫খ্রি. অল বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সে প্রথম পুরস্কার পান। এ সময় ফিল্ম কোম্পানি নিউ থিয়েটার্সে চাকরি নেন। এখানে খুশি মহম্মদ হারমোনিয়াম বাজাতেন। তাঁর কাছে মার্গসংগীত শিখতে থাকেন। পরে শিখেন গিরিজাশঙ্কর এর কাছে। তবে বাঁশরিয়া হিসাবেই তাঁর খ্যাতি। সেরাইকেল্লার যুবরাজের নাচের দলের সঙ্গে তিনি ইউরোপ ভ্রমণে যান। এরপর দেশ-বিদেশের বহু কনফারেন্সে আমন্ত্রণ পেয়ে বাঁশি বাজিয়েছেন। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে বেশ কয়েকটি ঐক্যতানবাদন পরিচালনা করেছেন। ১৯৪০খ্রি. ফিল্ম জগতে সংগীত পরিচালকরূপে মুম্বাই যান। ১৯৪৭খ্রি. আলাউদ্দীন খাঁর কাছে কিছুদিন শিক্ষাগ্রহণ করেন। ১৯৪২ খ্রি. ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে বন্দি অবস্থায় অসুস্থ গান্ধীজিকে তিনি বাঁশি শুনিয়ে তাঁর আর্শীবাদ লাভ করেছিলেন। ভারতীয় ফিল্মের খ্যাতনামা নেপথ্যগায়িকা সুপ্রভা ঘোষ তাঁর স্ত্রী।
তথ্যসূত্র: সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান।
